Dhaka ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রক্তাত্ত ২৮ এ অক্টোবর পালিত হয়, জামায়াত ইসলামী কক্সবাজার শহর শাখা কুলাউড়ায় জামায়াতের পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস পালিত, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ লালপুরে অনলাইন জুয়া ও আইডি হ্যাকিং চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, ৫টি মোবাইল জব্দ দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে চিলমারী উপজেলা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন লালপুরে অনলাইন জুয়া ও আইডি হ্যাকিং চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল জব্দ পুলিশের পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪। লুণ্ঠিত স্বর্ণ বিক্রির ৮৮ লাখ টাকা উদ্ধার কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন মুরাদনগর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ সিলেটে ছাত্রলীগের মিছিল প্রস্তুতিকালে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আটক

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন, ভারতকে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। একই সঙ্গে বেইজিং স্পষ্ট করেছে, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং এ সহযোগিতা বাইরের কোনো প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের উদ্বেগ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়।’ তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সহযোগিতা তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত।ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কাছাকাছি তিস্তা অববাহিকার অবস্থানের কারণে ঢাকা-বেইজিংয়ের যৌথ উদ্যোগ নিয়ে নয়াদিল্লির উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থানকে কেন্দ্র করেই ভারতের কৌশলগত সংবেদনশীলতা তৈরি হয়েছে। গুও জিয়াকুন বলেন, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন যথাসাধ্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় আরও জোরদার করতে আগ্রহী চীন। একই সঙ্গে অর্থনীতি, বাণিজ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জনকল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বিনিময় বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও চীনের বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে একটি কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করবেন।

আরও পড়ুনঃ  কাশিমপুরে পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট

তিনি বলেন, এ বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে। আগের আলোচনার তুলনায় এবার বিষয়টি আরও অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রকল্পটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত প্রমাণিত হলে চীন সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে বলেও জানিয়েছে। তিস্তাসহ বাংলাদেশের নদীগুলোর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারে ঢাকা ও বেইজিং ইতোমধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। ফলে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভবিষ্যতে কী ধরনের ঘোষণা আসে, সেদিকে ভারতের নিবিড় নজর থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার মধ্যে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তি সই হয়। এর মাধ্যমে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়। ভারতের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হলো, তিস্তা নদীর অবস্থান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের (চিকেনস নেক) কাছাকাছি। এ এলাকায় চীনের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি নয়াদিল্লির নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট বিবেচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ১৭ বছরে পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল : আইজিপি
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রক্তাত্ত ২৮ এ অক্টোবর পালিত হয়, জামায়াত ইসলামী কক্সবাজার শহর শাখা

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন, ভারতকে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের

আপডেটের সময়: ০৮:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। একই সঙ্গে বেইজিং স্পষ্ট করেছে, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং এ সহযোগিতা বাইরের কোনো প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের উদ্বেগ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়।’ তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সহযোগিতা তৃতীয় পক্ষের প্রভাবমুক্ত থাকা উচিত।ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কাছাকাছি তিস্তা অববাহিকার অবস্থানের কারণে ঢাকা-বেইজিংয়ের যৌথ উদ্যোগ নিয়ে নয়াদিল্লির উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থানকে কেন্দ্র করেই ভারতের কৌশলগত সংবেদনশীলতা তৈরি হয়েছে। গুও জিয়াকুন বলেন, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন যথাসাধ্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় আরও জোরদার করতে আগ্রহী চীন। একই সঙ্গে অর্থনীতি, বাণিজ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জনকল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বিনিময় বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও চীনের বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে একটি কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করবেন।

আরও পড়ুনঃ  প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারে বড় শিল্প গড়ার আহ্বান ডিসি জাহিদুল

তিনি বলেন, এ বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে। আগের আলোচনার তুলনায় এবার বিষয়টি আরও অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রকল্পটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত প্রমাণিত হলে চীন সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে বলেও জানিয়েছে। তিস্তাসহ বাংলাদেশের নদীগুলোর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারে ঢাকা ও বেইজিং ইতোমধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। ফলে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভবিষ্যতে কী ধরনের ঘোষণা আসে, সেদিকে ভারতের নিবিড় নজর থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার মধ্যে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তি সই হয়। এর মাধ্যমে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়। ভারতের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হলো, তিস্তা নদীর অবস্থান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের (চিকেনস নেক) কাছাকাছি। এ এলাকায় চীনের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি নয়াদিল্লির নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট বিবেচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরানে প্রতীকী জেল খাঁচায় বন্দি ডনাল্ড ট্রাম্প!