
বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ সাতাশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লরে আজ রবিবার বিকাল অনুঃ ৫:৪০ মিনিটে বিদ্যুৎপৃষ্ট ফাতেমার ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আই সি ইউ তে তার মৃত্যু হয়, গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৫ঃ৩০ মিনিটে ইউনুস মিরার প্রথম কন্যা ফাতেমা বয়স ১০, বাড়ির পাশে ফুফা সাইদুল খান এর বাড়িতে ইফতারের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে যায়, বিকালে ফুফার বাড়ির ছাদে শুকাতে দেয়া কাপর আনতে গিয়ে, ছাদের উপর থেকে যাওয়া হাইভোল্টেজ কাভার বিহীন পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পর্শ হয়ে বামহাত, পিঠ ও কোমরের নিচে মারাত্মকভাবে পুড়ে ঝলসে যায়। ওই বাড়িতে থাকা ফুফু নার্গিস বেগম ফুফা সাইদুল খান সহ অন্যান্যরা দ্রুত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় কর্তব্যরত ডাক্তার ফাতেমার অবস্থা বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক তাদের ন্যাশনাল বার্ড ইনস্টিটিউট ঢাকায় রেফার করে।
২২ মার্চ রবিবার সকাল ৯টায় কর্তব্যরত ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত মতে ফাতেমার বাম হাতের কনুইয়ে উপরের অংশ হইতে নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়।
ফাতেমার পিতা ইউনুস মিরা বরিশালে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল এর সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন মেয়ে ফাতেমার চিকিৎসার কারনে ঢাকায় হাসপাতালে থাকার কারনে তার সিকিউরিটি গার্ড এর চাকরিটা ও চলে যায়,
এদিকে গ্রামবাসীর প্রবল উত্তেজনার পরে নলসিটি জোনের পল্লী বিদ্যুতের এজিএম ঘটনাস্থলে যায় এবং পরবর্তীতে গত বুধবার ৮ ই এপ্রিল ২৬ ই তারিখে সাইদুল খানের বাড়ির ছাদের উপর থেকে একটি খাম্বার মাধ্যমে তার সরিয়ে দেয়, হাই ভোল্টেজ এর বিদ্যুৎ লাইন এবং বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে আজকে একটি শিশু বাচ্চার জীবন শেষ হয়ে গেল অসহায় ইউনুস মিরার চাকরি ও হারালো গরিব অসহায় ইউনুস মিরা দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ ঋণ করে চিকিৎসা করিয়ে ও মেয়ে ফাতেমা কে বাচাতে পারলো না, আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হল, এলাকাবাসীর দাবী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী ইউনুস মিরাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















