Dhaka ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম তদন্তের পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়ার অধিকার লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে পাল্টাপাল্টি মামলা মনপুরায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার, পাঠানো হলো শিশু আদালতে বিস্ফোরক মামলায় ভাঙ্গুড়া পৌরসভার কর্মকর্তা ও আ.লীগ নেতা কালু গ্রেপ্তার নন্দীগ্রামে পানিতে ভেসে উঠল শিশুর নিথর দেহ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে তাজকিয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মিষ্টান্ন বিতরণ লালপুরে পৃথক অভিযানে ১০টি স্মার্ট ফোন ও ৪০ হাজার টাকাসহ ৫ হ্যাকার আটক বগুড়ায় ড্রেন নির্মাণকাজের সময় মাটির নিচে মিলল এসএমজির ৩৩৪ রাউন্ড গুলি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধামরাই খাদ্য গোডাউন পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী গুমের পুনরাবৃত্তি চিরতরে বন্ধ করাই আমাদের দায়িত্ব: ইশরাক

কক্সবাজারের মাতামুহুরীতে চাঞ্চল্যকর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ডাকাতির মূলহোতা জিসান গ্রেফতার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৩ সময় দেখুন

মোঃরাসেল বিশেষ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ও মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা ও প্রধান অভিযুক্ত জিসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পুলিশের একটি চৌকস দল দীর্ঘ অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা নজরদারির পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে। পুলিশের তদন্ত দল জানায়, মামলার প্রধান আসামি জিসান গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন তার অবস্থান পরিবর্তন করছিল। গতকাল গোপন সংবাদ আসে যে, জিসান উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। খবর পাওয়া মাত্রই চকরিয়া ও মাতামুহুরী থানা পুলিশের একাধিক টিম সমন্বিতভাবে পুরো এলাকা ঘেরাও করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জিসান পালানোর চেষ্টা করলেও ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে আভিযানিক দল।

আরও পড়ুনঃ  নাটোরের লালপুরে ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

অভিযান শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) গণমাধ্যমকে জানান, “জিসান এই জঘন্য অপরাধের মূল পরিকল্পনাকারী এবং মাঠ পর্যায়ের মূলহোতা। সে অস্ত্র ও ডাকাতির মামলায় এর আগেও জেল খেটেছে। জামিনে বের হয়েই সে পুনরায় এই দলবদ্ধ অপরাধ সংগঠিত করে। তাকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এই মামলার সমস্ত প্রধান আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হলো। জিসানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। আজ শনিবার তাকে সুনির্দিষ্ট রিমান্ড আবেদনসহ কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। উল্লেখ্য, গত জুন মাসের শুরুর দিকে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনীঘোনা এলাকার একটি প্রবাসী পরিবারে মধ্যরাতে জানালার গ্রিল কেটে একদল সশস্ত্র ডাকাত প্রবেশ করে। ডাকাতদল পরিবারের সবাইকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল লুট করে। লুটপাটের একপর্যায়ে ওই বাড়ির গৃহবধূ ও তার কিশোরী স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নির্মমভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েতসহ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করে আদালতে পাঠায়।

আরও পড়ুনঃ  কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

এদিকে ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মূলহোতাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। একই সাথে তারা এই অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যেক আসামির সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, “অপরাধীর কোনো দলীয় বা সামাজিক পরিচয় হতে পারে না; অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে একজন সমাজবিরোধী অপরাধী।” এলাকায় স্থায়ী শান্তি, শৃঙ্খলা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এমন আপসহীন ও কঠোর ভূমিকা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটিতে বাড়ছে পানি, তলিয়ে গেছে ঝুলন্ত সেতু
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম তদন্তের পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়ার অধিকার

কক্সবাজারের মাতামুহুরীতে চাঞ্চল্যকর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ডাকাতির মূলহোতা জিসান গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ০৭:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

মোঃরাসেল বিশেষ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ও মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা ও প্রধান অভিযুক্ত জিসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পুলিশের একটি চৌকস দল দীর্ঘ অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা নজরদারির পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে। পুলিশের তদন্ত দল জানায়, মামলার প্রধান আসামি জিসান গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন তার অবস্থান পরিবর্তন করছিল। গতকাল গোপন সংবাদ আসে যে, জিসান উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। খবর পাওয়া মাত্রই চকরিয়া ও মাতামুহুরী থানা পুলিশের একাধিক টিম সমন্বিতভাবে পুরো এলাকা ঘেরাও করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জিসান পালানোর চেষ্টা করলেও ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে আভিযানিক দল।

আরও পড়ুনঃ  বাজারে ডেকে নিয়ে শ্বশুরকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত জামাই

 

অভিযান শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) গণমাধ্যমকে জানান, “জিসান এই জঘন্য অপরাধের মূল পরিকল্পনাকারী এবং মাঠ পর্যায়ের মূলহোতা। সে অস্ত্র ও ডাকাতির মামলায় এর আগেও জেল খেটেছে। জামিনে বের হয়েই সে পুনরায় এই দলবদ্ধ অপরাধ সংগঠিত করে। তাকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এই মামলার সমস্ত প্রধান আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হলো। জিসানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। আজ শনিবার তাকে সুনির্দিষ্ট রিমান্ড আবেদনসহ কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। উল্লেখ্য, গত জুন মাসের শুরুর দিকে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনীঘোনা এলাকার একটি প্রবাসী পরিবারে মধ্যরাতে জানালার গ্রিল কেটে একদল সশস্ত্র ডাকাত প্রবেশ করে। ডাকাতদল পরিবারের সবাইকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল লুট করে। লুটপাটের একপর্যায়ে ওই বাড়ির গৃহবধূ ও তার কিশোরী স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নির্মমভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েতসহ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করে আদালতে পাঠায়।

আরও পড়ুনঃ  হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজারে প্লাবনের শঙ্কা

 

এদিকে ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মূলহোতাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। একই সাথে তারা এই অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যেক আসামির সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, “অপরাধীর কোনো দলীয় বা সামাজিক পরিচয় হতে পারে না; অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে একজন সমাজবিরোধী অপরাধী।” এলাকায় স্থায়ী শান্তি, শৃঙ্খলা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এমন আপসহীন ও কঠোর ভূমিকা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত