Dhaka ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
যুব সমাজের আত্মকর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে জিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী পুতুল ডামুড্যায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বক্তব্যের প্রতিবাদে ভেদরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ ইপিজেড থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি ঘোষণা: সভাপতি – আশরাফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইমরান ফরিদপুরের নগরকান্দায় চরযশোরদী ইউনিয়নে লটারির মাধ্যমে নারী কর্মী নিয়োগ পবায় নিজ বাড়ির ছাদে ছুরিকাঘাতে কৃষক খুন কাশফুলে সেজেছে বাঁশখালীর গন্ডামারা, মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে ডিবির অভিযান, ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখরিত ধুনট মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের শেষ দিনে হিজলায় সংঘর্ষ, গুলিতে জেলে নিহত, আহত ৫ মানবপাচার ইয়াবা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা

ঈদযাত্রার নয়দিনে সড়কে প্রাণ গেছে ২৩০ জন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৩৭৫ সময় দেখুন

এবারের ঈদযাত্রার নয়দিনে সারাদেশে অন্তত ২৬৯টি সড়ক, রেল ও নৌ দুর্ঘটনায় অন্তত ২৩০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে, গত ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নদীতে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৭ মার্চ দুপুর থেকে ২৪ মার্চ দুপুর পর্যন্ত আট দিনে অন্তত ২৬৮ সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা যায়। নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানান, ঈদযাত্রায় অন্তত দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, জানুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫৫৯টি। নিহত ৪৮৭ জন এবং আহত ১ হাজার ১৯৪ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৬৮ জন এবং শিশু ৫৭।

 

২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৯৬ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৪ শতাংশ। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১৩২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৭ দশমিক ১০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন। অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ সময়ে চারটি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং সাত জন আহত হয়েছেন। ৪১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫১৭টি। নিহত ৪৩২ জন এবং আহত ১০৬৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৬, শিশু ৬২। ১৮৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৭৪ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৭ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৪ জন, অর্থাৎ ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। এই সময়ে ৮টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। ৪৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  সুবর্ণচরে একই পরিবারের দুই শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু

 

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, গত জানুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিল ১৫ দশমিক ৭০ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ১৫ দশমিক ৪২ জন। এই হিসেবে এই দুই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমেছে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমার এ হার কোনো টেকসই উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। কারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় কোনো দৃশ্যমান উন্নতি নেই। ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, কেবল ঈদযাত্রার এই কয়দিনে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও মার্চ মাসের মৃত্যুর পরিসংখ্যান এখনও ফাউন্ডেশন প্রকাশ করেনি। প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। এতে এই মাসে মৃতের সংখ্যা জানা যাবে। এ সময় এবারের ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে যানবাহন ও ট্রাফিক অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তিনি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আমূল সংস্কারের সুপারিশও করেন।

আরও পড়ুনঃ  চকরিয়ায় বাস-প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২

 

২০২৫ সালে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র: ২০২৫ সালে রাজধানীতে ৪০৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত এবং ৫১১ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭৬ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮০ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নারী ২৫ জন। অর্থাৎ ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ। এছাড়া শিশু মারা গেছে ১৮ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। নিহতদের মধ্যে পথচারী ৪৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৪৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহনের চালক ও আরোহী ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ রাজধানীর দুর্ঘটনার সময় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়- ভোরে ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ, সকালে ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দুপুরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, বিকেলে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সন্ধ্যায় ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং রাতে ৪১ দশমিক ৫৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুনঃ  নির্মাণের নয় বছর তালাবদ্ধ বরিশাল শিশু হাসপাতাল

রাজধানীতে দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে বাস ২৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্যাংকার-ময়লাবাহী ট্রাক ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জিপ ৪ দশমিক ১২ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা) ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং রিকশা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
দুর্ঘটনা রাতে এবং সকালে বেশি ঘটেছে। বাইপাস রোড না থাকার কারণে রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীতে মালবাহী ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে রাস্তা পারাপারে পথচারীরা বেশি হতাহত হচ্ছেন। এছাড়া যানজটের কারণে যানবাহন চালকদের আচরণে অসহিষ্ণুতা ও ধৈর্যহানি ঘটছে, যা সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ক দুর্ঘটনার হটস্পট হয়ে উঠেছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

যুব সমাজের আত্মকর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে জিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী পুতুল

ঈদযাত্রার নয়দিনে সড়কে প্রাণ গেছে ২৩০ জন

আপডেটের সময়: ০৮:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

এবারের ঈদযাত্রার নয়দিনে সারাদেশে অন্তত ২৬৯টি সড়ক, রেল ও নৌ দুর্ঘটনায় অন্তত ২৩০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে, গত ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নদীতে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৭ মার্চ দুপুর থেকে ২৪ মার্চ দুপুর পর্যন্ত আট দিনে অন্তত ২৬৮ সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা যায়। নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানান, ঈদযাত্রায় অন্তত দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, জানুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫৫৯টি। নিহত ৪৮৭ জন এবং আহত ১ হাজার ১৯৪ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৬৮ জন এবং শিশু ৫৭।

 

২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৯৬ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৪ শতাংশ। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১৩২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৭ দশমিক ১০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন। অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ সময়ে চারটি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং সাত জন আহত হয়েছেন। ৪১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৫১৭টি। নিহত ৪৩২ জন এবং আহত ১০৬৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৬, শিশু ৬২। ১৮৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৭৪ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৭ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৪ জন, অর্থাৎ ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। এই সময়ে ৮টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। ৪৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  খামার মালিকের খামখেয়ালিপনায় ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

 

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, গত জানুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিল ১৫ দশমিক ৭০ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ১৫ দশমিক ৪২ জন। এই হিসেবে এই দুই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমেছে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমার এ হার কোনো টেকসই উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। কারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় কোনো দৃশ্যমান উন্নতি নেই। ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, কেবল ঈদযাত্রার এই কয়দিনে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও মার্চ মাসের মৃত্যুর পরিসংখ্যান এখনও ফাউন্ডেশন প্রকাশ করেনি। প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। এতে এই মাসে মৃতের সংখ্যা জানা যাবে। এ সময় এবারের ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে যানবাহন ও ট্রাফিক অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তিনি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আমূল সংস্কারের সুপারিশও করেন।

আরও পড়ুনঃ  এক মহল্লায় তিন মেয়র প্রার্থী নিয়ে গ্যাঁড়াকলে সমর্থকরা

 

২০২৫ সালে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র: ২০২৫ সালে রাজধানীতে ৪০৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত এবং ৫১১ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭৬ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮০ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নারী ২৫ জন। অর্থাৎ ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ। এছাড়া শিশু মারা গেছে ১৮ জন। যা মোট মৃত্যুর ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। নিহতদের মধ্যে পথচারী ৪৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৪৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহনের চালক ও আরোহী ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ রাজধানীর দুর্ঘটনার সময় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়- ভোরে ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ, সকালে ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দুপুরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, বিকেলে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সন্ধ্যায় ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং রাতে ৪১ দশমিক ৫৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুনঃ  নির্মাণের নয় বছর তালাবদ্ধ বরিশাল শিশু হাসপাতাল

রাজধানীতে দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে বাস ২৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্যাংকার-ময়লাবাহী ট্রাক ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জিপ ৪ দশমিক ১২ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা) ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং রিকশা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
দুর্ঘটনা রাতে এবং সকালে বেশি ঘটেছে। বাইপাস রোড না থাকার কারণে রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীতে মালবাহী ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে রাস্তা পারাপারে পথচারীরা বেশি হতাহত হচ্ছেন। এছাড়া যানজটের কারণে যানবাহন চালকদের আচরণে অসহিষ্ণুতা ও ধৈর্যহানি ঘটছে, যা সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ক দুর্ঘটনার হটস্পট হয়ে উঠেছে।