Dhaka ০৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বেদে পল্লীর উন্নয়নে খাসজমি, সেলাই মেশিন ও ৫ লাখ টাকা বিতরণ ফরিদপুর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন: শতভাগ সাক্ষর উপজেলা গড়ার প্রত্যয়। বদলগাছীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত লন্ডন ইংলিশ স্কুলের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: সন্ত্রাসী হামলা, আতঙ্কিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আটোয়ারী ছেড়ে যাচ্ছেন ইউএনও রিপামনি দেবী, ভালোবাসায় সিক্ত বিদায় ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল- জালিয়াতি করে বিপদে ফেলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মা-বাবাকে হারিয়ে নিঃস্ব বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম কেন্দুয়ার মারুফ মিয়ার মরদেহ বনগাঁও থেকে উদ্ধার মান্দায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস২০২৬ পালিত

গাইবান্ধায় তেলের তীব্র সংকট: পাম্পে হাহাকার, খোলা বাজারে চড়া দাম

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ২২৬ সময় দেখুন

মোঃ সুজা মিয়া জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা: গাইবান্ধা জেলায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তেলের সন্ধানে গ্রাহকদের এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটতে হচ্ছে, কিন্তু দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নেই’ লেখা নোটিশ ঝুলছে। কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল আসলেও তা অল্প সময়েই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে ক্ষোভ নিয়ে খালি হাতে ফিরছেন ভোক্তারা। এদিকে পাম্পে সংকট থাকলেও খোলা বাজারে বোতলজাত তেল দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত প্রতি লিটার পেট্রোল ১১৬ টাকা ও অকটেন ১২০ টাকা হলেও, বাজারে তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল সরিয়ে খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছে।

আরও পড়ুনঃ  লন্ডন ইংলিশ স্কুলের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: সন্ত্রাসী হামলা, আতঙ্কিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

 

 

তেল সংকটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতাও দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি গাইবান্ধা শহরের একটি ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো গ্রাহকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া সাদুল্লাপুরের শাহানা ফিলিং স্টেশনসহ কয়েকটি পাম্পের বিরুদ্ধে গোপনে তেল সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক আজাদুল ইসলাম বলেন, “পাম্পে তেল নেই বলা হলেও বাইরে বোতলে করে তেল পাওয়া যাচ্ছে। এটা স্পষ্ট সিন্ডিকেটের কাজ।” কৃষক ছাকা মিয়া বলেন, “সরকারি দামের কোনো বাস্তব প্রতিফলন নেই। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ফিলিং স্টেশন মালিকরা সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মালিক জানান, বর্তমানে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক নয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তেল আসার পরপরই দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজারে মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন

আরও পড়ুনঃ  মা-বাবাকে হারিয়ে নিঃস্ব বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বেদে পল্লীর উন্নয়নে খাসজমি, সেলাই মেশিন ও ৫ লাখ টাকা বিতরণ

গাইবান্ধায় তেলের তীব্র সংকট: পাম্পে হাহাকার, খোলা বাজারে চড়া দাম

আপডেটের সময়: ০৬:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মোঃ সুজা মিয়া জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা: গাইবান্ধা জেলায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তেলের সন্ধানে গ্রাহকদের এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটতে হচ্ছে, কিন্তু দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নেই’ লেখা নোটিশ ঝুলছে। কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল আসলেও তা অল্প সময়েই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে ক্ষোভ নিয়ে খালি হাতে ফিরছেন ভোক্তারা। এদিকে পাম্পে সংকট থাকলেও খোলা বাজারে বোতলজাত তেল দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত প্রতি লিটার পেট্রোল ১১৬ টাকা ও অকটেন ১২০ টাকা হলেও, বাজারে তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল সরিয়ে খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছে।

আরও পড়ুনঃ  নগরকান্দায় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রায় উদযাপিত জন্মাষ্টমী

 

 

তেল সংকটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতাও দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি গাইবান্ধা শহরের একটি ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো গ্রাহকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া সাদুল্লাপুরের শাহানা ফিলিং স্টেশনসহ কয়েকটি পাম্পের বিরুদ্ধে গোপনে তেল সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক আজাদুল ইসলাম বলেন, “পাম্পে তেল নেই বলা হলেও বাইরে বোতলে করে তেল পাওয়া যাচ্ছে। এটা স্পষ্ট সিন্ডিকেটের কাজ।” কৃষক ছাকা মিয়া বলেন, “সরকারি দামের কোনো বাস্তব প্রতিফলন নেই। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ফিলিং স্টেশন মালিকরা সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মালিক জানান, বর্তমানে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক নয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তেল আসার পরপরই দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজারে মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন

আরও পড়ুনঃ  মা-বাবাকে হারিয়ে নিঃস্ব বরেন্দ্র প্রেস ক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম