Dhaka ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কাহালুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু কেরানীগঞ্জে ফার্নিচার শোরুমের ৩ তলা থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হোসেনপুরের উন্নয়নে কর্মকর্তাদের সাথে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের বৈঠক শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্ত স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টঃ উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক পরিষদ গঠিত বৃষ্টি ছাড়াই বজ্রপাত, ঠাকুরগাঁওয়ে গরুর মৃত্যু মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয়কারী আটক গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বগুড়ার সাবেক পৌর প্রশাসক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ ভোলায় ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক কাউনিয়ার কুর্শায় নারী কৃষকদের উৎপাদিত দেশি হাঁস-মুরগি ও ডিমের হাট উদ্বোধন

সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক করার অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩২ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক ও সুসংহত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় পেশাগত উৎকর্ষ ও দেশপ্রেমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আজ বুধবার জাতীয় সেনা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ  ভারত বা পাকিস্তান, কোনো বলয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ: মির্জা ফখরুল

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের শাহাদাত আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী শোক হয়ে আছে।” তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঘটনার ১৭ বছর পরও সেই বেদনা বহমান। আমি শুধু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবেও আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।” বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবর জিয়ারত করার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, “দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পাওয়ার যে যন্ত্রণা, তা আমি উপলব্ধি করেছি।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণের পক্ষে মত দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।” সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে এই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও সুসংহত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক সংস্কার শুরু করেন।

আরও পড়ুনঃ  বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ টানতে রোড শো করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার ঘটনার পর আমাদের নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়। বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আরও সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে হবে।” একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। রমজানের তাৎপর্য স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন শহীদদের আত্মাকে শান্তিতে রাখেন এবং আমাদের রাষ্ট্রকে ন্যায় ও দায়িত্ববোধের পথে পরিচালিত করেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কাহালুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক করার অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৯:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক ও সুসংহত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় পেশাগত উৎকর্ষ ও দেশপ্রেমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আজ বুধবার জাতীয় সেনা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ উদযাপন শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের শাহাদাত আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী শোক হয়ে আছে।” তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঘটনার ১৭ বছর পরও সেই বেদনা বহমান। আমি শুধু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবেও আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।” বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবর জিয়ারত করার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, “দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পাওয়ার যে যন্ত্রণা, তা আমি উপলব্ধি করেছি।

আরও পড়ুনঃ  নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণের পক্ষে মত দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।” সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে এই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও সুসংহত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক সংস্কার শুরু করেন।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার ঘটনার পর আমাদের নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়। বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আরও সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে হবে।” একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। রমজানের তাৎপর্য স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন শহীদদের আত্মাকে শান্তিতে রাখেন এবং আমাদের রাষ্ট্রকে ন্যায় ও দায়িত্ববোধের পথে পরিচালিত করেন।