
নিজস্ব প্রতিবেদক, কেরানীগঞ্জ
কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন বেগুনবাড়ি ও গোলামবাজার এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। আজ ২২ আগস্ট, শনিবার সকাল ১১টার দিকে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হুট করে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর তারা শুভাঢ্যা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দেওয়া বিভিন্ন নম্বরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। শুরুতে অফিসের দায়িত্বশীলরা জিনজিরা পাওয়ার হাউসে সামান্য ত্রুটি হয়েছে জানিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ চলে আসবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ না আসায় গ্রাহকরা পুনরায় ফোন করলে পরিস্থিতি ভিন্নরূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, এরপর বারবার ফোন করা হলেও তা রিসিভ করা হয়নি। অনেক কষ্টে সংযোগ পেলে একেকবার একেক রকম অজুহাত দেওয়া হয়।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা এক গ্রাহক জানান, বিদ্যুৎ অফিসের লোকজনকে বলতে শোনা যায় জিনজিরা পাওয়ার হাউসের সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ঘণ্টা লাগবে। অথচ আগে থেকে মাইকিং করে বা কোনো ধরনের ঘোষণা দিয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়নি। এমনকি এই সমস্যার দায় নিতে নারাজ দুই অফিস; শুভাঢ্যা অফিস সব দোষ জিনজিরা পাওয়ার হাউসের ওপর চাপাচ্ছে, আর জিনজিরা অফিস বলছে তারা এ বিষয়ে কিছু করতে পারবে না।
দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় গোসলসহ দৈনন্দিন কাজে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। দুই দপ্তরের এমন উদাসীনতা ও দায়সারা আচরণে চরম ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
এলাকাবাসী ও গ্রাহকরা এই দায়িত্বহীনতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ অফিসগুলোর এমন সমন্বয়হীনতা খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
প্রতিবেদনটিতে আপনার মুঠোফোনে কথা বলার বিষয়টি সঠিকভাবে সংশোধন করা হয়েছে। এটি এখন আরও নিখুঁত ও পেশাদার রূপ নিয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















