Dhaka ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মৌলভীবাজারে ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে নাবিকগণ দূত হিসেবে কাজ করবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, ৫১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে নদীর পাড়ে মাদক সেবন, আটক -১ পুলিশের বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত ১২ আসামী গ্রেফতার বান্দরবান এলজিইডি’তে লুটপাটের ‘হরিলুট নিশ্চুপ নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজবাড়ীতে ১০ টি ফিলিং স্টেশনের একটিতেও তেল না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালক গাইবান্ধায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন, সমুদ্রপথে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ২০২৫ ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর: ইউএনএইচসিআর ফটিকছড়ি উপজেলা “ক”জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক করার অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৮ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক ও সুসংহত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় পেশাগত উৎকর্ষ ও দেশপ্রেমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আজ বুধবার জাতীয় সেনা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ  নড়িয়ায় জ'ন'দু'র্ভো'গ এড়াতে ইজারামুক্ত খেয়াঘাট

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের শাহাদাত আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী শোক হয়ে আছে।” তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঘটনার ১৭ বছর পরও সেই বেদনা বহমান। আমি শুধু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবেও আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।” বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবর জিয়ারত করার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, “দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পাওয়ার যে যন্ত্রণা, তা আমি উপলব্ধি করেছি।

আরও পড়ুনঃ  শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে নাবিকগণ দূত হিসেবে কাজ করবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণের পক্ষে মত দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।” সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে এই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও সুসংহত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক সংস্কার শুরু করেন।

আরও পড়ুনঃ  আ. লীগ আমলে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দলীয়করণ, তদন্ত করে ব্যবস্থা

জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার ঘটনার পর আমাদের নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়। বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আরও সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে হবে।” একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। রমজানের তাৎপর্য স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন শহীদদের আত্মাকে শান্তিতে রাখেন এবং আমাদের রাষ্ট্রকে ন্যায় ও দায়িত্ববোধের পথে পরিচালিত করেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মৌলভীবাজারে ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন

সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক করার অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৯:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক ও সুসংহত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় পেশাগত উৎকর্ষ ও দেশপ্রেমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আজ বুধবার জাতীয় সেনা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ  গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের শাহাদাত আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী শোক হয়ে আছে।” তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঘটনার ১৭ বছর পরও সেই বেদনা বহমান। আমি শুধু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবেও আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।” বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবর জিয়ারত করার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, “দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পাওয়ার যে যন্ত্রণা, তা আমি উপলব্ধি করেছি।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে জাইমা রহমান

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণের পক্ষে মত দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।” সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে এই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও সুসংহত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক সংস্কার শুরু করেন।

আরও পড়ুনঃ  কৃষিভিত্তিক কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার ঘটনার পর আমাদের নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়। বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আরও সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে হবে।” একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। রমজানের তাৎপর্য স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন শহীদদের আত্মাকে শান্তিতে রাখেন এবং আমাদের রাষ্ট্রকে ন্যায় ও দায়িত্ববোধের পথে পরিচালিত করেন।