Dhaka ০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফটিকছড়িতে ইয়াবাসহ ২ মাদকসেবী আটক: মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড ধুনটে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘মানাস মিডিয়া’র ১ম বর্ষপূর্তি পালিত পত্নীতলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ আটক ১ শিশু শিক্ষার্থী মরিয়ম হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল মাদারগঞ্জ, জামিনুর ও তার স্ত্রীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন পল্লী সবুজায়ন কর্মসূচি উপলক্ষে বৃক্ষরোপন, চারা বিতরন ও ঋন উদ্যোগতাদের মাঝে চেক বিতরন চট্টগ্রামের মেখল মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা উসমান ফয়েজী আর নেই গণতন্ত্রের সিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ নিরাপদ খাদ্য গড়ে তুলতে পারে সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম: খাদ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পুলিশ বাহিনীতে থাকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের দক্ষ সদস্যদের কাজে লাগিয়ে এই ইউনিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ইউনিট ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে অ্যাডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হলেও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প আগামী বছর উদ্বোধন: পানি সম্পদমন্ত্রী

 

তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, আইটি ও কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে। পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে। মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কার্যকরভাবে দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে সাইবার স্পেসসহ যেকোনো অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের তিন সিনেটরের বৈঠক

 

সভায় পুলিশ স্টাফ কলেজের ভূমি ব্যবহারে এমআরটির প্রস্তাব, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কোর্সের বৈদেশিক অংশের জন্য অর্থ বরাদ্দ, কলেজের অধীনে পূর্ণাঙ্গ ও স্বতন্ত্র গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং কলেজের বিধিসমূহের সরকারি অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণকে পদোন্নতি ও পদায়নের অগ্রাধিকার শর্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, আন্তর্জাতিক পুলিশ একাডেমিগুলোর সংগঠন INTERPA-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে প্রশিক্ষণ আয়োজন ও বিদেশে প্রশিক্ষণার্থী পাঠানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স ও মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিচালনা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএটিসির রেক্টর সাঈদ মাহবুব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে : আইনমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফটিকছড়িতে ইয়াবাসহ ২ মাদকসেবী আটক: মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৩:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পুলিশ বাহিনীতে থাকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের দক্ষ সদস্যদের কাজে লাগিয়ে এই ইউনিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ইউনিট ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে অ্যাডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হলেও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রতিশোধপরায়ণ হইনি, হতে চাই না : আইনমন্ত্রী

 

তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, আইটি ও কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে। পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে। মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কার্যকরভাবে দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে সাইবার স্পেসসহ যেকোনো অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্রের সিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ

 

সভায় পুলিশ স্টাফ কলেজের ভূমি ব্যবহারে এমআরটির প্রস্তাব, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কোর্সের বৈদেশিক অংশের জন্য অর্থ বরাদ্দ, কলেজের অধীনে পূর্ণাঙ্গ ও স্বতন্ত্র গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং কলেজের বিধিসমূহের সরকারি অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণকে পদোন্নতি ও পদায়নের অগ্রাধিকার শর্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, আন্তর্জাতিক পুলিশ একাডেমিগুলোর সংগঠন INTERPA-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে প্রশিক্ষণ আয়োজন ও বিদেশে প্রশিক্ষণার্থী পাঠানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স ও মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিচালনা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএটিসির রেক্টর সাঈদ মাহবুব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  হয় আমি থাকব না হয় হাসপাতালে অনিয়ম দুর্নীতি থাকবে:  স্বাস্থ্যমন্ত্রী