Dhaka ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু তারাগঞ্জে জোরপূর্বক মালামাল লুটপাট করে দোকান দখলের অভিযোগ বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তারের ছয় দিন পর জামিনে মুক্ত ‘গরিবের ডাক্তার খ্যাত’ ডা. সামির হোসেন মিশু কুলিয়ারচরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: হত্যা মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেপ্তার ৭ পবায় বড়গাছী স্কুল এন্ড কলেজে বর্ণাঢ্য র্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত কুচি কুচি করে কাটার পরে বলেন আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ চালাই: শফিকুর রহমান তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন, ভারতকে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের প্রতি বছর বাজেটে আমরা স্বপ্ন দেখি, সারা বছর সেই স্বপ্নভঙ্গের ফল ভোগ করতে হয়: রুমিন ফারহানা প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিরল রোগে আক্রান্ত ইউসুফের চিকিৎসায় ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা হস্তান্তর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে চসিকের ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়

বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তারের ছয় দিন পর জামিনে মুক্ত ‘গরিবের ডাক্তার খ্যাত’ ডা. সামির হোসেন মিশু

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া: বগুড়ায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ও স্থানীয়ভাবে ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে পরিচিত ডা. সামির হোসেন মিশু জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। সোমবার সকালে বগুড়া জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানজীম আল মিজবাহ জানান, রবিবার বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ডা. সামির হোসেনের জামিন আবেদন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক কৌশিক আহমেদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, আদালত ডা. সামির হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি। এর আগে গত ২৩ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সদরের ‘মকটেল’ নামে একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডা. সামির হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে বগুড়া সদর থানায় দায়ের হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ডা. সামির হোসেনের গ্রেপ্তারের পর তার মুক্তির দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দেন।

আরও পড়ুনঃ  বালিয়াডাঙ্গীতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চূর্ণ: প্রাণ হারালেন ১, চিকিৎসাধীন ২ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক

 

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মইনুদ্দিন সে সময় সাংবাদিকদের জানান, শেরপুর সদরের ওই রেস্তোরাঁয় এক চিকিৎসকের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েছিলেন ডা. সামির হোসেন। খবর পেয়ে বিএনপির কিছু সমর্থক রেস্তোরাঁটির সামনে জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে বগুড়া সদর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।ডা. সামির হোসেন বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তাকে বাগেরহাট সরকারি মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস)-এ প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, মানবিক সহায়তা ও বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে বগুড়াজুড়ে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীর নওহাটায় ম্যাংগো লাভারের অফিসে হামলা
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তারের ছয় দিন পর জামিনে মুক্ত ‘গরিবের ডাক্তার খ্যাত’ ডা. সামির হোসেন মিশু

আপডেটের সময়: ০৯:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া: বগুড়ায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ও স্থানীয়ভাবে ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে পরিচিত ডা. সামির হোসেন মিশু জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। সোমবার সকালে বগুড়া জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানজীম আল মিজবাহ জানান, রবিবার বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ডা. সামির হোসেনের জামিন আবেদন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক কৌশিক আহমেদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, আদালত ডা. সামির হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি। এর আগে গত ২৩ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সদরের ‘মকটেল’ নামে একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডা. সামির হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে বগুড়া সদর থানায় দায়ের হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ডা. সামির হোসেনের গ্রেপ্তারের পর তার মুক্তির দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দেন।

আরও পড়ুনঃ  পত্নীতলায় শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে সচেতনামূলক র‍্যালি ও বৃক্ষরোপ কর্মসূচি পালিত

 

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মইনুদ্দিন সে সময় সাংবাদিকদের জানান, শেরপুর সদরের ওই রেস্তোরাঁয় এক চিকিৎসকের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েছিলেন ডা. সামির হোসেন। খবর পেয়ে বিএনপির কিছু সমর্থক রেস্তোরাঁটির সামনে জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে বগুড়া সদর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।ডা. সামির হোসেন বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তাকে বাগেরহাট সরকারি মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস)-এ প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, মানবিক সহায়তা ও বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে বগুড়াজুড়ে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।

আরও পড়ুনঃ  দেবিদ্বারে রাস্তার মাঝে বাস পার্কিং: ৩ পরিবহনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা