Dhaka ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
হিলি কাস্টমসে দেড় টন মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস তাহিরপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে কয়লা আনতে ভারতে গিয়ে বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির অভিযোগ এনে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে মানহানি করা হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ আ.লীগের সঙ্গে বিএনপিকে তুলনা করতে চাই না: সারজিস কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা গোলাম বাজার খালের পাড়ে অবৈধ দোকানপাট, ময়লার ভাগাড় ও তীব্র যানজট: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী নাটোর লালপুরে প্রতিমন্ত্রীর মাতার জন্মদিন উপলক্ষে লালপুর ডিগ্রি কলেজে নলকূপ উপহার দুদকের দুর্নীতি মামলায় কারাগারে বান্দরবান সদরের পিআইও মিল্টন দস্তিদার, চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত নকশায় বিচ্যুতি ও অনুমোদনহীন নির্মাণ: কুমিল্লায় আরও ৩ ভবনের কাজ বন্ধ ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাসিক প্রশাসকের নির্দেশনায় ৩০ ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ মাদক নির্মূল ও কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

ওষুধের ৩ কোটি টাকা গায়েব? বান্দরবানে স্বাস্থ্য খাতে অর্থ লোপাটের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো:  বান্দরবান পার্বত্য জেলার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দকৃত ওষুধের সরকারি টাকা নিয়ে এক বিশাল অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। জেলা সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৪ কোটি টাকার বিপরীতে মাত্র ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে, অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে ভুয়া বা নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই মহা-অনিয়মের সত্যতা যাচাইয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। ১জুলাই (বুধবার) সকাল ১১টা থেকে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সদর হাসপাতালে এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি চিঠির (স্মারক নং- ২৯.০০.০০০০.২১৪.০৮.২২.১৫২) মাধ্যমে এই গুরুতর অনিয়মের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ৩০ জুন ২০২৬ (১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠি (স্মারক নং- ২৯.৩৫.০৩০০.০০০.০৩.৪৪.০৩৭.২৪.১০৫০) সরাসরি বান্দরবানের সিভিল সার্জন কাম তত্ত্বাবধায়ক বরাবর পাঠানো হয়েছে। ​চিঠির বিবরণ অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন কর্তৃক ৪ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয়ের বিপরীতে ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা জেলা পরিষদের মাধ্যমে উত্তোলনের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। ​

আরও পড়ুনঃ  পানছড়িতে “ওয়াদুদ গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” উদ্বোধন

 

এই চিঠির অনুলিপি কার্যার্থে ও জ্ঞাতার্থে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক, জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী, হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সিএ-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে নাম মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জেলা পরিষদের মূখানির্বাহী কর্মকর্তা কর্মকর্তা জানান, “ওষুধ ক্রয়ের মতো সংবেদনশীল খাতে এত বড় অঙ্কের টাকা লোপাটের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, তাই তদন্ত কমিটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পুরো নথিপত্র এবং গুদামের ওষুধের স্টক যাচাই করবে। কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ​এদিকে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য বরাদ্দকৃত ওষুধের টাকা এভাবে নয়ছয় করার খবরে স্থানীয় সচেতন মহল সোশ্যাল মিডিয়াতেও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় তদন্ত কমিটির হাসপাতাল পরিদর্শনের দিকেই এখন সবার নজর।

আরও পড়ুনঃ  ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল- জালিয়াতি করে বিপদে ফেলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

হিলি কাস্টমসে দেড় টন মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস

ওষুধের ৩ কোটি টাকা গায়েব? বান্দরবানে স্বাস্থ্য খাতে অর্থ লোপাটের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে

আপডেটের সময়: ১১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো:  বান্দরবান পার্বত্য জেলার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দকৃত ওষুধের সরকারি টাকা নিয়ে এক বিশাল অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। জেলা সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৪ কোটি টাকার বিপরীতে মাত্র ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে, অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে ভুয়া বা নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই মহা-অনিয়মের সত্যতা যাচাইয়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। ১জুলাই (বুধবার) সকাল ১১টা থেকে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সদর হাসপাতালে এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।​অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি চিঠির (স্মারক নং- ২৯.০০.০০০০.২১৪.০৮.২২.১৫২) মাধ্যমে এই গুরুতর অনিয়মের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ৩০ জুন ২০২৬ (১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠি (স্মারক নং- ২৯.৩৫.০৩০০.০০০.০৩.৪৪.০৩৭.২৪.১০৫০) সরাসরি বান্দরবানের সিভিল সার্জন কাম তত্ত্বাবধায়ক বরাবর পাঠানো হয়েছে। ​চিঠির বিবরণ অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন কর্তৃক ৪ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয়ের বিপরীতে ১ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে অবশিষ্ট ৩ কোটি টাকা জেলা পরিষদের মাধ্যমে উত্তোলনের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। ​

আরও পড়ুনঃ  বাঁশের পণ্যেই চাঁন মিয়ার অদম্য সংগ্রাম

 

এই চিঠির অনুলিপি কার্যার্থে ও জ্ঞাতার্থে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক, জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী, হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সিএ-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে নাম মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জেলা পরিষদের মূখানির্বাহী কর্মকর্তা কর্মকর্তা জানান, “ওষুধ ক্রয়ের মতো সংবেদনশীল খাতে এত বড় অঙ্কের টাকা লোপাটের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, তাই তদন্ত কমিটি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পুরো নথিপত্র এবং গুদামের ওষুধের স্টক যাচাই করবে। কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ​এদিকে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য বরাদ্দকৃত ওষুধের টাকা এভাবে নয়ছয় করার খবরে স্থানীয় সচেতন মহল সোশ্যাল মিডিয়াতেও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় তদন্ত কমিটির হাসপাতাল পরিদর্শনের দিকেই এখন সবার নজর।

আরও পড়ুনঃ  কুলাউড়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা