
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ডেঙ্গু চিকিৎসায় ঢাকার বাইরে প্রান্তিক পর্যায়ের সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি রাখা হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, রোগীদের যেন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসতে না হয়, সে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর মশার বিস্তার রোধে সারা দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের চিকিৎসায় কোনো কমতি রাখা হচ্ছে না। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে অনেক রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পরও ঢাকায় চলে আসছেন রোগীদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়ার বিষয়ে অভিযোগের প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের মধ্যেও এক ধরনের ভীতি কাজ করে। এ কারণে অনেক সময় তারা রোগীদের ঢাকায় পাঠিয়ে দেন।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, যেসব জায়গায় নিয়মিত পানি জমে থাকে, সেখানে মশার বিস্তার ঠেকানো কঠিন। এ কারণে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারা দেশে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে। এদিকে দেশে হামের প্রকোপ মোকাবিলায় নতুন করে বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে এই টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যারা হামে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই টিকা নেননি। বিভিন্ন আলোচনা ও প্রচারণার পরও যারা হাম থেকে সুরক্ষার টিকা নেননি, তাদের কথা বিবেচনা করেই সরকার নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি জানান, হামের টিকার একটি বড় চালান ইতোমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে। চলতি মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি বড় চালান দেশে আসবে। হামের টিকা নিয়ে সংকট তৈরির জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার পর্যাপ্ত টিকা রেখে না যাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। হামে মৃত্যুর ঘটনায় বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিবেদকের নাম 
























