
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনি পর্যবেক্ষণ মিশন দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি হস্তক্ষেপ নয় বলে গণমাধ্যমকে উপ-প্রধান পর্যবেক্ষক ইন্তা লাসে এ কথা বলেন। এছাড়াও বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলেও সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান। আজ শনিবার সকাল দশটায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইইউ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পর্যবেক্ষক প্রধান এ কথা বলেন। ঢাকা থেকে দেশের ৬৪টি জেলার উদ্দেশে যাওয়ার মাধ্যমে নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনের কাজ শুরু করেন।
মিশনের উপ-প্রধান পর্যবেক্ষক ইন্তা লাসে বলেন,‘আমরা শুধু পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি, কোনও হস্তক্ষেপ করতে আসিনি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা আমাদের মিশনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের পর্যবেক্ষণ এবং অন্তর্দৃষ্টি নির্বাচনি প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূলায়নে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। ইইউ পর্যবেক্ষক মিশন দীর্ঘমেয়াদি ও দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণের জন্য সুসংহত ও সুপ্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকে, যা নির্বাচনি প্রক্রিয়ার একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ প্রদান করে। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা আঞ্চলিক পর্যায়ে নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং ঢাকাভিত্তিক মূল দলের বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ কার্যক্রমে সহায়তা করবেন।
ইন্তা লাসে বলেন, ‘আমাদের পর্যবেক্ষকরা দুজনের এক-একটি দল হয়ে কাজ করবেন এবং তাদের পর্যবেক্ষণ এলাকায় ভোটার, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি নাগরিক পর্যবেক্ষক ও তরুণ কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারা শুধু শহরেই নয়, ছোট শহর ও গ্রামাঞ্চলেও এসব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।’
পর্যবেক্ষকরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলো, কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আগত। তাদের মাঠ পর্যায়ে মোতায়েনের আগে বাংলাদেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক পরিবেশ, আইনি কাঠামো এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সম্যক ধারণা এবং বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে এই মিশনটি নিয়োজিত করা হয়েছে। মিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস, যিনি গত ১১ জানুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মিশনের কার্যক্রম শুরু করেন।
পর্যবেক্ষক মিশন আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচনের প্রাথমিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। পরবর্তী সময়ে সম্পূর্ণ নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রয়োজনীয় সুপারিশমালাসহ একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করা হবে। উভয় নথিই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং মিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনে ৫৬ পর্যবেক্ষক দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ করবেন পর্যবেক্ষক ইন্তা লাসে বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা আমাদের মিশনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের পর্যবেক্ষণ এবং অন্তর্দৃষ্টি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশন দীর্ঘমেয়াদি ও দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণের জন্য সুসংহত ও সুপ্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ প্রদান করে। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা আঞ্চলিক পর্যায়ে নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং ঢাকাভিত্তিক মূল দলের বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ কার্যক্রমে সহায়তা করবেন। ইন্তা লাসে বলেন, ‘আমাদের পর্যবেক্ষকরা দুইজনের এক-একটি দল হয়ে কাজ করবেন এবং তাদের পর্যবেক্ষণ এলাকায় ভোটার, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি নাগরিক পর্যবেক্ষক ও তরুণ কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারা শুধু শহরেই নয়, ছোট শহর ও গ্রামাঞ্চলেও এসব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
তিনি আরো বলেন, ‘পর্যবেক্ষকরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ, কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আগত। তাদের মাঠ পর্যায়ে মোতায়েনের আগে বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক পরিবেশ, আইনি কাঠামো এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সম্যক ধারণা এবং বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে এই মিশনটি নিয়োজিত করা হয়েছে। মিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস, যিনি ১১ জানুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মিশনের কার্যক্রম শুরু করেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশ্নের জবাবে ইন্তা লাসে বলেন, ‘আমরা আশা করি, আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ তৈরি হবে না। আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে যা আমরা অনুসরণ করি।’ মিশনের লক্ষ্য হবে নির্বাচনের প্রক্রিয়া যাচাই করা এবং সঠিকভাবে দেখতে হবে যে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আইনগুলোর প্রতি সম্মান জানানো হচ্ছে কিনা। সপ্তাহখানেক আগে, ঢাকার এক হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ইইউ মিশন তাদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে। সেখানে নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছিল।
ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইইয়াবস জানিয়েছেন, তাদের দৃষ্টিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন মানে বাংলাদেশের সকল নাগরিককে, বিশেষ করে নারী, ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু এবং আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলিকে—নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া। তিনি বলেন এছাড়া, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা একটি বিশ্বাসযোগ্য ভোটার উপস্থিতির প্রতি মনোযোগ দেব, যা নিশ্চিত করবে যে বাংলাদেশি নাগরিকরা তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছে।
এটি ২০০৮ সালের পর প্রথম পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন যেটি পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই মিশনে ২৭টি সদস্য দেশসহ কানাডা, নরওয়ে, ও সুইজারল্যান্ডের প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক অংশগ্রহণ করবেন। এই পর্যবেক্ষক দলের মধ্যে ঢাকাভিত্তিক ১১ জন বিশ্লেষক, ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক এবং ভোটের আগে ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক থাকবেন। এছাড়া, ইইউ সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদার দেশগুলোর কূটনৈতিক মিশনের পর্যবেক্ষকরাও মিশনে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। ইন্তা লাসে জানান, দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা মিশনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বাচনের কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তাদের পর্যবেক্ষণমূলক পর্যালোচনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা এবং তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নে সহায়ক হবে। এসব পর্যবেক্ষক শহর, ছোট শহর, গ্রামাঞ্চল—সবখানেই ভোটার, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং তাদের মতামত গ্রহণ করবেন।
এছাড়া, বাংলাদেশে নির্বাচনি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক পরিবেশ, আইনগত কাঠামো এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা সম্পর্কে পর্যবেক্ষকদের একটি বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের পর, ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইইউ মিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। পরবর্তীতে, প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে এবং এটি মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে ইন্তা লাসে আরও জানান, ‘মিশনটি একটি আচরণবিধির অধীনে পরিচালিত হয়, যা নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। ইইউ মিশন ২০০৫ সালের জাতিসংঘ অনুমোদিত আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















