
মোঃ শরিফ হোসেন, ভোলা জেলা, প্রতিনিধি
পেশার মর্যাদা রক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে ভোলার রাজপথে সরব হয়েছেন ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা। আজ সকালে ভোলা জেলা ‘ফারিয়া’ (বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন)-এর উদ্যোগে শহরের কে-জাহান মার্কেটের সামনে এক বিশাল প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে জেলার প্রায় ৩ শতাধিক রিপ্রেজেন্টেটিভ অংশগ্রহণ করেন। তাদের দাবি—পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গ্রেফতারকৃত রিপ্রেজেন্টেটিভদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, করোনা মহামারীর কঠিন সময়ে যখন সবাই ঘরবন্দী ছিল, তখন ঔষধ প্রতিনিধিরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ঔষধ সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন। অথচ আজ তাদের ‘দালাল’ হিসেবে তকমা দেওয়া হচ্ছে।
তারা আরও উল্লেখ করেন, গত ৪ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চলাকালে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই ৪৫ জন ঔষধ প্রতিনিধিকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অবমাননাকর। এভাবে কর্মপরিবেশ বিঘ্নিত হলে বাজারে ঔষধ সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তারা সতর্ক করেন।
ফারিয়ার ভোলা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন:
কাওছার খোকন, সভাপতি, জেলা ফারিয়া।
ফয়সাল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, জেলা ফারিয়া।
মো. সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ফারিয়া।
সহ বিভিন্ন কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজারগণ: অহিদুজ্জামান (স্কয়ার), মো. তাওহীদ (বেক্সিমকো), মো. আল আমিন (একমি) এবং এমপিও মো. মেহেদী (ইনসেপ্টা)।
মূল দাবিগুলো:
১. রিপ্রেজেন্টেটিভদের ওপর থেকে ‘দালাল’ অপবাদ প্রত্যাহার করা।
২. গ্রেফতারকৃত ৪৫ জন ঔষধ প্রতিনিধির নিঃশর্ত মুক্তি।
৩. হাসপাতালগুলোতে নির্বিঘ্নে পেশাগত কাজ করার নিশ্চয়তা প্রদান।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুত তাদের এই সম্মানজনক দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হয়, তবে ঔষধ সরবরাহ বন্ধসহ আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 



















