
স্টাফ রিপোর্টার শফিকুল ইসলাম (জামালপুর)
উত্তরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুর মাদারগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়নের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ১২ জুন শুরু হওয়া বিতরণ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজ (২৯ জুন) সোমবার সকালে উপজেলার ১নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের উপকারভোগীদের মাঝে হাঁস ও মুরগি বিতরণ করা হয়। ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল, পাঠা এবং উন্নত জাতের হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হচ্ছে।
পানি সম্পদ বিভাগের মহাপরিচালক কৃষিবিদ শাহজামাল খান তুহিন এবং মাদারগঞ্জ-মেলান্দহ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের সার্বিক সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের প্রাণী বিতরণ কার্যক্রম এখন শেষ পর্যায়ে।
গত ১২ জুন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজুর কাদের বাবুল খান এবং সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপকারভোগীদের মাঝে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল ও পাঠা বিতরণ করেন।
প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১নং চরপাকেরদহ, ২নং কড়ইচূড়া, ৪নং বালিজুড়ী ও ৫নং জোড়খালী ইউনিয়নের মোট ১০৩ জন উপকারভোগীর প্রত্যেককে দুটি করে ছাগল প্রদান করা হয়। এভাবে মোট ২০৬টি ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল ও পাঠা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৫ জন উপকারভোগীকে পাঠা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ১ হাজার ১৯ জন উপকারভোগীর প্রত্যেককে ১৫টি করে উন্নত জাতের হাঁস ও মুরগি বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণ করা হাঁস ছিল পিকিং ও জিমবিং জাতের এবং মুরগি ছিল কর্ক জাতের। হাঁস-মুরগির বয়স ছিল প্রায় চার মাস, আর ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল ও পাঠার বয়স ছিল পাঁচ থেকে ছয় মাস।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. আতিকুর রহমান বলেন, বিতরণ করা ছাগল, পাঠা, হাঁস ও মুরগিগুলো সরকারি খামার এবং অনুমোদিত ঠিকাদারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। কোনো প্রাণী অসুস্থ হলে বা রোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্প সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের আয় বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তাদের আর্থ-সামাজিক জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদকের নাম 




















