
তানবীরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম
টানা ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ো বাতাসের কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মঙ্গলবার ফ্লাইট পরিচালনায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের তিনটি ফ্লাইট চট্টগ্রামে অবতরণ করতে না পেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ডাইভার্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় সব আগমন ও বহির্গমন ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে চলাচল করেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দায়িত্বরত প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বিমানবন্দর এলাকায় ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। তীব্র বাতাসের কারণে রানওয়েতে নিরাপদে অবতরণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। পাশাপাশি রানওয়ের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট BS350 চট্টগ্রামে নামতে না পেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। একইভাবে শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইট G9-526 চট্টগ্রামে অবতরণে ব্যর্থ হয়ে ঢাকায় ডাইভার্ট করা হয়। এছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট BG121 চট্টগ্রামের আকাশসীমায় পৌঁছেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে পুনরায় ঢাকায় ফিরে যায়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনায় বিলম্ব বা সাময়িক পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ ফ্লাইট সূচি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির পাশাপাশি ঝড়ো বাতাস অব্যাহত থাকায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে ফ্লাইট ওঠানামাও বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদকের নাম 






















