Dhaka ০২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মানিকগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র আলোচনায় মাসুদ পারভেজ ভোলায় শিল্প ও বিনিয়োগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা: আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের মতবিনিময় কদমতলীতে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ: ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামানের দ্রুত মুক্তির দাবি কুলিয়ারচরে কাঠ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ জৈন্তাপুরে নতুন ইউএনও সুনন্দা রায়ের যোগদান অনুমোদন পেল ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ সবুজায়নের অঙ্গীকার: কেরানীগঞ্জে ইউএনও’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার হলো ৪ বছরের শিশুর নিথর দেহ মোংলায় ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজ-১ ঠাকুরগাঁও এ প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন

কাঁটাতার দিয়ে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করা যায় না: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা দেখছি যে, আমাদের সীমান্তে আবারো হত্যাকাণ্ড হচ্ছে এবং সীমান্তে আবারো নতুন করে কাঁটাতার দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তে কাঁটাতার দিয়ে এবং সীমান্তে আমার দেশের জনগণকে হত্যা করে কেউ যদি বন্ধুত্বের কথা বলে তার সাথে বন্ধুত্ব সম্ভব না। কাঁটাতার দিয়ে কারো সাথে বন্ধুত্ব করা যায় না। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এনসিপি সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘‘আমরা বিশ্বাস করি এই কাঁটাতার সেই দেশের জনগণ একদিন উপড়ে ফেলে বাংলাদেশের জনগণের সাথে বন্ধুত্ব করবে। এবং বাংলাদেশের সীমান্তকে রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। যদি সরকার ব্যর্থ হয় জনগণ সেই দায়িত্ব কিন্তু নিজ হাতে তুলে নেবে। নাহিদ ইসলাম বলেন বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। বাংলাদেশের আমাদের নদীর পানির ন্যায্য হিসসা আদায় করার দায়িত্ব আমাদের। সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে সরকার এই বিষয়গুলোতে দৃষ্টিপাত করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখবে। আমরা এরকম একটি দেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেটার জন্যই জুলাই গণভুত্থানে আমরা সকলেই অংশগ্রহণ করেছিলাম।

আরও পড়ুনঃ  বিদায় নিলেন ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায় বীর বীরাঙ্গনা টেপরী রানী

 

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন আমরা স্পষ্টভাবেই এটা বলতে চাই যে, বাংলাদেশের আমরা সীমান্তের ওপারে দেখছি নানা অস্থিরতা। সেখানকার মুসলমানদের নির্যাতন করা হচ্ছে, দমন-পীরণ করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশেও এটা প্রোপাগান্ডা করার চেষ্টা করা হবে- এদেশের মুসলমানরা এদেশের হিন্দুদের নির্যাতন করছে। এই মিথ্যা প্রচার করে তারা সেখানে মুসলমানদের হত্যাকাণ্ড জায়েজ করবে। কিন্তু আমরা দেখেছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও এই মাদ্রাসার ছাত্ররা মন্দির পাহারা দিয়েছিল এবং এদেশের হিন্দুদেরকে যদি কেউ কোনো ধরনের কিছু করার চেষ্টা করবে আমরা আমাদের ভাইদের রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত আছি ইনশল্লাহ। নাহিদ ইসলাম বলেন যদি শাপলা গণহত্যাকে সেই সময় আমরা ঠেকিয়ে দিতে পারতাম। সেই সময় যদি যারা এটার জন্য দায়ী সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক এলিমেন্ট তাদের যদি বিচারের আওতায় আমরা আনতে পারতাম, তার বিরুদ্ধে যদি সামগ্রিকভাবে সমাজের এবং সকল পক্ষ আমরা দাঁড়াতে পারতাম, তাহলে কিন্তু জুলাই গণহত্যা হতো না। শাপলা গণহত্যাকে কোনো না কোনোভাবে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তার প্রেক্ষাপট তৈরি করতে অনেকেই ভূমিকা রেখেছে। ফলে সেই সময় সরকারকে জবাবদিহিতা করতে পারা যায়নি বলে সরকার জুলাইতে আরেকটা গণহত্যা করার সাহস পেয়েছিল ।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরে সংবর্ধিত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিল মিয়া

২০১৩ সালে ৫ মে’র শাপলার গণহত্যার স্মৃতিচারণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘যখন এই ঘটনাটা ঘটে ২০১৩ সালে আমি তখন দশম শ্রেণীর ছাত্র। যেহেতু আমি ঢাকা শহরে বড় হয়েছি, আমি তখন স্কুলে পড়ি। এবং ঢাকা শহরে তখন একটি থমথমে রাত। আমরা বাসায় বসে টেলিভিশনে দেখছিলাম, সেখানে সব লাইট নিভিয়ে দিয়েছে আক্রমণ করতে, পুলিশ প্রস্তুতি নিচ্ছে, হঠাৎ করে দেখলাম দিগন্ত টিভি’ বন্ধ হয়ে গেল ইসলামিক টিভি’ বন্ধ হয়ে গেল এবং সেই রাতে আমরা এরপর অনেক কিছু ভাষাভাষা শুনতে পারলাম। তিনি বলেন শাপলা হত্যাকাণ্ডের অনেকগুলো ডাইমেনশন আছে। এক যুগ চলে গিয়েছে বিচারহীনতার। জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে এসে আমরা বিচারের দাবি জানাচ্ছি, এটা কিন্তু ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের দাবি না, এটা এনসিপির দাবি না, এটা বাংলাদেশের জনগণের দাবি। এনসিপির আহ্বায়ক আরো বলেন, আমাদের ভাই-বন্ধু আমাদের আত্মীয়-স্বজনরাই মাদ্রাসায় পড়ে। আমরা কেউ স্কুল-কলেজে পড়েছি। আমার ভাই-বোনেরা কেউ মাদ্রাসায় পড়েছে। এই যে তাদের আলাদা করে দেওয়ার একটা রাজনীতি; সমাজকে বিভাজিত করে দেওয়া হয়েছে। এই রাজনীতির মাধ্যমে এটার একটা রূপ আমরা দেখেছি ২০১৩ সালে শাপলা এবং শাহবাগের মধ্য দিয়ে এবং এর ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেছে সেই সময় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার।

আরও পড়ুনঃ  শুভেন্দু চাইলে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দিতে পারেন: আসিফ মাহমুদ

২০১৩ সালে শাপলা গণহত্যায় বিএনপির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘তখন হেফাজতের সাথে বিএনপি ছিল। অবশ্যই সাথে ছিল। কিন্তু বিএনপির ভূমিকা আসলে কি রকম ছিল, এই সময়ে এসে বিশ্লেষণের দাবি রাখে। দেশের জনগণের একটা বড় অংশ যখন বিপদগ্রস্ত; এরকম একটা রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হতে যাচ্ছে; রাজনৈতিক দল হিসেবে, বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির উচিত ছিল সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব নেওয়া, আরো বোল্ড ভূমিকা রাখা। তিনি বলেন, ‘‘এদেশের মুসলমান হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাইকে সবার নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় আমরা কাজ করব এবং এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং ইসলাম রক্ষায় আমরা কাজ করব।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মানিকগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র আলোচনায় মাসুদ পারভেজ

কাঁটাতার দিয়ে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করা যায় না: নাহিদ ইসলাম

আপডেটের সময়: ০৭:২২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা দেখছি যে, আমাদের সীমান্তে আবারো হত্যাকাণ্ড হচ্ছে এবং সীমান্তে আবারো নতুন করে কাঁটাতার দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তে কাঁটাতার দিয়ে এবং সীমান্তে আমার দেশের জনগণকে হত্যা করে কেউ যদি বন্ধুত্বের কথা বলে তার সাথে বন্ধুত্ব সম্ভব না। কাঁটাতার দিয়ে কারো সাথে বন্ধুত্ব করা যায় না। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এনসিপি সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘‘আমরা বিশ্বাস করি এই কাঁটাতার সেই দেশের জনগণ একদিন উপড়ে ফেলে বাংলাদেশের জনগণের সাথে বন্ধুত্ব করবে। এবং বাংলাদেশের সীমান্তকে রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। যদি সরকার ব্যর্থ হয় জনগণ সেই দায়িত্ব কিন্তু নিজ হাতে তুলে নেবে। নাহিদ ইসলাম বলেন বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। বাংলাদেশের আমাদের নদীর পানির ন্যায্য হিসসা আদায় করার দায়িত্ব আমাদের। সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে সরকার এই বিষয়গুলোতে দৃষ্টিপাত করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখবে। আমরা এরকম একটি দেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেটার জন্যই জুলাই গণভুত্থানে আমরা সকলেই অংশগ্রহণ করেছিলাম।

আরও পড়ুনঃ  ব্যবসায়ীরা চাইলে নীরব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে আমরা প্রস্তুত: ডা. শফিকুর রহমান

 

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন আমরা স্পষ্টভাবেই এটা বলতে চাই যে, বাংলাদেশের আমরা সীমান্তের ওপারে দেখছি নানা অস্থিরতা। সেখানকার মুসলমানদের নির্যাতন করা হচ্ছে, দমন-পীরণ করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশেও এটা প্রোপাগান্ডা করার চেষ্টা করা হবে- এদেশের মুসলমানরা এদেশের হিন্দুদের নির্যাতন করছে। এই মিথ্যা প্রচার করে তারা সেখানে মুসলমানদের হত্যাকাণ্ড জায়েজ করবে। কিন্তু আমরা দেখেছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও এই মাদ্রাসার ছাত্ররা মন্দির পাহারা দিয়েছিল এবং এদেশের হিন্দুদেরকে যদি কেউ কোনো ধরনের কিছু করার চেষ্টা করবে আমরা আমাদের ভাইদের রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত আছি ইনশল্লাহ। নাহিদ ইসলাম বলেন যদি শাপলা গণহত্যাকে সেই সময় আমরা ঠেকিয়ে দিতে পারতাম। সেই সময় যদি যারা এটার জন্য দায়ী সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক এলিমেন্ট তাদের যদি বিচারের আওতায় আমরা আনতে পারতাম, তার বিরুদ্ধে যদি সামগ্রিকভাবে সমাজের এবং সকল পক্ষ আমরা দাঁড়াতে পারতাম, তাহলে কিন্তু জুলাই গণহত্যা হতো না। শাপলা গণহত্যাকে কোনো না কোনোভাবে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তার প্রেক্ষাপট তৈরি করতে অনেকেই ভূমিকা রেখেছে। ফলে সেই সময় সরকারকে জবাবদিহিতা করতে পারা যায়নি বলে সরকার জুলাইতে আরেকটা গণহত্যা করার সাহস পেয়েছিল ।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব শান্তির সবচেয়ে বড় হুমকি: ইরান

২০১৩ সালে ৫ মে’র শাপলার গণহত্যার স্মৃতিচারণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘যখন এই ঘটনাটা ঘটে ২০১৩ সালে আমি তখন দশম শ্রেণীর ছাত্র। যেহেতু আমি ঢাকা শহরে বড় হয়েছি, আমি তখন স্কুলে পড়ি। এবং ঢাকা শহরে তখন একটি থমথমে রাত। আমরা বাসায় বসে টেলিভিশনে দেখছিলাম, সেখানে সব লাইট নিভিয়ে দিয়েছে আক্রমণ করতে, পুলিশ প্রস্তুতি নিচ্ছে, হঠাৎ করে দেখলাম দিগন্ত টিভি’ বন্ধ হয়ে গেল ইসলামিক টিভি’ বন্ধ হয়ে গেল এবং সেই রাতে আমরা এরপর অনেক কিছু ভাষাভাষা শুনতে পারলাম। তিনি বলেন শাপলা হত্যাকাণ্ডের অনেকগুলো ডাইমেনশন আছে। এক যুগ চলে গিয়েছে বিচারহীনতার। জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে এসে আমরা বিচারের দাবি জানাচ্ছি, এটা কিন্তু ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের দাবি না, এটা এনসিপির দাবি না, এটা বাংলাদেশের জনগণের দাবি। এনসিপির আহ্বায়ক আরো বলেন, আমাদের ভাই-বন্ধু আমাদের আত্মীয়-স্বজনরাই মাদ্রাসায় পড়ে। আমরা কেউ স্কুল-কলেজে পড়েছি। আমার ভাই-বোনেরা কেউ মাদ্রাসায় পড়েছে। এই যে তাদের আলাদা করে দেওয়ার একটা রাজনীতি; সমাজকে বিভাজিত করে দেওয়া হয়েছে। এই রাজনীতির মাধ্যমে এটার একটা রূপ আমরা দেখেছি ২০১৩ সালে শাপলা এবং শাহবাগের মধ্য দিয়ে এবং এর ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেছে সেই সময় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার।

আরও পড়ুনঃ  আগামী কাল সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন

২০১৩ সালে শাপলা গণহত্যায় বিএনপির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘তখন হেফাজতের সাথে বিএনপি ছিল। অবশ্যই সাথে ছিল। কিন্তু বিএনপির ভূমিকা আসলে কি রকম ছিল, এই সময়ে এসে বিশ্লেষণের দাবি রাখে। দেশের জনগণের একটা বড় অংশ যখন বিপদগ্রস্ত; এরকম একটা রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হতে যাচ্ছে; রাজনৈতিক দল হিসেবে, বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির উচিত ছিল সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব নেওয়া, আরো বোল্ড ভূমিকা রাখা। তিনি বলেন, ‘‘এদেশের মুসলমান হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাইকে সবার নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় আমরা কাজ করব এবং এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং ইসলাম রক্ষায় আমরা কাজ করব।