Dhaka ০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নদীভাঙনের হুমকিতে বেতছড়ি জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে জরুরি দাবি জনগণের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী  শুধু আইনে নয়, জনসচেতনতার মাধ্যমেই মাদক নির্মূল সম্ভব: মির্জা ফখরুল প্রকৃতির ভাণ্ডার পাথরঘাটা দূষণে বাড়ছে শঙ্কা জুলাই অভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছিল বিএনপি: এ্যানি নাচোলে ফ্যামেলী কার্ড বাস্তবায়নের জন্য ৯৩৭ জনের আবেদন কুমিল্লা সীমান্তে ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি হামের রোগীদের অকাল মৃত্যু ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের দাবিতে বান্দরবানে বিক্ষোভ কেরানীগঞ্জে গ্রিন সিটি সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকা থেকে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুর ফয়সাল ‌হত্যা ‌ মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লা সীমান্তে ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:   কুমিল্লা সীমান্তে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি ‘পুশইন’ প্রচেষ্টা রুখে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। ​মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত বিজিবির ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। ​বিজিবি সূত্রের তথ্যমতে, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা বাজারমূল্যের এসব মাদকের চালান জব্দ করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উদ্ধারকৃত এ বিশাল মাদকের চালান ধ্বংস করা হয়।​অনুষ্ঠান শেষে ব্রিফিংয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে কঠোর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ফলে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি অনুপ্রবেশের চেষ্টা (পুশইন) নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, সম্প্রতি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে চারজনকে আটক করে ফেরত পাঠানো হয়। ​

আরও পড়ুনঃ  এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাদকের চালান, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে সীমান্তজুড়ে বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। একই সাথে সীমান্ত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যাতে যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ কার্যকরভাবে দমন করা যায়।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির, মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্বোধন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নদীভাঙনের হুমকিতে বেতছড়ি জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে জরুরি দাবি

কুমিল্লা সীমান্তে ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

আপডেটের সময়: ০৪:৫২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

জিএম মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:   কুমিল্লা সীমান্তে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি ‘পুশইন’ প্রচেষ্টা রুখে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। ​মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত বিজিবির ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। ​বিজিবি সূত্রের তথ্যমতে, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা বাজারমূল্যের এসব মাদকের চালান জব্দ করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উদ্ধারকৃত এ বিশাল মাদকের চালান ধ্বংস করা হয়।​অনুষ্ঠান শেষে ব্রিফিংয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে কঠোর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ফলে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি অনুপ্রবেশের চেষ্টা (পুশইন) নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, সম্প্রতি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে চারজনকে আটক করে ফেরত পাঠানো হয়। ​

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুর ফয়সাল ‌হত্যা ‌ মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাদকের চালান, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে সীমান্তজুড়ে বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। একই সাথে সীমান্ত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যাতে যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ কার্যকরভাবে দমন করা যায়।

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুর দালাল চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সেবা প্রার্থীদের হয়রানি