Dhaka ১২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
যুব সমাজের আত্মকর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে জিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী পুতুল ডামুড্যায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বক্তব্যের প্রতিবাদে ভেদরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ ইপিজেড থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি ঘোষণা: সভাপতি – আশরাফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইমরান ফরিদপুরের নগরকান্দায় চরযশোরদী ইউনিয়নে লটারির মাধ্যমে নারী কর্মী নিয়োগ পবায় নিজ বাড়ির ছাদে ছুরিকাঘাতে কৃষক খুন কাশফুলে সেজেছে বাঁশখালীর গন্ডামারা, মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে ডিবির অভিযান, ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক ও গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখরিত ধুনট মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের শেষ দিনে হিজলায় সংঘর্ষ, গুলিতে জেলে নিহত, আহত ৫ মানবপাচার ইয়াবা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা

সংসদকে জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৩২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ২২৩ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদকে যুক্তি, তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি এই মহান সংসদে সমগ্র দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। দল, মত, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুনঃ  নির্মাণের নয় বছর তালাবদ্ধ বরিশাল শিশু হাসপাতাল

তিনি বলেন, বিগত সময়ে গুম, খুন, বন্দিশালা ও বিভিন্ন নিপীড়নের শিকার যারা হয়েছেন, এবং যাদের পরিবার স্বজন হারিয়েছেন, তাদের অবদানকে আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। কোনো নিপীড়ন-নির্যাতনই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে থামাতে পারেনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন আপসহীন লড়াই করেছেন। তিনি কখনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। দুর্ভাগ্যবশত, দেশ ও জনগণের এই শুভ মুহূর্ত তিনি দেখতে পারেননি। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি ‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি সেই দলেরই আছি’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ব্যক্তি বা দলের চেয়ে জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে বড়, এটাই বিএনপির রাজনীতি। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

আরও পড়ুনঃ  এক মহল্লায় তিন মেয়র প্রার্থী নিয়ে গ্যাঁড়াকলে সমর্থকরা

তিনি মহান সংসদে উপস্থিত সব দলের সদস্যদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন। বলেন, “আমাদের দল বা মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোনো বিরোধ নেই। বিগত সরকারের সময়ে জাতীয় সংসদকে অকার্যকর করে রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সংসদকে সব যুক্তি-তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই। নতুন সংসদের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের ফলে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ বা পলাতক। পরবর্তীতে সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানও ওই সংসদে সদ্য নির্বাচিত সদস্যদের জন্য প্রস্তাব করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  সালাহউদ্দিন সাহেব সব মন্ত্রণালয়ের পারদর্শী লোক: বিরোধীদলীয় নেতা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

যুব সমাজের আত্মকর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে জিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা: প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সংসদকে জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৭:৩২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় সংসদকে যুক্তি, তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি এই মহান সংসদে সমগ্র দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। দল, মত, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুনঃ  নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে: মামুনুল হক

তিনি বলেন, বিগত সময়ে গুম, খুন, বন্দিশালা ও বিভিন্ন নিপীড়নের শিকার যারা হয়েছেন, এবং যাদের পরিবার স্বজন হারিয়েছেন, তাদের অবদানকে আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। কোনো নিপীড়ন-নির্যাতনই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে থামাতে পারেনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন আপসহীন লড়াই করেছেন। তিনি কখনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। দুর্ভাগ্যবশত, দেশ ও জনগণের এই শুভ মুহূর্ত তিনি দেখতে পারেননি। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি ‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি সেই দলেরই আছি’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ব্যক্তি বা দলের চেয়ে জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে বড়, এটাই বিএনপির রাজনীতি। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

আরও পড়ুনঃ  বদলির দুই মাস পরও অবমুক্ত নন সাজেদুল, কার্যকর হচ্ছে না ভূমি সংস্কার বোর্ডের আদেশ?

তিনি মহান সংসদে উপস্থিত সব দলের সদস্যদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন। বলেন, “আমাদের দল বা মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোনো বিরোধ নেই। বিগত সরকারের সময়ে জাতীয় সংসদকে অকার্যকর করে রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সংসদকে সব যুক্তি-তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই। নতুন সংসদের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের ফলে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ বা পলাতক। পরবর্তীতে সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানও ওই সংসদে সদ্য নির্বাচিত সদস্যদের জন্য প্রস্তাব করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদার আহ্বান