Dhaka ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম সাঘাটায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু, ছয় মাসের শিশুকে নিয়ে দিশেহারা পুত্রবধূ বগুড়া শহর বাইপাস করে নতুন রেলপথের উদ্যোগ কেন্দুয়ায় ৫শ টাকা পাওনার বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা! মা-ছেলে আটক পবায় গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নিজ ঘরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে, ছোট্ট শিশুর মৃত্যু ধমকিয়ে-পিটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না: মির্জা ফখরুল নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ বিদ্যুতের দাম বাড়লো ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০৮ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ৬ জনকে হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় ঘোষণা করেন। অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে এ মামলার রায়ের জন্য ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য ছিল। প্রস্তুত না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আজকের দিন নির্ধারণ করে। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের এটি প্রথম মামলা হলেও রায়ের দিক থেকে দ্বিতীয়। মামলাটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ ঘটনায় শহীদ হন শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, ইয়াকুব, রাকিব হাওলাদার, ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া। ঘটনার পর গত বছরের ২১ এপ্রিল তদন্ত সংস্থা ৯০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে দাখিল করে। প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২৫ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে প্রসিকিউশন। একই দিন অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

এর ধারাবাহিকতায় আট আসামির মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন—শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। পলাতক আসামিরা হলেন—ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম এবং রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান

গ্রেপ্তার আসামিদের উপস্থিতিতে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে গত বছরের ১৪ জুলাই ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন করেন। এর মাধ্যমে আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ১১ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আনাসের বাবা শাহরিয়ার খান পলাশ। তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৩ কার্যদিবসে মোট ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ১০ ডিসেম্বর। ১৫ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি–পাল্টা যুক্তি ও খণ্ডন শেষে ২৪ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়, যা পরে ২০ জানুয়ারি থেকে পিছিয়ে আজ নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

মামলায় প্রসিকিউশনের জব্দ তালিকায় রয়েছে ১৯টি ভিডিও, পত্রিকার ১১টি প্রতিবেদন, দুটি অডিও, বই ও ১১টি নথি এবং ছয়টি মৃত্যুসনদ। যুক্তিতর্কে রাষ্ট্রপক্ষ আট আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। অপরদিকে, প্রসিকিউশনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসামিপক্ষ তাদের বেকসুর খালাস চেয়েছে। আজকের রায়ে এই আট আসামির ভাগ্য নির্ধারণ হবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেটের সময়: ০৬:৫৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ৬ জনকে হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় ঘোষণা করেন। অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে এ মামলার রায়ের জন্য ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য ছিল। প্রস্তুত না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আজকের দিন নির্ধারণ করে। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের এটি প্রথম মামলা হলেও রায়ের দিক থেকে দ্বিতীয়। মামলাটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ ঘটনায় শহীদ হন শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, ইয়াকুব, রাকিব হাওলাদার, ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া। ঘটনার পর গত বছরের ২১ এপ্রিল তদন্ত সংস্থা ৯০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে দাখিল করে। প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২৫ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে প্রসিকিউশন। একই দিন অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির অশিক্ষিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত: আসিফ মাহমুদ

এর ধারাবাহিকতায় আট আসামির মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন—শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। পলাতক আসামিরা হলেন—ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম এবং রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

গ্রেপ্তার আসামিদের উপস্থিতিতে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে গত বছরের ১৪ জুলাই ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন করেন। এর মাধ্যমে আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ১১ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আনাসের বাবা শাহরিয়ার খান পলাশ। তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৩ কার্যদিবসে মোট ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ১০ ডিসেম্বর। ১৫ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি–পাল্টা যুক্তি ও খণ্ডন শেষে ২৪ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়, যা পরে ২০ জানুয়ারি থেকে পিছিয়ে আজ নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

মামলায় প্রসিকিউশনের জব্দ তালিকায় রয়েছে ১৯টি ভিডিও, পত্রিকার ১১টি প্রতিবেদন, দুটি অডিও, বই ও ১১টি নথি এবং ছয়টি মৃত্যুসনদ। যুক্তিতর্কে রাষ্ট্রপক্ষ আট আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। অপরদিকে, প্রসিকিউশনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসামিপক্ষ তাদের বেকসুর খালাস চেয়েছে। আজকের রায়ে এই আট আসামির ভাগ্য নির্ধারণ হবে।