
মাসুদ রানা মাসুম,পার্বত্য ব্যুরো: বান্দরবান সদর হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি আজ বুধবার (১ জুলাই) হাসপাতাল পরিদর্শন করে ওষুধের মজুদ, ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র এবং সরবরাহ কার্যক্রম যাচাই শুরু করেছে। তদন্তের মধ্যেই স্টোরে পর্যাপ্ত ওষুধ থাকার তথ্য পাওয়া গেলেও, অনেক রোগীকে হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ না দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনার জন্য স্লিপ দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার সকাল ১১টায় তদন্ত শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর তদন্ত কমিটি হাসপাতালের স্টোর, নথিপত্র এবং সরবরাহকৃত মালামাল পর্যালোচনা করে। তদন্ত চলাকালে হাসপাতালের স্টোর কিপারের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রাথমিক তথ্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, টেন্ডারের আওতায় ক্রয়কৃত সব মালামাল এখনো হাসপাতালে পুরোপুরি পৌঁছায়নি। ফলে সরবরাহ, গ্রহণ এবং কাগজপত্রে দেখানো তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে তদন্ত চলাকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী।
এর আগে প্রায় ৪ কোটি টাকার ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় এবং অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ওষুধের প্রকৃত মজুদ, সরবরাহের অগ্রগতি, ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র এবং রোগীদের অভিযোগ যাচাই করছে। তবে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ এবং ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত অবস্থান জানা যাবে।
প্রতিবেদকের নাম 














