Dhaka ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

উচ্ছেদেও ফিরছে না সড়ক ফুটপাত চাপে বিপর্যস্ত ঢাকা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৯ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রতিদিন উচ্ছেদ, কয়েক দিনের বিরতি, তারপর আবারও দখল—রাজধানীর ফুটপাত ব্যবস্থাপনায় যেন এটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। জীবিকার তাগিদে হকাররা ফিরে আসছেন, আর পথচারীরা হারাচ্ছেন হাঁটার অধিকার। যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাপে এমনিতেই বিপর্যস্ত ঢাকা। তার ওপর ফুটপাত ও সড়ক দখল নগরজীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অভিযান চালিয়েও স্থায়ী সমাধান পাচ্ছে না সরকার ও সিটি করপোরেশন। নগরবিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু উচ্ছেদ নয়, প্রয়োজন পরিকল্পিত নগরায়ণ, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং হকার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টাস ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ঢাকার জনসংখ্যা আনুমানিক ৩ কোটি ৬৬ লাখ। জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী ঢাকা। ২০৫০ সালে নগরটির জনসংখ্যা ৫ কোটি ২১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এত বিপুল মানুষের চাপ সামলানোর মতো পরিবহনব্যবস্থা, সড়ক, ফুটপাত ও নাগরিক অবকাঠামো নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ রাজধানীকেন্দ্রিক হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে মানুষের আগমন। অথচ সেই অনুপাতে নগরসেবা ও অবকাঠামোর উন্নয়ন না হওয়ায় যানজট, আবাসনসংকট এবং জনপরিসর দখলের সমস্যা প্রকট হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

 

ফুটপাত দখলে পথচারীর দুর্ভোগ: রাজধানীর গুলিস্তান, জিরো পয়েন্ট, গোলাপ শাহ মাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের অংশজুড়ে বসছে অস্থায়ী দোকান। এতে পথচারীদের বাধ্য হয়ে মূল সড়কে নামতে হচ্ছে। বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। নগরবাসীর অভিযোগ, বিশেষ করে গুলিস্তানের মতো ব্যস্ত এলাকায় যানজটের কারণে স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতেও দীর্ঘ সময় লাগে।এই দুর্ভোগ কমাতে গত বৃহস্পতিবার ধলপুর এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রশাসকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন দোকান উচ্ছেদ ও ভাঙচুর করা হয়। কিন্তু হকারদের বক্তব্য, বিকল্প ব্যবসাস্থল নিশ্চিত না করে উচ্ছেদ চালালে তাদের জীবিকা বন্ধ হয়ে যায়। এক হকার বলেন, উনারা ভাঙবে, আমরা আবার দোকান বসাব। আমাদেরও সংসার আছে, বউ-বাচ্চা আছে। নিজেদের চলার তাগিদেই বসি। অন্য এক হকারের ভাষ্য, “অভিযান চালায়, উনারা চলে গেলে আমরা আবার বসি। আমরাও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে বাঁচতে চাই না। আমাদের জন্য টেকসই একটা ব্যবস্থা করে দিতে হবে। উচ্ছেদের এক সপ্তাহ না পেরোতেই জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে হকারদের ফিরে আসার চিত্র দেখা গেছে। গোলাপ শাহ মাজার থেকে স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকাতেও ফিরে এসেছে ফুটপাত দখলের পুরোনো চিত্র।

আরও পড়ুনঃ  দেশে বিপুল কয়লা মজুদ থাকলেও উত্তোলনে বাঁধা সামাজিক প্রেক্ষাপট

 

সমাধান শুধু উচ্ছেদে নয়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক আখতার মাহমুদ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেছেন, গ্রাম ও ছোট শহরের সঙ্গে রাজধানীর কর্মসংস্থান ও সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য থাকলে মানুষের ঢাকামুখী প্রবণতা কমবে না। তাঁর মতে, বিকেন্দ্রীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে না। ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আদিল মুহাম্মদ খানও মনে করেন, হকার ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন। বিকল্প ব্যবসাস্থল, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং ফুটপাত দখলের সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পুনর্দখল ঠেকানো কঠিন। এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বসলে পুনরায় উচ্ছেদের পাশাপাশি মামলা করা হবে। নিবন্ধিত হকার ছাড়া রাজধানীতে কাউকে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ইলিশের দামে লাফ কেজিতে বেড়েছে ৩০০ টাকা

 

প্রয়োজন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা: হকার ব্যবস্থাপনায় সরকার ২০২৬ সালে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এতে নিবন্ধন, নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা, ছুটির দিনের বাজার ও রাতের বাজার চালুর মতো ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানে দোকান বসানোর পরও পথচারীদের চলাচলের জন্য অন্তত ৫ থেকে ৬ ফুট জায়গা খালি রাখার নির্দেশনাও রয়েছে। তবে নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন, নির্ধারিত স্থানে পর্যাপ্ত ক্রেতা পাওয়া, নিয়মিত তদারকি এবং দখলদারির সঙ্গে যুক্ত মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। রাজধানীকে বাসযোগ্য রাখতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা যেমন জরুরি, তেমনি জীবিকার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য নিয়মতান্ত্রিক বিকল্প ব্যবস্থাও প্রয়োজন। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো, নগরসেবা বিকেন্দ্রীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবহন ও ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় উচ্ছেদ অভিযান চলবে, হকাররা ফিরে আসবেন, আর নগরবাসীর দুর্ভোগের চক্রও ভাঙবে না।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তারাগঞ্জে সাড়ে ৩ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

