Dhaka ১১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফটিকছড়ি উপজেলা “ক”জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলন: রাস্তাঘাট ধ্বংস ও পরিবেশ বিপর্যয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত  ১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুমার পলিকা পাড়ায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলির আনন্দে মুখর পাহাড় গাইবান্ধায় অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গ্রামাঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং গরমে মানুষের হাঁসফাঁস বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে জাইমা রহমান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার স্থায়ী যুদ্ধের অবসান চায় ইরান: উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণকে গর্জে উঠতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান

রুমার পলিকা পাড়ায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলির আনন্দে মুখর পাহাড়

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯১ সময় দেখুন

লিটন ত্রিপুরা তথ্যে মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: বান্দরবানের রুমা উপজেলার পলিকা পাড়ায় মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণিল জলকেলি ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, যিনি পাহাড়ি সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) রুমা উপজেলার পলিকা পাড়া সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে মাহা সাংগ্রাই পোয়ে (জলকেলি উৎসব) উপলক্ষে আয়োজন করা হয় দিনব্যাপী উৎসব। সকাল থেকেই স্থানীয় মারমা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবস্থল হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও রঙিন।

আরও পড়ুনঃ  বর্ষবরণ উপলক্ষে নোয়াপাড়া রানার্স ইউনিটি সংগঠনের ফুটবল টুর্নামেন্ট।

মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান এই উৎসব মূলত পুরনো বছরের গ্লানি মুছে নতুন বছরকে বরণ করার প্রতীক হিসেবে পালিত হয়। জলকেলির মধ্য দিয়ে একে অপরকে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়, যা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের অনন্য প্রকাশ।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরগঞ্জে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সড়ক অবরো

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কে এস মং মারমা বলেন, পাহাড়ের এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব শুধু ধর্মীয় নয়, বরং এটি পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি, ঐক্য ও সহাবস্থানের প্রতীক। তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

উৎসবে ছিল ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, গান, এবং স্থানীয় সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জলকেলি অনুষ্ঠান সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে, পরে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুনঃ  ধামইরহাটে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

স্থানীয় আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সাংগ্রাই উদযাপন করা হয়েছে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

সব মিলিয়ে, রুমার পলিকা পাড়ার এই আয়োজন পাহাড়ের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফটিকছড়ি উপজেলা “ক”জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রুমার পলিকা পাড়ায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলির আনন্দে মুখর পাহাড়

আপডেটের সময়: ০৭:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

লিটন ত্রিপুরা তথ্যে মাসুদ রানা মাসুম পার্বত্য ব্যুরো: বান্দরবানের রুমা উপজেলার পলিকা পাড়ায় মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণিল জলকেলি ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, যিনি পাহাড়ি সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) রুমা উপজেলার পলিকা পাড়া সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে মাহা সাংগ্রাই পোয়ে (জলকেলি উৎসব) উপলক্ষে আয়োজন করা হয় দিনব্যাপী উৎসব। সকাল থেকেই স্থানীয় মারমা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবস্থল হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও রঙিন।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় মর্যাদা প্রকল্পের ইউনিয়ন দুর্যোগ স্বেচ্ছাসেবক কমিটির মিটিং

মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান এই উৎসব মূলত পুরনো বছরের গ্লানি মুছে নতুন বছরকে বরণ করার প্রতীক হিসেবে পালিত হয়। জলকেলির মধ্য দিয়ে একে অপরকে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়, যা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের অনন্য প্রকাশ।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরগঞ্জে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সড়ক অবরো

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কে এস মং মারমা বলেন, পাহাড়ের এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব শুধু ধর্মীয় নয়, বরং এটি পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি, ঐক্য ও সহাবস্থানের প্রতীক। তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

উৎসবে ছিল ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, গান, এবং স্থানীয় সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জলকেলি অনুষ্ঠান সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে, পরে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুনঃ  বর্ষবরণ উপলক্ষে নোয়াপাড়া রানার্স ইউনিটি সংগঠনের ফুটবল টুর্নামেন্ট।

স্থানীয় আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সাংগ্রাই উদযাপন করা হয়েছে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

সব মিলিয়ে, রুমার পলিকা পাড়ার এই আয়োজন পাহাড়ের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।