Dhaka ১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে, কাঁদছে নবাবগঞ্জ ১০৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ডিবি দক্ষিণ পুলিশ ভেদরগঞ্জে সচেতন মা, আপনি সেরা মা—শ্রেষ্ঠ অভিভাবক পুরস্কার ২০২৬ ধামইরহাটে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আল-কুরআনবিরোধী সংবিধানই সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল সমস্যা: ইসলামী সমাজ লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ভয়ে থমকে আছে গাজীপুরে বন উদ্ধার পত্নীতলায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ পলাশবাড়ীতে পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩ লক্ষ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার ভারতের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে

সংসদকে জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৩২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ১৯৩ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদকে যুক্তি, তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি এই মহান সংসদে সমগ্র দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। দল, মত, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুনঃ  আমাদের কর্মসূচি কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়: ডা. শফিকুর রহমান

তিনি বলেন, বিগত সময়ে গুম, খুন, বন্দিশালা ও বিভিন্ন নিপীড়নের শিকার যারা হয়েছেন, এবং যাদের পরিবার স্বজন হারিয়েছেন, তাদের অবদানকে আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। কোনো নিপীড়ন-নির্যাতনই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে থামাতে পারেনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন আপসহীন লড়াই করেছেন। তিনি কখনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। দুর্ভাগ্যবশত, দেশ ও জনগণের এই শুভ মুহূর্ত তিনি দেখতে পারেননি। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি ‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি সেই দলেরই আছি’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ব্যক্তি বা দলের চেয়ে জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে বড়, এটাই বিএনপির রাজনীতি। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

আরও পড়ুনঃ  বরিশাল সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স কার্যক্রম এখন অনলাইনে

তিনি মহান সংসদে উপস্থিত সব দলের সদস্যদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন। বলেন, “আমাদের দল বা মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোনো বিরোধ নেই। বিগত সরকারের সময়ে জাতীয় সংসদকে অকার্যকর করে রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সংসদকে সব যুক্তি-তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই। নতুন সংসদের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের ফলে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ বা পলাতক। পরবর্তীতে সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানও ওই সংসদে সদ্য নির্বাচিত সদস্যদের জন্য প্রস্তাব করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরের গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউপি নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে আলমগীর হোসেন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে, কাঁদছে নবাবগঞ্জ

সংসদকে জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৭:৩২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদকে যুক্তি, তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি এই মহান সংসদে সমগ্র দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। দল, মত, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুনঃ  মানুষ বলছে আর কখনো বিএনপিকে ভোট দেব না: অলি আহমদ

তিনি বলেন, বিগত সময়ে গুম, খুন, বন্দিশালা ও বিভিন্ন নিপীড়নের শিকার যারা হয়েছেন, এবং যাদের পরিবার স্বজন হারিয়েছেন, তাদের অবদানকে আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। কোনো নিপীড়ন-নির্যাতনই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে থামাতে পারেনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন আপসহীন লড়াই করেছেন। তিনি কখনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। দুর্ভাগ্যবশত, দেশ ও জনগণের এই শুভ মুহূর্ত তিনি দেখতে পারেননি। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি ‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি সেই দলেরই আছি’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ব্যক্তি বা দলের চেয়ে জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে বড়, এটাই বিএনপির রাজনীতি। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

আরও পড়ুনঃ  দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়াচ্ছে

তিনি মহান সংসদে উপস্থিত সব দলের সদস্যদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন। বলেন, “আমাদের দল বা মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোনো বিরোধ নেই। বিগত সরকারের সময়ে জাতীয় সংসদকে অকার্যকর করে রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সংসদকে সব যুক্তি-তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই। নতুন সংসদের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের ফলে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ বা পলাতক। পরবর্তীতে সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানও ওই সংসদে সদ্য নির্বাচিত সদস্যদের জন্য প্রস্তাব করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  দেশ কিছুটা স্থিতিশীল তবে শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম