Dhaka ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দাম বেড়ে অকটেন ১৪০, পেট্রোল ১৩৫, ডিজেল ১১৫ টাকা ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালীন যানচলাচল সম্পর্কিত ডিএমপির নির্দেশনাবলী প্রকাশ চিলমারীতে বাড়ির পাশেই মিলল শিশু আয়শার ক্ষতবিক্ষত নিথর মৃত দেহ যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত” চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন লক্ষ্মীপুরে ফোর লেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী আফমি প্লাজা ঈদ বিক্রয় উৎসব, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা সম্পন্ন বায়েজিদে প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চেক ছিনতাই, উল্টো মামলা ও হয়রানির শিকার রেমিটেন্স যোদ্ধা নাগরপুরে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব ৮ দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন জয়মনি উইনার্স ক্লাব থানারহাট মডেল মাদরাসার দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান

রাজধানীতে হঠাৎ সয়াবিন তেল সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর অনেক বাজারেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এখন খুচরা পর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিনের দাম বাড়েনি। কিন্তু ডিলার বা সরবরাহকারী পর্যায়ে দাম বেড়েছে। বেড়েছে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মাসখানেক ধরেই বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ তুলনামূলক কম। গত তিন–চার দিনে এ সংকট আরও বেড়েছে। একদিকে তেল কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তুলনামূলক কম পরিমাণে তেল বাজারে আসছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আতঙ্ক থেকে অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনছেন। সব মিলিয়ে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মুদিদোকানে ৫ লিটারের সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও তা পরিমাণে কম। আর ১ ও ২ লিটারের বোতল হাতে গোনা দু–তিনটি দোকানে পাওয়া গেছে। পুষ্টি, রূপচাঁদা, বসুন্ধরা ও ফ্রেশ ব্র্যান্ডের বাইরে অন্যান্য ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল খুব একটা দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে ফোর লেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

কারওয়ান বাজারে সয়াবিন তেলের তিনটি ব্র্যান্ডের ডিলারের দোকানে ঘুরে দেখা যায়, এসব দোকানে বিভিন্ন এলাকার খুচরা বিক্রেতারা এসে ভিড় করছেন। বেশির ভাগ ক্রেতাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারছেন না। গত বছরের ৭ ডিসেম্বরে সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছিল। তখন প্রতি লিটারে ৬ টাকা বাড়ানো হলে ১ লিটারের বোতলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) হয় ১৯৫ টাকা এবং ৫ লিটারের এমআরপি হয় ৯৫৫ টাকা। এরপর কোম্পানিগুলো আর এমআরপি বাড়ায়নি। তবে সম্প্রতি ডিলার বা সরবরাহকারীদের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা যে দরে তেল কেনেন, সেটি বেড়েছে। তাতে খুচরা বিক্রেতাদের মুনাফা কমেছে।

আরও পড়ুনঃ  রমনা পার্কে নববর্ষের বর্ণিল আয়োজন

বিক্রেতারা জানান, ৫ লিটারের এক বোতল সয়াবিন তেলের গায়ের দাম (এমআরপি) ৯৫৫ টাকা। ডিলারের কাছ থেকে আগে তাঁরা এই তেল ৯৩০ টাকায় কিনতেন, বেচতেন ৯৪০ টাকায়। ১০ টাকা লাভ থাকত। কিন্তু তিন–চার দিন ধরে তারা ৫ লিটারের বোতল কিনছেন ৯৫০ টাকায়, বিক্রি করেন ৯৫৫ টাকায়। অর্থাৎ ডিলার পর্যায়ে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। তাতে খুচরা বিক্রেতাদের ৫ টাকা লাভ কমেছে। অন্যদিকে ভোক্তাদেরও আগের তুলনায় ৫–১০ টাকা বেশি দামে সয়াবিন তেল কিনতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ–সংকটের মধ্যে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে খোলা সয়াবিন তেল কেজি আকারে বিক্রি হয়। গত চার দিনের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। গতকাল কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ১৯৮–২০০ টাকায়। চার দিন আগে এ দাম ছিল ১৯৩–১৯৫ টাকা। গতকাল প্রতি কেজি খোলা পাম তেল বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়, যা চার দিন আগে ছিল ১৬৫ টাকা।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দাম বেড়ে অকটেন ১৪০, পেট্রোল ১৩৫, ডিজেল ১১৫ টাকা

