Dhaka ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিদায় নিলেন ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায় বীর বীরাঙ্গনা টেপরী রানী কুলিয়ারচরে সংবর্ধিত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিল মিয়া নোয়াপাড়া মডেল ইউনিয়নে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আগামী কাল সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সরকারি চলাচলের সড়ক দখল করে অবৈধভাবে বাউন্ডারি ওয়াল ও বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ বন্দর থানা এলাকায় আত্মসাথের ৫০ কার্টুন ক্রোকারিজ পণ্য ও গাড়ি উদ্ধার: আটক -২ মাগুরায় জেলা তথ্য অফিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, উন্নয়ন বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপেক্ষিত ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা,উপজেলা ছাত্রসেনার স্মারকলিপি পেশ রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব বেঞ্চ স্থাপন মনপুরায় সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুতের জন্য ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিসট্রিবিউশন এর মহাপরিকল্পনা

সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে

মো: আশরাফুল ইসলাম: জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ৭মে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনেঅনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশে নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, রাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী সাংবাদিকদের অধিকার এবং প্রাপ্য কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে। ৫৫ বছরের ইতিহাসে সাংবাদিকদের অধিকার মর্যাদাতো দূরের কথা সবকিছুতেই তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। সাংবাদিকতা পেশায় জড়িতদের জীবনমান উন্নয়নে কোনো সরকার এগিয়ে আসেনি বরং তাদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করছে। সরকার গুলো সবসময় কথার ফুলঝুরি দিয়ে আর জাতির বিবেক বলে এদেরকে ঘুম পড়িয়ে রাখে। সাংবাদিকরা এবার জেগেছে।

 

তাদের দমিয়ে রাখা যাবেনা, অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকরা কী চায় তা রাষ্ট্রের পক্ষে সরকারকে শুনতে হবে এবং এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভুমিকা নিতে হবে। সমাজের নানা পেশাজীবীদের দক্ষতা, মর্যাদা এবং রুটিরুজির নিশ্চয়তায় রাষ্ট্রের সরব ভুমিকা রয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের প্রশ্নে রাষ্ট্র নীরব, যা দূ:খজনক। তবে সরকারের তথ্য মন্ত্রী ইতিমধ্যে সাংবাদিকদের তালিকা, সুরক্ষা আইন নিয়ে কথা বলছেন তাকে আমরা স্বাগত জানাই। প্রধান মন্ত্রী এবং তথ্য মন্ত্রীকে সাংবাদিকদের সমস্যার কথা সরাসরি শুনতে হবে। মুষ্টিমেয় কিছু কুলীন সাংবাদিকের কথা শুনলে হবেনা। কতিপয় কুলীন সাংবাদিক এবং আমলাদের কথামত বিগত সরকার ৭ বছর ধরে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করছিল কিন্তু তা আলোর মুখ দেখাতে পারেনি। কুলীন সাংবাদিকদের কথাতো এ যাবত শুনেছেন, এখন ৬৩ জেলার সাংবাদিকের কথা শুনুন, তাদের কী সমস্যা? তাদের দাবি কি?

আরও পড়ুনঃ  দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার গৌরবের পথ চলা ৩৫ বছর পূর্তি উৎসব -২০২৬

 

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারকে অবশ্যই জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবির কথা শুনতে হবে। এতে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে। পুরানো ধাঁচের সাংবাদিকতা চলবেনা। গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে। সরকারকে নতুন করে আইন প্রণয়ন করে অকার্যকর প্রেস কাউন্সিলকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়কে তথ্য কমিশন গঠনের মাধ্যমে মিডিয়া এবং সাংবাদিক সংগঠন গুলোকে নিয়ন্ত্রণ এবং নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং ছাড়া গুজব পরিবেশন করে দেশ ও জনগনকে বিভ্রান্তি করা যাবেনা। যা ইতিমধ্যে তথ্য মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেছেন। মন্ত্রী সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা এবং সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কথাও বলেছেন। যা দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়নের কথা বলে মুলা ঝুলিয়ে রাখা যাবেনা। ইতিপূর্বে বহুবার আইন প্রণয়ন করে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হয়েছিল, নতুন করে কেউ যেনো তা না করে । এই সরকারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিকদের দাবি গুলো শুনে সংসদে উত্থাপন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। ৫৫ বছরের এই দেশে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কোনও দাবি, অধিকার আজও পূরণ হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  আগামী কাল সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন

