Dhaka ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নাচোলে নানা আয়োজনে দূর্ণীতি প্রতিরোধ দিবস পালিত ঈশ্বরদীতে মাদক মামলায় এক ব্যাক্তির ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড নাগরিক সেবা হাতের মুঠোয়: ঢাকা জেলা প্রশাসনের ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপের যাত্রা শুরু প্রস্তাবিত স্থানেই বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ, শব্দদূষণ রোধে ডিএমপির কঠোর অভিযান নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের অবস্থান ইপিজেডের নিউ মুরিং মীরা পাড়ায় জুয়ার আসর থেকে ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ তারাগঞ্জে ইউএনও ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে ‘দৈনিক আজকের জনবাণী’র স্টাফ রিপোর্টারের সৌজন্য সাক্ষাৎ মাদারগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কাজিপুরের যমুনা নদীতে বিপদসীমার উপরে পানি হওয়ায় দিশেহারা জনগণ

ইরান যেসব অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ মোকাবিলা করছে

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরপরই ইরান দ্রুত পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে রয়েছে একটি বিশাল ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ। এই সংঘাত কি পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ইরান ও এর আঞ্চলিক সহযোগী বাহিনীগুলোর অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নেবে– সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার: প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার রয়েছে ইরানের। কিছুটা পুরোনো প্রযুক্তির হলেও দেশটির হাতে অনেক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল রয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র বহু দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে নিরাপদ পানির সংকটে ৮ লাখ মানুষ

স্বল্পপাল্লার যত ক্ষেপণাস্ত্র: কাছাকাছি থাকা লক্ষ্যবস্তুতে দ্রুত আঘাত হানার জন্য ইরানের হাতে রয়েছে ১৫০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ফতেহ ভেরিয়েন্টের জুলফিকার কিয়াম-১’ ও শাহাব-১/২ অন্যতম। মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের দেড় থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোই মূলত যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। শাহাব-৩ ইমাদ গদর-১খোররামশহর এবং সেজ্জিল’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েল ছাড়াও কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে বন্যায় ৬ হাজার ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত

ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন: ইরানের হাতে রয়েছে সুমারইয়া-আলি কুদসপাভেহ এবং রাদ’-এর মতো ক্রুজ মিসাইল। আড়াই হাজার কিলোমিটার পাল্লার সুমার ক্ষেপণাস্ত্র মাটির খুব কাছ দিয়ে উড়ে গিয়ে রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের সস্তা কিন্তু কার্যকর ড্রোন। ভূগর্ভস্থ মিসাইল সিটি : ইরান বছরের পর বছর ধরে মাটির নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার গড়ে তুলেছে। মাটির নিচের এই বাঙ্কারগুলো ‘মিসাইল সিটি’ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখেও মাটির নিচের এই সুরক্ষিত ঘাঁটি থেকে দীর্ঘ সময় ধরে পাল্টা হামলা চালিয়ে যেতে পারবে ইরান। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের হাতে রয়েছে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, নেভাল মাইন ও ড্রোন, যা দিয়ে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো সম্ভব। ইরান দাবি করেছে, তাদের হাতে ‘ফাত্তাহ’ সিরিজের হাইপারসনিক মিসাইল রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন।

আরও পড়ুনঃ  প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগিয়ে যেতে হবে’- পিআইবির মহাপরিচালক

সূত্র: আল-জাজিরা

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নাচোলে নানা আয়োজনে দূর্ণীতি প্রতিরোধ দিবস পালিত

ইরান যেসব অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ মোকাবিলা করছে

আপডেটের সময়: ০৬:১৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরপরই ইরান দ্রুত পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে রয়েছে একটি বিশাল ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ। এই সংঘাত কি পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ইরান ও এর আঞ্চলিক সহযোগী বাহিনীগুলোর অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নেবে– সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার: প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার রয়েছে ইরানের। কিছুটা পুরোনো প্রযুক্তির হলেও দেশটির হাতে অনেক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল রয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র বহু দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  চন্দনাইশে ত্রাণ দিতে এসে অর্থ মন্ত্রী আমির খসরুসহ মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন ৪ এমপি

স্বল্পপাল্লার যত ক্ষেপণাস্ত্র: কাছাকাছি থাকা লক্ষ্যবস্তুতে দ্রুত আঘাত হানার জন্য ইরানের হাতে রয়েছে ১৫০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ফতেহ ভেরিয়েন্টের জুলফিকার কিয়াম-১’ ও শাহাব-১/২ অন্যতম। মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের দেড় থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোই মূলত যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। শাহাব-৩ ইমাদ গদর-১খোররামশহর এবং সেজ্জিল’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েল ছাড়াও কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রামে নিরাপদ পানির সংকটে ৮ লাখ মানুষ

ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন: ইরানের হাতে রয়েছে সুমারইয়া-আলি কুদসপাভেহ এবং রাদ’-এর মতো ক্রুজ মিসাইল। আড়াই হাজার কিলোমিটার পাল্লার সুমার ক্ষেপণাস্ত্র মাটির খুব কাছ দিয়ে উড়ে গিয়ে রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের সস্তা কিন্তু কার্যকর ড্রোন। ভূগর্ভস্থ মিসাইল সিটি : ইরান বছরের পর বছর ধরে মাটির নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার গড়ে তুলেছে। মাটির নিচের এই বাঙ্কারগুলো ‘মিসাইল সিটি’ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখেও মাটির নিচের এই সুরক্ষিত ঘাঁটি থেকে দীর্ঘ সময় ধরে পাল্টা হামলা চালিয়ে যেতে পারবে ইরান। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র: ইরানের হাতে রয়েছে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, নেভাল মাইন ও ড্রোন, যা দিয়ে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো সম্ভব। ইরান দাবি করেছে, তাদের হাতে ‘ফাত্তাহ’ সিরিজের হাইপারসনিক মিসাইল রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন।

আরও পড়ুনঃ  মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে ৫০ হাজার মানুষের টিলায় বসবাস

সূত্র: আল-জাজিরা