Dhaka ০১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ফরিদপুরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আলোচনা সভা ও মঙ্গল ‌ শোভাযাত্রা নারায়ণগঞ্জে ট্রাক চাপায় নারী পোশাকশ্রমিকের করুণ মৃত্যুতে উত্তাল শ্রমিক সংগঠন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ফরিদপুরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের শোভাযাত্রা সীমানা পেরিয়ে নতুন ইতিহাস: হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হলো দেশের প্রথম নৈশকালীন আলট্রা ম্যারাথন। দোয়ার মাহফিলের নামে ডেকে নিয়ে ভিডিও ধারণ, মাদরাসা শিক্ষককে ব্ল্যাকমেইলিং বধির বৃদ্ধাকে বাঁচাতে গিয়ে বগুড়ায় দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি, আহত প্রতিমন্ত্রী দোহাজারীতে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারে ব্যপক অভিযোগ টানা ৫ দিন ধরে বন্ধ হিলি বন্দরের আমদানি-রপ্তানি পত্নীতলায় পুলিশের অভিযানে ৫ যুবক আটক ২শত টাকার জন্য হত্যা পুলিশের অভিযানে পাঁচজন আসামি গ্রেপ্তার

ঢাকাকে বাসযোগ্য মনে হয় না: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকাল আমার নিজেরই মনে হয় যে আমি ঢাকা শহরে থাকব না; আমি আমার দেশের অন্য শহরে গিয়ে থাকব। কারণটা হচ্ছে, এটাকে আর বাসযোগ্য মনে হয় না। আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘দক্ষিণের জানালা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, “আপনি ঘর থেকে বের হলেই যে অক্সিজেন গ্রহণ করেন, সেটাও দূষিত। আপনি যদি একটি সরকারি হাসপাতালে যান, সেখানে ঢোকাই যায় না। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। সেই অবস্থা থেকে যদি আমরা বের হতে না পারি, প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামনে এগিয়ে আনতে না পারি, তাহলে এতক্ষণ যে স্বপ্নের কথা বলা হলো, সেগুলো স্বপ্নই থেকে যাবে। কারণ আমরা কি সত্যিই সেই মুক্ত বাতাস নিতে পারব তিনি বলেন, “আরো বেশিদিন যেন মানুষ বেঁচে থাকতে পারে, সেজন্য দূষণমুক্ত অক্সিজেন নিশ্চিত করা এবং বাসযোগ্য শহর ও নগর গড়ে তোলার আন্দোলন প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ: এলজিআরডি মন্ত্রীর

 

এ ধরনের উদ্যোগ নগরবাসীকে আলোড়িত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন, শুধু নাগরিকদের সচেতন করলেই হবে না। যারা নীতিনির্ধারণ করছেন, ঢাকা শহর পরিচালনা করছেন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন, তাদেরও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের পর প্রকল্প চলছে এই ঢাকা নগরীর জন্য—কিন্তু মানুষ কতটুকু উপকৃত হচ্ছে, নাগরিকরা কতটুকু উপকৃত হচ্ছে, সেই বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা দরকার। সেই বিষয়গুলো সামনে নিয়ে এগোনো দরকার। ঢাকার পরিবেশ ও নদী দূষণের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, “কলেজ জীবনে আমরা প্রায়ই বুড়িগঙ্গায় নৌকায় চড়ে ঘুরতে যেতাম। কিন্তু এখন সেই নদীর কাছেও যাওয়া যায় না। এত দূষিত, এত দুর্গন্ধ। আমার কাছে মনে হয়, ঢাকা শহরের অনেক সমস্যার মূলেই বোধহয় এই বুড়িগঙ্গা।

আরও পড়ুনঃ  এআইয়ের অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

 

বুড়িগঙ্গার পানি আজ যে অবস্থায় আছে, শীতলক্ষ্যাও প্রায় একই অবস্থার দিকে যাচ্ছে। তাহলে ঢাকা শহরের নাগরিকরা যাবে কোথায় তিনি বলেন, “চলমান উদ্যোগগুলোর পাশাপাশি কাঠামোগত পরিবর্তনও প্রয়োজন। পরিকল্পনা সঠিকভাবে নিতে হবে এবং ‘প্রজেক্ট শেষ তো সব শেষ’—এমন পরিস্থিতি যেন না হয়। ঢাকা শহরের পানির অবস্থা প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “সাম্প্রতিক এক ক্যাবিনেট বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ঢাকা শহরের পানির অবস্থা খুবই ভয়াবহ। একটি বড় অংশের পানি পানযোগ্য নয়। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হাজার মিটার নিচে নেমে যাচ্ছে। এটি ঢাকার জন্য একটি ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে। তিনি বলেন, নদীগুলোকে দূষণমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এত প্রকল্প হয়, কিন্তু বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার কোনো কার্যকর প্রকল্প তৈরি হয় না। আমি চেষ্টা করব এ বিষয়ে আলোচনা করে আমরা বুড়িগঙ্গাকে ঠিক করতে পারি কি না, তুরাগকে ঠিক করতে পারি কি না।

আরও পড়ুনঃ  ২০২৫ সালের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ফরিদপুরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আলোচনা সভা ও মঙ্গল ‌ শোভাযাত্রা

ঢাকাকে বাসযোগ্য মনে হয় না: মির্জা ফখরুল

আপডেটের সময়: ০২:০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকাল আমার নিজেরই মনে হয় যে আমি ঢাকা শহরে থাকব না; আমি আমার দেশের অন্য শহরে গিয়ে থাকব। কারণটা হচ্ছে, এটাকে আর বাসযোগ্য মনে হয় না। আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘দক্ষিণের জানালা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, “আপনি ঘর থেকে বের হলেই যে অক্সিজেন গ্রহণ করেন, সেটাও দূষিত। আপনি যদি একটি সরকারি হাসপাতালে যান, সেখানে ঢোকাই যায় না। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। সেই অবস্থা থেকে যদি আমরা বের হতে না পারি, প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামনে এগিয়ে আনতে না পারি, তাহলে এতক্ষণ যে স্বপ্নের কথা বলা হলো, সেগুলো স্বপ্নই থেকে যাবে। কারণ আমরা কি সত্যিই সেই মুক্ত বাতাস নিতে পারব তিনি বলেন, “আরো বেশিদিন যেন মানুষ বেঁচে থাকতে পারে, সেজন্য দূষণমুক্ত অক্সিজেন নিশ্চিত করা এবং বাসযোগ্য শহর ও নগর গড়ে তোলার আন্দোলন প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  এআইয়ের অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

 

এ ধরনের উদ্যোগ নগরবাসীকে আলোড়িত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন, শুধু নাগরিকদের সচেতন করলেই হবে না। যারা নীতিনির্ধারণ করছেন, ঢাকা শহর পরিচালনা করছেন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন, তাদেরও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের পর প্রকল্প চলছে এই ঢাকা নগরীর জন্য—কিন্তু মানুষ কতটুকু উপকৃত হচ্ছে, নাগরিকরা কতটুকু উপকৃত হচ্ছে, সেই বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা দরকার। সেই বিষয়গুলো সামনে নিয়ে এগোনো দরকার। ঢাকার পরিবেশ ও নদী দূষণের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, “কলেজ জীবনে আমরা প্রায়ই বুড়িগঙ্গায় নৌকায় চড়ে ঘুরতে যেতাম। কিন্তু এখন সেই নদীর কাছেও যাওয়া যায় না। এত দূষিত, এত দুর্গন্ধ। আমার কাছে মনে হয়, ঢাকা শহরের অনেক সমস্যার মূলেই বোধহয় এই বুড়িগঙ্গা।

আরও পড়ুনঃ  সরকারের ছয় মাসের গতিশীল পদক্ষেপে কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে : সেতুমন্ত্রী

 

বুড়িগঙ্গার পানি আজ যে অবস্থায় আছে, শীতলক্ষ্যাও প্রায় একই অবস্থার দিকে যাচ্ছে। তাহলে ঢাকা শহরের নাগরিকরা যাবে কোথায় তিনি বলেন, “চলমান উদ্যোগগুলোর পাশাপাশি কাঠামোগত পরিবর্তনও প্রয়োজন। পরিকল্পনা সঠিকভাবে নিতে হবে এবং ‘প্রজেক্ট শেষ তো সব শেষ’—এমন পরিস্থিতি যেন না হয়। ঢাকা শহরের পানির অবস্থা প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “সাম্প্রতিক এক ক্যাবিনেট বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ঢাকা শহরের পানির অবস্থা খুবই ভয়াবহ। একটি বড় অংশের পানি পানযোগ্য নয়। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হাজার মিটার নিচে নেমে যাচ্ছে। এটি ঢাকার জন্য একটি ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে। তিনি বলেন, নদীগুলোকে দূষণমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এত প্রকল্প হয়, কিন্তু বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার কোনো কার্যকর প্রকল্প তৈরি হয় না। আমি চেষ্টা করব এ বিষয়ে আলোচনা করে আমরা বুড়িগঙ্গাকে ঠিক করতে পারি কি না, তুরাগকে ঠিক করতে পারি কি না।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি খাত এখন আর চ্যালেঞ্জ নয় বড় সমস্যা