 

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ ১৪ দফা দাবি পূরণ করতে সরকারের নিকট আহবান জানান। সারাদেশের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে দাবি সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা গুলো বলেছেন।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সরকারকে পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রকাশ, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা তৈরি, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন সহ ১৪ দফা দাবি মেনে নিতে আহবান জানান।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর এতে সভাপতিত্ব করেন।অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকদের সর্ববৃহৎ জোট এ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশনের সদস্য সচিব ও এডিটরস ফোরামের সভাপতি ওমর ফারুক জালাল, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈশা, টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরামের মহাসচিব কবি অশোক ধর, আরজেএফের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, সাংবাদিক সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব সুজন মাহমুদ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সংস্থার সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সম্মিলিত সাংবাদিক জোটের সভাপতি মিজানুর রহমান মোল্লা, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান বীথি মোস্তফা, বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের সভাপতি আবুল হোসেন, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গাজী মামুন।

আরও পড়ুনঃ  পরিচ্ছন্ন শুভাঢ্যা গড়তে রাজপথে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলম মামুন

সমাবেশে আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা, সহ-সম্পাদক সবুজ হোসেন রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজি,মো: আব্দুল বাতেন বাচ্চু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা সৈয়দ খায়রুল আলম, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, সদস্য আনোয়ার হোসেন, জামাল হোসেন, শাওন বাঁধন, আসমা আক্তার, মৌসুমি আক্তার, রোজি আক্তার, মরিয়ম আক্তার মারিয়া, রোমানা সানজু, খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব সভাপতি হাবিব সরকার স্বাধীন, বিএমএসএফের ছাতক উপজেলা শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী, নারায়নগঞ্জ বন্দর শাখার সাধারণ সম্পাদক জিকে রাসেল, বরগুনা জেলা শাখার সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার আব্দুল কাদের অপু, লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার ফারুক আহমেদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে একটি শোভাযাত্রা রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বিদায় নিলেন ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায় বীর বীরাঙ্গনা টেপরী রানী

সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে

আপডেটের সময়: ০৮:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

মো: আশরাফুল ইসলাম: জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ৭মে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনেঅনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশে নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, রাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী সাংবাদিকদের অধিকার এবং প্রাপ্য কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে। ৫৫ বছরের ইতিহাসে সাংবাদিকদের অধিকার মর্যাদাতো দূরের কথা সবকিছুতেই তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। সাংবাদিকতা পেশায় জড়িতদের জীবনমান উন্নয়নে কোনো সরকার এগিয়ে আসেনি বরং তাদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করছে। সরকার গুলো সবসময় কথার ফুলঝুরি দিয়ে আর জাতির বিবেক বলে এদেরকে ঘুম পড়িয়ে রাখে। সাংবাদিকরা এবার জেগেছে।

 

