Dhaka ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল কাজীর দেউড়ির ১৫৫ কেজি ওজনের কোরাল মাছ যেভাবে বিক্রি মাদক ছেড়ে তরুণদের খেলার মাঠে আসার আহ্বান জানালেন মো: পিন্টু রহমান যাদুকাটা নদীতে খেয়া পারাপার বন্ধ ইজারাদারদের দ্বন্দ্বে চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ ও পর্যটক চবি জামাল নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের এনেক্স ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন গাবতলীতে তকির বকুল তলা সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মোকামতলায় চুরির প্রস্তুতিকালে চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার পবায় দ্বীনি শিক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ‘মথুরা মারকাযুল হুদা মাদ্রাসা ইলিশা-দক্ষিণ আইচা রুটে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ভোলায় বাস মালিকদের সংবাদ সম্মেলন

ঈদগাঁও বাজারে সবজির তিনগুণ দাম, মাছেও নেই স্বস্তি: বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৩৭ সময় দেখুন

মোবারক হোসাইন, কক্সবাজার জেলা: কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাজারে দফায় দফায় বৃদ্ধি পেয়ে সবজির দাম এখন প্রায় তিনগুণে ঠেকেছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়া রয়েছে মাছ ও মুরগির বাজারও। নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদগাঁও কাঁচাবাজার ও মাছ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে প্রায় প্রতিটি সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। খুচরা বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বেগুন ১৬০ টাকা, করলা ১৬০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা এবং গাজর ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচু ৬০ টাকা, আলু ৩০ টাকা এবং পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ বাজারেও স্বস্তি ফেরেনি। পাঙ্গাশ মাছ প্রতি কেজি ১৭০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা এবং ছোট নদীর মাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য মাছও আকারভেদে চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দোহাজারী বাজার থেকে কাঁচামাল কিনে এনে ঈদগাঁওতে বিক্রি করেন এক ব্যবসায়ী। তিনি জানান, মালামাল কেনার আগে দোহাজারী কাঁচামালের মাঠে দালালকে টাকা দিয়ে মাল কিনতে হয়। এছাড়া সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে ক্ষেতখামার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রস্তাবিত স্থানেই বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ,

 

ফলে তাদের চড়া দামে কিনতে হচ্ছে ​খুচরা কাঁচামাল ব্যবসায়ী ইমন জানান, তরিতরকারীর দাম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় পুঁজি সামলাতে তিনি এখন তুলনামূলক কম দামের সবজি এনে বিক্রি করছেন। বর্তমানে ঈদগাঁও বাজারে ১০০ টাকার নিচে কোনো তরকারি পাওয়া যাচ্ছে না। আরেক তরকারী ব্যবসায়ী বলেন, বৃষ্টির মধ্যে ক্ষেত থেকে তরকারি সংগ্রহ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। পাইকারিতে যে দামে কিনতে হচ্ছে, অনেক সময় সেই দামে বিক্রি করাও মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। বাজারে আসা আজিম ও তাহেরসহ বেশ কয়েকজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাধারণ মানুষের আয়ের তুলনায় ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। রান্নাবান্নায় সাধ থাকলেও অতিরিক্ত দামের কারণে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করা এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তরিতরকারির এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ​উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের অসহায়, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের কষ্টের কথা বিবেচনা করে কাঁচাতরিতরকারীর মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  কাজীর দেউড়ির ১৫৫ কেজি ওজনের কোরাল মাছ যেভাবে বিক্রি
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

ঈদগাঁও বাজারে সবজির তিনগুণ দাম, মাছেও নেই স্বস্তি: বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

আপডেটের সময়: ০৬:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

মোবারক হোসাইন, কক্সবাজার জেলা: কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাজারে দফায় দফায় বৃদ্ধি পেয়ে সবজির দাম এখন প্রায় তিনগুণে ঠেকেছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়া রয়েছে মাছ ও মুরগির বাজারও। নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদগাঁও কাঁচাবাজার ও মাছ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে প্রায় প্রতিটি সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। খুচরা বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বেগুন ১৬০ টাকা, করলা ১৬০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা এবং গাজর ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কচু ৬০ টাকা, আলু ৩০ টাকা এবং পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ বাজারেও স্বস্তি ফেরেনি। পাঙ্গাশ মাছ প্রতি কেজি ১৭০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা এবং ছোট নদীর মাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য মাছও আকারভেদে চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দোহাজারী বাজার থেকে কাঁচামাল কিনে এনে ঈদগাঁওতে বিক্রি করেন এক ব্যবসায়ী। তিনি জানান, মালামাল কেনার আগে দোহাজারী কাঁচামালের মাঠে দালালকে টাকা দিয়ে মাল কিনতে হয়। এছাড়া সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে ক্ষেতখামার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

আরও পড়ুনঃ  বোনের ওপর অভিমানে লামায় যুবকের আত্মহত্যা

 

ফলে তাদের চড়া দামে কিনতে হচ্ছে ​খুচরা কাঁচামাল ব্যবসায়ী ইমন জানান, তরিতরকারীর দাম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় পুঁজি সামলাতে তিনি এখন তুলনামূলক কম দামের সবজি এনে বিক্রি করছেন। বর্তমানে ঈদগাঁও বাজারে ১০০ টাকার নিচে কোনো তরকারি পাওয়া যাচ্ছে না। আরেক তরকারী ব্যবসায়ী বলেন, বৃষ্টির মধ্যে ক্ষেত থেকে তরকারি সংগ্রহ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। পাইকারিতে যে দামে কিনতে হচ্ছে, অনেক সময় সেই দামে বিক্রি করাও মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। বাজারে আসা আজিম ও তাহেরসহ বেশ কয়েকজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাধারণ মানুষের আয়ের তুলনায় ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। রান্নাবান্নায় সাধ থাকলেও অতিরিক্ত দামের কারণে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করা এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তরিতরকারির এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ​উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের অসহায়, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের কষ্টের কথা বিবেচনা করে কাঁচাতরিতরকারীর মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  মোংলায় ওয়াইল্ডটিম - ফ্রেন্ডশিপ কতৃক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম