
স্টাফ রিপোর্টার আব্দুর রহমান মোল্লা: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পেছনে সরকারি খাস জমি ড্রেজারের মাধ্যমে ভরাটের অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক ও সাবেক ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন মিয়া। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে এ জমি দখলের চেষ্টা প্রতিহত করা হবে। আজ শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার শিশু পার্কসংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পেছনের সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে সরকারি খাস জমি ভরাট করা হচ্ছে। অ্যাডভোকেট মহসিন মিয়া বলেন, “মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পেছনের সরকারি খাস জমি কোনোভাবেই দখল হতে দেওয়া হবে না। অতীতেও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমাদের জমি কেউ দখল করতে পারেনি। এখন যদি এই জমি দখল হয়ে যায়, তাহলে আমরা কেন রক্ত দিলাম তিনি অভিযোগ করে বলেন, ড্রেজারের মাধ্যমে প্রকাশ্যে সরকারি জমি ভরাট করা হলেও প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে কথা বলেছেন।
তবে তাদের কাছ থেকেও জমি ভরাটের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাননি বলে দাবি করেন। মহসিন মিয়া বলেন, “আমি ইউএনও ও এসিল্যান্ডের কাছে জানতে চেয়েছি, কারা এই জমি ভরাট করছে। তারাও জানেন না বলে জানিয়েছেন। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি জানানো হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। পাশাপাশি মানববন্ধনসহ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে এই অবৈধ দখলের চেষ্টা প্রতিহত করা হবে। সরেজমিনে দেখা যায়, শিশু পার্কসংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পেছনের এলাকায় ড্রেজারের মাধ্যমে জমি ভরাটের কাজ চলছিল। এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলেন, “অবৈধভাবে সরকারি জমি ভরাট করার কোনো সুযোগ নেই। কারা এ কাজ করছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বলেন, লোকেশন দিন, ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 






















