
পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা ৫ নাম্বার মাটিন্দর ইউনিয়নের গিদিশা গ্রামের বাসিন্দা জাকেরিয়া একজন নব মুসলিম ও অসহায় পরিবারের শিক্ষিত তরুণ। জীবিকার তাগিদে ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন তিনি। কর্মস্থলে মেশিনের আঘাতে তার ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কর্ম ক্ষমতা হারায়। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন।পরবর্তীতে দুর্ঘটনাবশত মাথায় আঘাত পেলে দীর্ঘদিন তীব্র ব্যথায় ভুতে থাকেন। চিকিৎসার জন্য ঢাকার কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালের ডাঃ মোস্তফা আজিজ (সুমন) অনকোলজি বিভাগের প্রধান, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে “ব্রেইন ক্যান্সার গ্রেট-ফোর ” ধরা পড়ে।এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে একাধিক থেরাপি দিতে হয়, যার প্রতিটি খরচ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। চিকিৎসা, ঔষধ ও থেরাপি মিলিয়ে ইতিমধ্যে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে।
সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি ঘটে। নিজের অজান্তেই প্রসবের দ্বার দিয়ে অনবরত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েন এবং জরুরী ভিত্তিতে রক্ত সঞ্চালন( ব্লাড ট্রান্সফিউশন) করতে হয়, এই অবস্থা মাঝেমধ্যেই হয়ে থাকে, কিন্তু বর্তমান এ ধারা ক্রমান্বয়ে বেশি হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা গ্রীন রোড পান্থপথ হেল্থ এন্ড হোপ হসপিটালে ডাঃ কামরুজ্জামান রুম্মানক্যান্সার স্পেশালিস্ট কনসালটেন্ট, অনকোলজি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হসপিটাল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।অর্থাভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন জাকারিয়া তার পরিবার। মানবিক সহায়তা ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে তার চিকিৎসা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে পরিবারের সদস্যরা আশা প্রকাশ করছেন।
প্রতিবেদকের নাম 



















