Dhaka ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ঢল বাস-ট্রেন-লঞ্চে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ২০১ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। রেল, সড়ক ও নৌ-পথে ঢাকার বিভিন্ন টার্মিনালে যাত্রীচাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। গাবতলী বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার যানবাহনগুলো নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে স্বস্তির ছাপ। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, বাস নির্ধারিত ভাড়ার থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছে। তবে এই অভিযোগ স্বীকার করছে না পারিবহন মালিকরা। অন্যদিকে পনিবহণ সংশ্লিষ্টরা জানান, ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘুরে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে করে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে তেল নিতেই।

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রামে গোডাউন ভেঙে সার লুট

 

মহাসড়কেও ঘরমুখো যাত্রীদের ব্যাপক চাপ ও গণপরিবহণ সংকটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর বাস না পেয়ে ও বাড়তি ভাড়ার চাপ সামলাতে অনেকে পরিবার নিয়ে ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে করেই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। গাজীপুরের চন্দ্রা মোড় এলাকায় কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পথে পথে যাত্রী তোলায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের তেমন কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার খাদ্যঐতিহ্যের আড়ালে থাকা এক স্বাদের গল্প

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। এদিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনেও ভোর থেকে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদযাত্রার ট্রেনগুলো ১০-১৫ মিনিট বিলম্ব করলেও সকাল থেকে ৭টি ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে। গতকাল বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার প্রভাবে এই রুটের যাত্রীরা স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছেন, তবে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে তাদের যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। আসন না পেয়ে অনেককে ট্রেনের ছাদে চড়েও ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  দেশ কিছুটা স্থিতিশীল তবে শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

 

নৌ-পথেও ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। লঞ্চে জায়গা পেতে অনেক যাত্রী ভোররাত থেকেই ঘাটে অবস্থান নেন। গতকালের লঞ্চ দুর্ঘটনার রেশ থাকলেও যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব দেখা গেছে। লঞ্চ পন্টুনে ভিড়তেই হুড়মুড়িয়ে তাতে ওঠার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ভাড়া নিয়ে যাত্রীরা কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপনের আনন্দই তাদের কাছে মুখ্য। নৌযানগুলো ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী পূর্ণ হওয়া মাত্রই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ঢল বাস-ট্রেন-লঞ্চে

আপডেটের সময়: ০৬:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। রেল, সড়ক ও নৌ-পথে ঢাকার বিভিন্ন টার্মিনালে যাত্রীচাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। গাবতলী বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার যানবাহনগুলো নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে স্বস্তির ছাপ। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, বাস নির্ধারিত ভাড়ার থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছে। তবে এই অভিযোগ স্বীকার করছে না পারিবহন মালিকরা। অন্যদিকে পনিবহণ সংশ্লিষ্টরা জানান, ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘুরে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে করে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে তেল নিতেই।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার খাদ্যঐতিহ্যের আড়ালে থাকা এক স্বাদের গল্প

 

মহাসড়কেও ঘরমুখো যাত্রীদের ব্যাপক চাপ ও গণপরিবহণ সংকটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর বাস না পেয়ে ও বাড়তি ভাড়ার চাপ সামলাতে অনেকে পরিবার নিয়ে ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে করেই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। গাজীপুরের চন্দ্রা মোড় এলাকায় কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পথে পথে যাত্রী তোলায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের তেমন কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি।

আরও পড়ুনঃ  মোবাইলের অতিরিক্ত আসক্তি নেশাজাত দ্রব্যের মতোই ক্ষতিকর : আইজিপি

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। এদিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনেও ভোর থেকে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদযাত্রার ট্রেনগুলো ১০-১৫ মিনিট বিলম্ব করলেও সকাল থেকে ৭টি ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে। গতকাল বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার প্রভাবে এই রুটের যাত্রীরা স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছেন, তবে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে তাদের যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। আসন না পেয়ে অনেককে ট্রেনের ছাদে চড়েও ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  দেশ কিছুটা স্থিতিশীল তবে শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

 

নৌ-পথেও ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। লঞ্চে জায়গা পেতে অনেক যাত্রী ভোররাত থেকেই ঘাটে অবস্থান নেন। গতকালের লঞ্চ দুর্ঘটনার রেশ থাকলেও যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব দেখা গেছে। লঞ্চ পন্টুনে ভিড়তেই হুড়মুড়িয়ে তাতে ওঠার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ভাড়া নিয়ে যাত্রীরা কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপনের আনন্দই তাদের কাছে মুখ্য। নৌযানগুলো ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী পূর্ণ হওয়া মাত্রই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।