Dhaka ১০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ধুনটে মাদকাসক্ত স্বামীর নির্যাতনে প্রাণ গেল গৃহবধূর, অভিযুক্ত স্বামী আটক মান্দায় ৩৬ জুলাই উপলক্ষে যুব জামায়াতের আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কাউনিয়ার বিশিষ্ট হোমিও চিকিৎসক পরিমল চন্দ্র বর্মন আর নেই সিরাজগঞ্জে ২৫৫ গ্রাম হেরোইন সহ মাদক  সরবরাহকারী গ্রেফতার গোয়াইনঘাটের শীতের আমেজ হাজারো অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হাওর ও গাছপালা ৫ বছরের মধ্যে ক্ষমতায় যাওয়ার উপযুক্ত হবে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে আমাদের মিছিল বড় হবে: নাহিদ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু ইনানীতে নলকূপ খননের স্থানে গ্যাসের আগুন, ১৪৪ ধারা জারি মরহুমা সুমাইয়া বেগমের স্মরণসভা ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

একরাতে দশ খড়ের পালায় আগুন আতঙ্কে দিনাজপুরের তিন গ্রাম

হাকিমপুর, দিনাজপুর প্রতিনিধ: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট ইউনিয়নের বাওনা, ইটাই ও বাশমুরি গ্রামে এক রাতে ধারাবাহিকভাবে ১০টি খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্বৃত্তদের এ ঘটনায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার রাতজুড়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, রবিবার রাত ১০টার দিকে ইটাই ভূমিহীন বহুমুখী সমবায় সমিতির সামনে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলবিষয়ক কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা চলছিল। সভা চলাকালীন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বাওনা গ্রামে প্রথম একটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানোর কাজ চলে রাত ১টা পর্যন্ত। কিন্তু এরপরও অগ্নিসংযোগ থামেনি। রাত ১টার দিকে আবারও আরেকটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইটাই গ্রামে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচটি খড়ের পালায় আগুন লাগানো হয়। ভোর ৪টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খেতে হয় ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের। হাকিমপুর ফায়ার সার্ভিস ইটাই গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকায় সকালে ঘোড়াঘাট থেকে অতিরিক্ত একটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট এসে বাওনা গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  লালপুরে আইসিটি ভবন নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যাবহারের আগেই বেহাল দশা ​

 

অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি দুর্বৃত্তরা বাওনা কমিউনিটি ক্লিনিকের পানির ট্যাংকির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিচে ফেলে দেয় এবং পানির পাইপলাইন ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন মিজানুর রহমান, সফিউল ইসলাম, জামাতি, সুলতান মাহমুদ, রাজ্জাক, শহিদ, দিলদার হোসেন, রহমত আলী ও মিনহাজুল ইসলাম। তাদের কয়েক বিঘা জমির খড় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে ১০৮ বোতল ফেনসিডিল মামলায় চালকের যাবজ্জীবন, খালাস ১
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ধুনটে মাদকাসক্ত স্বামীর নির্যাতনে প্রাণ গেল গৃহবধূর, অভিযুক্ত স্বামী আটক

একরাতে দশ খড়ের পালায় আগুন আতঙ্কে দিনাজপুরের তিন গ্রাম

আপডেটের সময়: ০৮:০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

হাকিমপুর, দিনাজপুর প্রতিনিধ: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট ইউনিয়নের বাওনা, ইটাই ও বাশমুরি গ্রামে এক রাতে ধারাবাহিকভাবে ১০টি খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্বৃত্তদের এ ঘটনায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার রাতজুড়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, রবিবার রাত ১০টার দিকে ইটাই ভূমিহীন বহুমুখী সমবায় সমিতির সামনে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলবিষয়ক কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা চলছিল। সভা চলাকালীন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বাওনা গ্রামে প্রথম একটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নেভানোর কাজ চলে রাত ১টা পর্যন্ত। কিন্তু এরপরও অগ্নিসংযোগ থামেনি। রাত ১টার দিকে আবারও আরেকটি খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইটাই গ্রামে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচটি খড়ের পালায় আগুন লাগানো হয়। ভোর ৪টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খেতে হয় ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের। হাকিমপুর ফায়ার সার্ভিস ইটাই গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকায় সকালে ঘোড়াঘাট থেকে অতিরিক্ত একটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট এসে বাওনা গ্রামের আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে লগি বৈঠা দিয়ে হত্যকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

 

অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি দুর্বৃত্তরা বাওনা কমিউনিটি ক্লিনিকের পানির ট্যাংকির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিচে ফেলে দেয় এবং পানির পাইপলাইন ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে রয়েছেন মিজানুর রহমান, সফিউল ইসলাম, জামাতি, সুলতান মাহমুদ, রাজ্জাক, শহিদ, দিলদার হোসেন, রহমত আলী ও মিনহাজুল ইসলাম। তাদের কয়েক বিঘা জমির খড় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে ডিসির বিভিন্ন দপ্তর, বিদ্যালয় ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন