
আবুওবায়দুল হক খাজা, (চিলমারী) কুড়িগ্রাম: জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনে ইতোমধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছেন। বিএনপি থেকে ৩৬ জন মহিলা এমপি হতে পারবে। বাকিগুলো বিরোধীদল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের আসনের আনুপাতিক হারে তাদের সমর্থনে নির্বাচিত হবেন।
বিগত সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামে কোন এমপি নির্বাচিত হয়নি। এজন্যে পরাজিত প্রার্থীদের পক্ষে তাদের স্ত্রীদের নাম শোনা যাচ্ছে। কিন্তু দলীয় কর্মকান্ড ও ত্যাগী মহিলা নেতৃত্ব বিবেচনায় সকল প্রার্থীদের তুলনায় এগিয়ে আছেন মমতাজ হোসেন লিপি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদলনেত্রী,বর্তমানে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদিকা মমতাজ হোসেন,লিপি বিগত সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জোড়ালো একজন প্রার্থী ছিলেন। তাকে মনোনয়ন না দেয়া একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে এলাকার নেতাকর্মীরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
শিক্ষা দীক্ষা মেধা প্রজ্ঞা, সাহস শক্তি দলীয় আনুগত্য ও আন্দোলন সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্যে মমতাজ হোসেন লিপি বিএনপি হাই কমান্ডের বিশেষ সুনজরে আছেন বলে জানা গেছে।
এরপরে কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা দলের সিনিয়র নেত্রী শামীমা রহমান আপন এর নাম আলোচিত হচ্ছে। একজন উচ্চ শিক্ষিতা এবং কুড়িগ্রাম -১ আসনে ভোটের রাজনীতির অন্যতম কারিগর বিধায় মহিলা এমপি হিসাবে তিনি যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারবেন বলে অনেকে মনে করেন। জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার স্ত্রী শামীমা রহমান আপনকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান একজন মাঠের নেত্রী হিসাবে ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তাসভির উল ইসলাম এর স্ত্রী ডঃ রেয়ান ইসলাম এর ছবি সম্বলিত ফটোকার্ড ফেসবুকে প্রকাশিত হলেও আদৌ তিনি প্রার্থী হবেন কিনা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারিনি।
কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভানেত্রী অধ্যাপিকা নাজমুন আরা বিউটির নাম আলোচিত হচ্ছে। জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বেবুর স্ত্রী অধ্যাপিকা বিউটির বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ এক নেতার সমর্থন আছে বলে জানা গেছে।
ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি পোস্ট দেখা গেলেও কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা মোসলেম আরা মিলি সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের স্ত্রী বিধায় তার প্রসঙ্গটি সকলে নাকচ করে দিয়েছেন এই কারণে যে কুড়িগ্রাম-২ আসনে পরাজিত এমপি প্রার্থী সোহেলকে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক করা হয়েছে। সুতরাং একই পরিবারে দুজনকে মূল্যায়নের প্রশ্নই উঠেনা।
কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রেশমা পারভীন প্রার্থী বলে ফেসবুক থেকে জানা গেছে। কিন্তু তার স্বকীয়তা নেই। নেতৃত্বে কোন সাফল্যও নেই। ধামাধরা রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে অনেকে মনে করেন যে তারচেয়ে জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেত্রী এড.শাহনাজ পারভীন অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন।
সবশেষে বলা যায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান মমতাজ হোসেন লিপি ও শামীমা রহমান আপন কে ব্যক্তিগতভাবে চিনেন। এইদুজন প্রার্থীর বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলাবাসীর প্রত্যাশা আছে বলে অনেকেই মনে করেন।
প্রতিবেদকের নাম 

























