Dhaka ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিলেটে শিরিন মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ৪র্থ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে চার্টার সনদ লাভ করলো এপেক্স ক্লাব অফ মাতামুহুরি বগুড়ার সোনাতলায় পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনতাই। দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর, পিকআপ ভাঙচুর; আটক চার নারী ধুনটে মনন সাহিত্য সংগঠনের ১২২তম পাক্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত বগুড়ার ইতিহাস-ঐতিহ্যের চিত্রকর্মে সাজছে ওভারপাসের দেয়াল, পরিদর্শনে এমপি বাদশা টেকনাফে নিহত সেনাসদস্য তিতাস শেখের মৃত্যুতে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের গভীর শোক কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডীতে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী মাঠজুড়ে সোনালী ধানের সমারোহ: পাকা ধানের শীষে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক সিরাজদিখানের বালুচর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৩টি দোকান ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিডি ক্লিন টিমের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রোগীদের খাবার ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ থেকে শুরু করে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। সরজমিনে দেখা যায় আজ বুধবার(৪ নভেম্বর) স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসা নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে হাসপাতালটির সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। অভিযোগ রয়েছে, জরুরি সময়ে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে। এ ছাড়া হাসপাতাল কম্পাউন্ডের ভেতরে অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণ করে একাধিক পরিবারের বসবাসের অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিরাজগঞ্জে চরমপন্থীদের হেফাজতে থাকা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

 

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বাদল শেখ নামের এক ব্যক্তি বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। নামেই সরকারি হাসপাতাল, কিন্তু মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ অনেক চিকিৎসক বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর জন্য বিভিন্ন মালামাল ও সেবা ক্রয়কে কেন্দ্র করে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, ময়লা কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের লক্ষ্যে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) বাস্তবায়নের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। কমিটিতে তিনি নিজে সভাপতি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সহকারী অধ্যাপক, ইনসিটু) ডা. আব্দুল্লাহ আল মূতী সদস্য এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ফরহাদ আলী সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ৪ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে দরপত্র ক্রয় ও জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেল ১টায় দরপত্র খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ছয়টি গ্রুপের দরপত্র মূল্যায়ন শেষে মেসার্স সাইফুল ট্রেডার্সকে তিনটি, মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজকে দুটি এবং মেসার্স লাকি ট্রেডার্সকে একটি গ্রুপের কাজের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদনের সুপারিশ করে নির্বাচন ও স্পেসিফিকেশন কমিটি। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান তিনটিকে ছয়টি গ্রুপের মালামাল ক্রয়ের অনুমোদন দেয় বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তবে দরপত্রে অংশ নিতে ব্যর্থ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোস্তফা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী গোলাম মওলা মোস্তফা এ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে দরপত্রে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাঁর পছন্দমতো বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেন। শুধু তাই নয়, পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে হাসপাতালের ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ফলে অনেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। হাসপাতাল চত্বরে স্থাপনা নির্মাণ ও বসবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে মসজিদের ইমাম বসবাস করেন। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  লালপুর বাজারের রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সিলেটে শিরিন মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ৪র্থ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

আপডেটের সময়: ০৮:১৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রোগীদের খাবার ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ থেকে শুরু করে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। সরজমিনে দেখা যায় আজ বুধবার(৪ নভেম্বর) স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসা নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে হাসপাতালটির সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। অভিযোগ রয়েছে, জরুরি সময়ে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে। এ ছাড়া হাসপাতাল কম্পাউন্ডের ভেতরে অনুমোদনহীন স্থাপনা নির্মাণ করে একাধিক পরিবারের বসবাসের অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মৌলভীবাজারে পূর্ববিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার ঘটনায় তুহিন আহমদ (৪৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বাদল শেখ নামের এক ব্যক্তি বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। নামেই সরকারি হাসপাতাল, কিন্তু মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ অনেক চিকিৎসক বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর জন্য বিভিন্ন মালামাল ও সেবা ক্রয়কে কেন্দ্র করে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, ময়লা কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, মনিহারি পণ্য, আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন সেবা ক্রয়ের লক্ষ্যে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) বাস্তবায়নের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর। কমিটিতে তিনি নিজে সভাপতি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সহকারী অধ্যাপক, ইনসিটু) ডা. আব্দুল্লাহ আল মূতী সদস্য এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ফরহাদ আলী সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুনঃ  পতেঙ্গায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি: থানায় জিডি

 

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ৪ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে দরপত্র ক্রয় ও জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরদিন ৫ অক্টোবর বিকেল ১টায় দরপত্র খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ছয়টি গ্রুপের দরপত্র মূল্যায়ন শেষে মেসার্স সাইফুল ট্রেডার্সকে তিনটি, মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজকে দুটি এবং মেসার্স লাকি ট্রেডার্সকে একটি গ্রুপের কাজের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদনের সুপারিশ করে নির্বাচন ও স্পেসিফিকেশন কমিটি। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান তিনটিকে ছয়টি গ্রুপের মালামাল ক্রয়ের অনুমোদন দেয় বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তবে দরপত্রে অংশ নিতে ব্যর্থ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোস্তফা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী গোলাম মওলা মোস্তফা এ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, অন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে দরপত্রে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাঁর পছন্দমতো বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেন। শুধু তাই নয়, পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে হাসপাতালের ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ফলে অনেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। হাসপাতাল চত্বরে স্থাপনা নির্মাণ ও বসবাসের বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে মসজিদের ইমাম বসবাস করেন। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত