Dhaka ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাজ না করেই সাড়ে ৬ কোটি টাকার বিল! লোডশেডিংয়ে বাড়ছে জেনারেটর ব্যবহার বাড়ছে খরচের বোঝাও ভোলাতে গড়ে তোলা হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা: প্রধানমন্ত্রী নাচোলে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক ও সুধী সমাবেশে অনুষ্ঠিত সুন্দরবনের পর্যটন স্পটে তিন দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষ। ফ্যাসিস্টের হাত থেকে মুক্তি পেতে অনেক বেশি মূল্য দিয়েছি: রাষ্ট্রপতি হিলি কাস্টমসে দেড় টন মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস তাহিরপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে কয়লা আনতে ভারতে গিয়ে বাংলাদেশী যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির অভিযোগ এনে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে মানহানি করা হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ আ.লীগের সঙ্গে বিএনপিকে তুলনা করতে চাই না: সারজিস

গাইবান্ধায় প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন জোরদার স্বচ্ছ বিলিংয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

মোঃসুজামিয়া জেলাপ্রতিনীধি গাইবান্ধা: আধুনিক, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে Northern Electricity Supply PLC (নেসকো) গাইবান্ধা জেলায় প্রি-পেমেন্ট বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন কার্যক্রম জোরদার করেছে। ইতোমধ্যে জেলার প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহকের মধ্যে ২০ হাজারের বেশি প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট গ্রাহকদেরও পর্যায়ক্রমে এই ব্যবস্থার আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নেসকো সূত্রে জানা গেছে, প্রি-পেমেন্ট মিটার ব্যবস্থায় গ্রাহকরা আগাম অর্থ পরিশোধ করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন, ফলে বিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি বা অনিয়মের সুযোগ থাকে না। পাশাপাশি এ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ বিলের ওপর ০.৫ শতাংশ রেয়াত সুবিধাও পাওয়া যাবে। এই মিটার ব্যবহারের ফলে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। ব্যালেন্স অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে, ফলে অতিরিক্ত বিলের ঝুঁকি থাকবে না। দেশের যেকোনো স্থান থেকে মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই মিটার রিচার্জ করা সম্ভব। ব্যালেন্স শেষ হওয়ার আগেই মিটার থেকে সতর্ক সংকেত পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনে জরুরি ব্যালেন্স সুবিধাও গ্রহণ করা যায়। এছাড়া মিটার নষ্ট হলে তা বিনামূল্যে পরিবর্তনের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুনঃ  পবায় সড়কের বেহাল দশা: বায়া-হিমালয় কোল্ড স্টোরেজ রাস্তা এখন এক ‘মরণফাঁদ’

 

‎এ বিষয়ে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সএন) ফজলুর রহমান বলেন, প্রি-পেমেন্ট মিটার ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। এতে বিদ্যুতের অপচয় কমবে এবং সঠিক বিল নিশ্চিত হবে। নতুন এই প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরুতে কিছুটা সময় লাগলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে সবার জন্যই উপকারী হবে। অন্যদিকে, যারা এখনো প্রচলিত (পোস্ট-পেইড) মিটার ব্যবস্থায় থাকতে চান, তাদের ক্ষেত্রে মাস শেষে একসাথে বিল পরিশোধের চাপ, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সরাসরি নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং বিল সংক্রান্ত ভুল বা বিভ্রান্তির সম্ভাবনা থেকে যায়। বকেয়া বিলের কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। পাশাপাশি প্রি-পেমেন্ট মিটারের রেয়াত সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত হতে পারেন। তবে নতুন এই ব্যবস্থাকে ঘিরে গ্রাহকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই আধুনিক ও স্বচ্ছ এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং দ্রুত মিটার স্থাপনের পক্ষে মত দিয়েছেন। আবার কিছু গ্রাহক নিয়মিত রিচার্জের প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যালেন্স শেষ হলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে এখনো প্রচলিত ব্যবস্থার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরের গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউপি নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে আলমগীর হোসেন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাজ না করেই সাড়ে ৬ কোটি টাকার বিল!

গাইবান্ধায় প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন জোরদার স্বচ্ছ বিলিংয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

আপডেটের সময়: ০৫:২০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

মোঃসুজামিয়া জেলাপ্রতিনীধি গাইবান্ধা: আধুনিক, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে Northern Electricity Supply PLC (নেসকো) গাইবান্ধা জেলায় প্রি-পেমেন্ট বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন কার্যক্রম জোরদার করেছে। ইতোমধ্যে জেলার প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহকের মধ্যে ২০ হাজারের বেশি প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট গ্রাহকদেরও পর্যায়ক্রমে এই ব্যবস্থার আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নেসকো সূত্রে জানা গেছে, প্রি-পেমেন্ট মিটার ব্যবস্থায় গ্রাহকরা আগাম অর্থ পরিশোধ করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন, ফলে বিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি বা অনিয়মের সুযোগ থাকে না। পাশাপাশি এ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ বিলের ওপর ০.৫ শতাংশ রেয়াত সুবিধাও পাওয়া যাবে। এই মিটার ব্যবহারের ফলে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। ব্যালেন্স অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে, ফলে অতিরিক্ত বিলের ঝুঁকি থাকবে না। দেশের যেকোনো স্থান থেকে মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই মিটার রিচার্জ করা সম্ভব। ব্যালেন্স শেষ হওয়ার আগেই মিটার থেকে সতর্ক সংকেত পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনে জরুরি ব্যালেন্স সুবিধাও গ্রহণ করা যায়। এছাড়া মিটার নষ্ট হলে তা বিনামূল্যে পরিবর্তনের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুনঃ  বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতুর দাবিতে ২০ জেলা পায়ে হেঁটে ঢাকায় বাবা-ছেলে: ১৯ দিনের পদযাত্রা শেষে স্মারকলিপির প্রস্তুতি

 

‎এ বিষয়ে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সএন) ফজলুর রহমান বলেন, প্রি-পেমেন্ট মিটার ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। এতে বিদ্যুতের অপচয় কমবে এবং সঠিক বিল নিশ্চিত হবে। নতুন এই প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরুতে কিছুটা সময় লাগলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে সবার জন্যই উপকারী হবে। অন্যদিকে, যারা এখনো প্রচলিত (পোস্ট-পেইড) মিটার ব্যবস্থায় থাকতে চান, তাদের ক্ষেত্রে মাস শেষে একসাথে বিল পরিশোধের চাপ, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সরাসরি নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং বিল সংক্রান্ত ভুল বা বিভ্রান্তির সম্ভাবনা থেকে যায়। বকেয়া বিলের কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। পাশাপাশি প্রি-পেমেন্ট মিটারের রেয়াত সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত হতে পারেন। তবে নতুন এই ব্যবস্থাকে ঘিরে গ্রাহকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই আধুনিক ও স্বচ্ছ এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং দ্রুত মিটার স্থাপনের পক্ষে মত দিয়েছেন। আবার কিছু গ্রাহক নিয়মিত রিচার্জের প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যালেন্স শেষ হলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে এখনো প্রচলিত ব্যবস্থার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরের গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউপি নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে আলমগীর হোসেন