
মিঠুন সাহা, স্টাপ রিপোর্টার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাউজানে পশ্চিম নোয়াজিশপুরে শতাধিক অসচ্ছল সনাতনী পরিবারের মধ্যে বস্ত্র ও পূজা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার ৩নং পশ্চিম নোয়াজিশপুরে পূর্ণরাজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চতুর্থবারের মতো এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পূর্ণরাজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ নাথ কল্যাণ সমিতির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি লায়ন ডা. নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ। এইছাড়াও তিনি লায়ন্স ক্লাব চট্টগ্রাম ডিস্ট্রিক্ট গভর্নরের অ্যাডভাইজার, এবং রয়েল কমিউনিটি চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টারের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করছেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক দয়াল কান্তি রায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. রূপক দেবনাথ, দীপক নাথ, মিন্টু নাথ, সুজন রায়, বাসু নাথ, দোস্ত মোহাম্মদ, আজাদ পাশা, পংকজ ঘোষ ও খোকন চৌধুরীসহগ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, লায়ন ডা. নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ তাঁর বাবা পূর্ণরাজ দেবনাথ ও মা রাজবালা দেবীর নামে পূর্ণরাজ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর গত তিন বছর ধরে ফাউন্ডেশনটি চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসচ্ছল, দৃষ্টিহীন ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
লায়ন ডা. নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “দুর্গাপূজা আনন্দ ও সম্প্রীতির উৎসব। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই পূর্ণরাজ ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসচ্ছল ও দৃষ্টিহীন মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি মন্দির, মসজিদ ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা হয়। রমজান মাসে মুসলিমদের মধ্যে ইফতার বিতরণ, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্র মানুষের সহায়তা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে সহায়তা দেওয়ার কার্যক্রমও রয়েছে।
এ ছাড়া দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথাও জানান সংশ্লিষ্টরা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমে রয়েল কমিউনিটি চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টারের আয় থেকে সঞ্চিত অর্থের একটি অংশ ব্যয় করা হয় বলে জানা গেছে। কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে ‘টিম মানুষ যে” নামের একটি সামাজিক সংগঠন এবং এর পরিচালনায় ছিলেন সংগঠনটির পরিচালক মোঃ রাশেদ উদ্দিন।
প্রতিবেদকের নাম 

