তাদের দমিয়ে রাখা যাবেনা, অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকরা কী চায় তা রাষ্ট্রের পক্ষে সরকারকে শুনতে হবে এবং এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভুমিকা নিতে হবে। সমাজের নানা পেশাজীবীদের দক্ষতা, মর্যাদা এবং রুটিরুজির নিশ্চয়তায় রাষ্ট্রের সরব ভুমিকা রয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের প্রশ্নে রাষ্ট্র নীরব, যা দূ:খজনক। তবে সরকারের তথ্য মন্ত্রী ইতিমধ্যে সাংবাদিকদের তালিকা, সুরক্ষা আইন নিয়ে কথা বলছেন তাকে আমরা স্বাগত জানাই। প্রধান মন্ত্রী এবং তথ্য মন্ত্রীকে সাংবাদিকদের সমস্যার কথা সরাসরি শুনতে হবে। মুষ্টিমেয় কিছু কুলীন সাংবাদিকের কথা শুনলে হবেনা। কতিপয় কুলীন সাংবাদিক এবং আমলাদের কথামত বিগত সরকার ৭ বছর ধরে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করছিল কিন্তু তা আলোর মুখ দেখাতে পারেনি। কুলীন সাংবাদিকদের কথাতো এ যাবত শুনেছেন, এখন ৬৩ জেলার সাংবাদিকের কথা শুনুন, তাদের কী সমস্যা? তাদের দাবি কি?

আরও পড়ুনঃ  বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতি - হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক - মশিউর রহমান

 

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারকে অবশ্যই জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবির কথা শুনতে হবে। এতে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে। পুরানো ধাঁচের সাংবাদিকতা চলবেনা। গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে। সরকারকে নতুন করে আইন প্রণয়ন করে অকার্যকর প্রেস কাউন্সিলকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়কে তথ্য কমিশন গঠনের মাধ্যমে মিডিয়া এবং সাংবাদিক সংগঠন গুলোকে নিয়ন্ত্রণ এবং নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং ছাড়া গুজব পরিবেশন করে দেশ ও জনগনকে বিভ্রান্তি করা যাবেনা। যা ইতিমধ্যে তথ্য মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেছেন। মন্ত্রী সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা এবং সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কথাও বলেছেন। যা দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়নের কথা বলে মুলা ঝুলিয়ে রাখা যাবেনা। ইতিপূর্বে বহুবার আইন প্রণয়ন করে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হয়েছিল, নতুন করে কেউ যেনো তা না করে । এই সরকারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিকদের দাবি গুলো শুনে সংসদে উত্থাপন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। ৫৫ বছরের এই দেশে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কোনও দাবি, অধিকার আজও পূরণ হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  চরফ্যাশনে ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার সাইবার মামলা: সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ

 

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ ১৪ দফা দাবি পূরণ করতে সরকারের নিকট আহবান জানান। সারাদেশের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে দাবি সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা গুলো বলেছেন।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সরকারকে পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রকাশ, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা তৈরি, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন সহ ১৪ দফা দাবি মেনে নিতে আহবান জানান।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর এতে সভাপতিত্ব করেন।অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকদের সর্ববৃহৎ জোট এ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশনের সদস্য সচিব ও এডিটরস ফোরামের সভাপতি ওমর ফারুক জালাল, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈশা, টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরামের মহাসচিব কবি অশোক ধর, আরজেএফের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, সাংবাদিক সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব সুজন মাহমুদ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সংস্থার সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সম্মিলিত সাংবাদিক জোটের সভাপতি মিজানুর রহমান মোল্লা, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান বীথি মোস্তফা, বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের সভাপতি আবুল হোসেন, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গাজী মামুন।

আরও পড়ুনঃ  রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সমর্থন প্রত্যাশা: প্রধানমন্ত্রী

সমাবেশে আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা, সহ-সম্পাদক সবুজ হোসেন রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজি,মো: আব্দুল বাতেন বাচ্চু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা সৈয়দ খায়রুল আলম, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, সদস্য আনোয়ার হোসেন, জামাল হোসেন, শাওন বাঁধন, আসমা আক্তার, মৌসুমি আক্তার, রোজি আক্তার, মরিয়ম আক্তার মারিয়া, রোমানা সানজু, খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব সভাপতি হাবিব সরকার স্বাধীন, বিএমএসএফের ছাতক উপজেলা শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী, নারায়নগঞ্জ বন্দর শাখার সাধারণ সম্পাদক জিকে রাসেল, বরগুনা জেলা শাখার সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার আব্দুল কাদের অপু, লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার ফারুক আহমেদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে একটি শোভাযাত্রা রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।