রাজধানীতে হঠাৎ সয়াবিন তেল সংকট

আপডেটের সময়: ০৭:৩১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর অনেক বাজারেই বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এখন খুচরা পর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিনের দাম বাড়েনি। কিন্তু ডিলার বা সরবরাহকারী পর্যায়ে দাম বেড়েছে। বেড়েছে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মাসখানেক ধরেই বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ তুলনামূলক কম। গত তিন–চার দিনে এ সংকট আরও বেড়েছে। একদিকে তেল কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তুলনামূলক কম পরিমাণে তেল বাজারে আসছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আতঙ্ক থেকে অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনছেন। সব মিলিয়ে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মুদিদোকানে ৫ লিটারের সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও তা পরিমাণে কম। আর ১ ও ২ লিটারের বোতল হাতে গোনা দু–তিনটি দোকানে পাওয়া গেছে। পুষ্টি, রূপচাঁদা, বসুন্ধরা ও ফ্রেশ ব্র্যান্ডের বাইরে অন্যান্য ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল খুব একটা দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ  সেলিমাবাদ উপজেলা চাই সংসদে এমপি অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম

কারওয়ান বাজারে সয়াবিন তেলের তিনটি ব্র্যান্ডের ডিলারের দোকানে ঘুরে দেখা যায়, এসব দোকানে বিভিন্ন এলাকার খুচরা বিক্রেতারা এসে ভিড় করছেন। বেশির ভাগ ক্রেতাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারছেন না। গত বছরের ৭ ডিসেম্বরে সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছিল। তখন প্রতি লিটারে ৬ টাকা বাড়ানো হলে ১ লিটারের বোতলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) হয় ১৯৫ টাকা এবং ৫ লিটারের এমআরপি হয় ৯৫৫ টাকা। এরপর কোম্পানিগুলো আর এমআরপি বাড়ায়নি। তবে সম্প্রতি ডিলার বা সরবরাহকারীদের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা যে দরে তেল কেনেন, সেটি বেড়েছে। তাতে খুচরা বিক্রেতাদের মুনাফা কমেছে।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে ফোর লেন সড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

বিক্রেতারা জানান, ৫ লিটারের এক বোতল সয়াবিন তেলের গায়ের দাম (এমআরপি) ৯৫৫ টাকা। ডিলারের কাছ থেকে আগে তাঁরা এই তেল ৯৩০ টাকায় কিনতেন, বেচতেন ৯৪০ টাকায়। ১০ টাকা লাভ থাকত। কিন্তু তিন–চার দিন ধরে তারা ৫ লিটারের বোতল কিনছেন ৯৫০ টাকায়, বিক্রি করেন ৯৫৫ টাকায়। অর্থাৎ ডিলার পর্যায়ে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। তাতে খুচরা বিক্রেতাদের ৫ টাকা লাভ কমেছে। অন্যদিকে ভোক্তাদেরও আগের তুলনায় ৫–১০ টাকা বেশি দামে সয়াবিন তেল কিনতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  রমনা পার্কে নববর্ষের বর্ণিল আয়োজন

বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ–সংকটের মধ্যে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে খোলা সয়াবিন তেল কেজি আকারে বিক্রি হয়। গত চার দিনের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। গতকাল কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ১৯৮–২০০ টাকায়। চার দিন আগে এ দাম ছিল ১৯৩–১৯৫ টাকা। গতকাল প্রতি কেজি খোলা পাম তেল বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়, যা চার দিন আগে ছিল ১৬৫ টাকা।