উচ্ছেদেও ফিরছে না সড়ক ফুটপাত চাপে বিপর্যস্ত ঢাকা

আপডেটের সময়: ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রতিদিন উচ্ছেদ, কয়েক দিনের বিরতি, তারপর আবারও দখল—রাজধানীর ফুটপাত ব্যবস্থাপনায় যেন এটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। জীবিকার তাগিদে হকাররা ফিরে আসছেন, আর পথচারীরা হারাচ্ছেন হাঁটার অধিকার। যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাপে এমনিতেই বিপর্যস্ত ঢাকা। তার ওপর ফুটপাত ও সড়ক দখল নগরজীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অভিযান চালিয়েও স্থায়ী সমাধান পাচ্ছে না সরকার ও সিটি করপোরেশন। নগরবিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু উচ্ছেদ নয়, প্রয়োজন পরিকল্পিত নগরায়ণ, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং হকার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টাস ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ঢাকার জনসংখ্যা আনুমানিক ৩ কোটি ৬৬ লাখ। জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী ঢাকা। ২০৫০ সালে নগরটির জনসংখ্যা ৫ কোটি ২১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এত বিপুল মানুষের চাপ সামলানোর মতো পরিবহনব্যবস্থা, সড়ক, ফুটপাত ও নাগরিক অবকাঠামো নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ রাজধানীকেন্দ্রিক হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে মানুষের আগমন। অথচ সেই অনুপাতে নগরসেবা ও অবকাঠামোর উন্নয়ন না হওয়ায় যানজট, আবাসনসংকট এবং জনপরিসর দখলের সমস্যা প্রকট হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  দেশে বিপুল কয়লা মজুদ থাকলেও উত্তোলনে বাঁধা সামাজিক প্রেক্ষাপট

 

ফুটপাত দখলে পথচারীর দুর্ভোগ: রাজধানীর গুলিস্তান, জিরো পয়েন্ট, গোলাপ শাহ মাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের অংশজুড়ে বসছে অস্থায়ী দোকান। এতে পথচারীদের বাধ্য হয়ে মূল সড়কে নামতে হচ্ছে। বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। নগরবাসীর অভিযোগ, বিশেষ করে গুলিস্তানের মতো ব্যস্ত এলাকায় যানজটের কারণে স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতেও দীর্ঘ সময় লাগে।এই দুর্ভোগ কমাতে গত বৃহস্পতিবার ধলপুর এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রশাসকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন দোকান উচ্ছেদ ও ভাঙচুর করা হয়। কিন্তু হকারদের বক্তব্য, বিকল্প ব্যবসাস্থল নিশ্চিত না করে উচ্ছেদ চালালে তাদের জীবিকা বন্ধ হয়ে যায়। এক হকার বলেন, উনারা ভাঙবে, আমরা আবার দোকান বসাব। আমাদেরও সংসার আছে, বউ-বাচ্চা আছে। নিজেদের চলার তাগিদেই বসি। অন্য এক হকারের ভাষ্য, “অভিযান চালায়, উনারা চলে গেলে আমরা আবার বসি। আমরাও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে বাঁচতে চাই না। আমাদের জন্য টেকসই একটা ব্যবস্থা করে দিতে হবে। উচ্ছেদের এক সপ্তাহ না পেরোতেই জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে হকারদের ফিরে আসার চিত্র দেখা গেছে। গোলাপ শাহ মাজার থেকে স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকাতেও ফিরে এসেছে ফুটপাত দখলের পুরোনো চিত্র।

আরও পড়ুনঃ  ইলিশের দামে লাফ কেজিতে বেড়েছে ৩০০ টাকা

 

সমাধান শুধু উচ্ছেদে নয়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক আখতার মাহমুদ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেছেন, গ্রাম ও ছোট শহরের সঙ্গে রাজধানীর কর্মসংস্থান ও সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য থাকলে মানুষের ঢাকামুখী প্রবণতা কমবে না। তাঁর মতে, বিকেন্দ্রীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে না। ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আদিল মুহাম্মদ খানও মনে করেন, হকার ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন। বিকল্প ব্যবসাস্থল, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং ফুটপাত দখলের সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পুনর্দখল ঠেকানো কঠিন। এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বসলে পুনরায় উচ্ছেদের পাশাপাশি মামলা করা হবে। নিবন্ধিত হকার ছাড়া রাজধানীতে কাউকে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বিলাসিতায় ব্যয় বাড়াচ্ছে সৌদিরা

 

প্রয়োজন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা: হকার ব্যবস্থাপনায় সরকার ২০২৬ সালে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এতে নিবন্ধন, নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা, ছুটির দিনের বাজার ও রাতের বাজার চালুর মতো ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানে দোকান বসানোর পরও পথচারীদের চলাচলের জন্য অন্তত ৫ থেকে ৬ ফুট জায়গা খালি রাখার নির্দেশনাও রয়েছে। তবে নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন, নির্ধারিত স্থানে পর্যাপ্ত ক্রেতা পাওয়া, নিয়মিত তদারকি এবং দখলদারির সঙ্গে যুক্ত মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। রাজধানীকে বাসযোগ্য রাখতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা যেমন জরুরি, তেমনি জীবিকার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য নিয়মতান্ত্রিক বিকল্প ব্যবস্থাও প্রয়োজন। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো, নগরসেবা বিকেন্দ্রীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবহন ও ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় উচ্ছেদ অভিযান চলবে, হকাররা ফিরে আসবেন, আর নগরবাসীর দুর্ভোগের চক্রও ভাঙবে না।