Dhaka ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নির্যাতন ও নিপীড়ন করে কি সাংবাদিকদের দমানো যায়? এম. মুক্তাদির হোসেন – প্রধান উপদেষ্টা, টিম জার্নালিস্ট’স সীতাকুণ্ডে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইসমাইল কেন্দ্রের নির্দেশে বহিষ্কার ধামইরহাটে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা উচ্ছেদেও ফিরছে না সড়ক ফুটপাত চাপে বিপর্যস্ত ঢাকা নাটোরের লালপুরে ইমো হ্যাকারদের হাতে নিঃস্ব হচ্ছেন প্রবাসীরা সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল কুলাউড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩ বোতল কোডিন সিরাপ উদ্ধার, মামলা বাগেরহাটে নিজ ঘরে মিললো সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ শিমের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’, স্বস্তি নেই মাছ-মাংসে কেরানীগঞ্জের মানুষের ভালোবাসায় চিরকাল বেঁচে থাকতে চাই: সাংবাদিক আব্দুর রহমান মোল্লা

শিমের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’, স্বস্তি নেই মাছ-মাংসে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি। ঢাকার বাজারে নিত্যপণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। চলতি সপ্তাহে মাছ, মাংস ও ডিম আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারেও বেশির ভাগ পণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও আগাম শিমের দাম উঠেছে কেজিতে ২০০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে মিলছে পেঁপে, যার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। আজ শুক্রবার (০২ অক্টোবর) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ সবজির মধ্যে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেড়শ, পটল ও কাঁকরোলের মতো সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে।

আরও পড়ুনঃ  আটক সার সিন্ডিকেট ঘিরে খগারহাটে এনসিপির বিক্ষোভ ও পথ সভা

 

 

শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে দেশি শসার দাম বেশি, কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কাঁচা মরিচ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। মুরগির বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। রাজধানীতে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও কমেনি। ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকা এবং চারটি ডিমের দাম ৫৫ টাকা।মাছের বাজারে দামের পার্থক্য অবশ্য মাছের ধরন ও আকারভেদে বেশ বড়। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি। এ ছাড়া ভেটকি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে।

আরও পড়ুনঃ  বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

 

 

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা হলেও চাষের কই পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ টাকায়। পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের রুইয়ের দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। অন্যদিকে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে ১ হাজার টাকার বেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাছের আকার, মান এবং জীবিত না মৃত—এসবের ওপর দাম নির্ভর করছে। একই মাছের দাম বাজারভেদেও কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ফুটপাতের হকার উচ্ছেদ অভিযান চলবে, পক্ষে দাঁড়ালেই ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নির্যাতন ও নিপীড়ন করে কি সাংবাদিকদের দমানো যায়? এম. মুক্তাদির হোসেন – প্রধান উপদেষ্টা, টিম জার্নালিস্ট’স

শিমের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’, স্বস্তি নেই মাছ-মাংসে

আপডেটের সময়: ০৫:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি। ঢাকার বাজারে নিত্যপণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। চলতি সপ্তাহে মাছ, মাংস ও ডিম আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারেও বেশির ভাগ পণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও আগাম শিমের দাম উঠেছে কেজিতে ২০০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে মিলছে পেঁপে, যার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। আজ শুক্রবার (০২ অক্টোবর) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ সবজির মধ্যে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেড়শ, পটল ও কাঁকরোলের মতো সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে।

আরও পড়ুনঃ  বদলে গেছে মিরপুরে ফুটপাতের চেহারা

 

 

শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে দেশি শসার দাম বেশি, কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কাঁচা মরিচ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। মুরগির বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। রাজধানীতে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও কমেনি। ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকা এবং চারটি ডিমের দাম ৫৫ টাকা।মাছের বাজারে দামের পার্থক্য অবশ্য মাছের ধরন ও আকারভেদে বেশ বড়। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি। এ ছাড়া ভেটকি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে ২ কোটি দেন, সব সই করে দেবো: পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী

 

 

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা হলেও চাষের কই পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ টাকায়। পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের রুইয়ের দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। অন্যদিকে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে ১ হাজার টাকার বেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাছের আকার, মান এবং জীবিত না মৃত—এসবের ওপর দাম নির্ভর করছে। একই মাছের দাম বাজারভেদেও কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বিলাসিতায় ব্যয় বাড়াচ্ছে সৌদিরা