Dhaka ১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ২ লাখের বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ধামইরহাটে ১৫১৭১ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন আজকের জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর ৩ শিক্ষিকাকে শোকজ জৈন্তাপুরে ভুগলিখাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী  জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে উদ্বোধন হলো হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব এর নেতৃবৃন্দের সাথে ইউকে বাংলা প্রেসক্লাবের সদস্য আমিনুর চৌধুরী শুভেচ্ছা বিনিময়   কোম্পানীগঞ্জে ইউএনও’র সহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পার্বত্য সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী মাধবী মারমা লামায় পর্যটন শিল্পের প্রসারে হোটেল ও রিসোর্ট কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু

নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ২ লাখের বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য

মোঃ রাব্বি রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে ব্যাপক পরিসরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। জেলার মোট ২ লাখ ১০ হাজার ২৬৯ জন শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নায়িরুজ্জাম্মান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক

আরও পড়ুনঃ  জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার স্মরণে বিএনপির উদ্যোগে ম্রো কমপ্লেক্সে ক্রীড়া সামগ্রী ও খাবার বিতরণ

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক),জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় রবিবার সকাল থেকেই জেলার ১ হাজার ৬১৬টি কেন্দ্রে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ  গোবিন্দগঞ্জে ডাঃ ফিলিমন বাস্কের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের এসব রোগ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জেলা প্রশাসক মোঃ নায়িরুজ্জাম্মান তার বক্তব্যে বলেন,

“এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।”

আরও পড়ুনঃ  আজকের জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর ৩ শিক্ষিকাকে শোকজ

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আজ থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কার্যক্রম আগামী ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা প্রদান করে তাদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ২ লাখের বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য

নীলফামারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ২ লাখের বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য

আপডেটের সময়: ০৭:০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ রাব্বি রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে ব্যাপক পরিসরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। জেলার মোট ২ লাখ ১০ হাজার ২৬৯ জন শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নায়িরুজ্জাম্মান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক

আরও পড়ুনঃ  পাঁচ গ্রামের মানুষের ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের কালবার্ট,

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক),জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় রবিবার সকাল থেকেই জেলার ১ হাজার ৬১৬টি কেন্দ্রে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ  রুমার পলিকা পাড়ায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলির আনন্দে মুখর পাহাড়

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের এসব রোগ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জেলা প্রশাসক মোঃ নায়িরুজ্জাম্মান তার বক্তব্যে বলেন,

“এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।”

আরও পড়ুনঃ  ফটিকছড়ি উপজেলা “ক”জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আজ থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কার্যক্রম আগামী ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা প্রদান করে তাদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে।