
মাসুদ রানা মাসুম, পার্বত্য ব্যুরো: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের আবেদন জানান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর জাতীয় রাজনীতি ও পার্বত্য অঞ্চলের প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বলেও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে পদত্যাগ করাই শ্রেয় মনে করেছেন বলে তিনি। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তবে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে কি না কিংবা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পরবর্তী সময়ে কে আসছেন—সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে পাহাড়ি অঞ্চলের উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর আকস্মিক পদত্যাগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, আঞ্চলিক রাজনৈতিক সমীকরণ এবং মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন মহলে মন্ত্রীর পদত্যাগের খবরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন, আবার কেউ কেউ মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবেদকের নাম 






















