Dhaka ১২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চার দিন দেশের আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, হতে পারে ভারি বর্ষণ ভাদুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবীন বরণ ও ক্লাস উদ্বোধন অনুষ্ঠিত চার দিন দেশের আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, হতে পারে ভারি বর্ষণ পানছড়িতে সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণে সনদ পেলেন ৩৮ প্রশিক্ষণার্থী অবৈধ ইটভাটা, পাহাড় কাটা ও বালু উত্তোলন: বান্দরবানে ৩ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা শাজাহানপুরে মাইক্রোবাস-ভুট্টাবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৭ কাদের মির্জা ও পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা রাজশাহী মহানগরীর শান্তি বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে: মাহফুজুর রহমান রিটন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ওয়াশিং ফ্যাক্টরির মেশিনে কাটা পড়ে শিশু শ্রমিকের মৃত্যু অভিযান আর জরিমানায় থামছে না মিঠাপুকুরের ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য

গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে তীব্র চাপের মুখে ইসরাইল

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:২২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১ সময় দেখুন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে গাজা যুদ্ধ নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শীর্ষ নেতারা এই বৈশ্বিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। প্রায় তিন বছর পূর্ণ করতে যাওয়া এই সংঘাতটির কারণে ইসরাইল বর্তমানে মারাত্মক কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে। সম্মেলনে বিশ্বনেতারা গাজার পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’, ‘গণহত্যা’ এবং ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ধ্বংসযজ্ঞের সমালোচনা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতা জাতিগত নির্মূলের ঝুঁকি তৈরি করছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরান, গাজা, ইউক্রেন ঘিরে উত্তপ্ত থাকবে জাতিসংঘ অধিবেশন

 

 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গাজাকে ‘শিশুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান’ ও ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ বলে অভিহিত করেন। কাতার এবং জর্ডানের শীর্ষ নেতারাও গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা ও ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। কাতারের আমীর অবিলম্বে ইসরাইলকে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানান। শুধু আরব বা মুসলিম দেশগুলোই নয়, পশ্চিমা মিত্ররাও ইসরাইলের নীতির খোলামেলা সমালোচনা করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক করিডোর না খোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি নীতি নিরাপত্তার বদলে উলটো হুমকি বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত ইরানের না মানলে চূড়ান্ত যুদ্ধের হুমকি

 

 

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার নিন্দা জানালেও বলেন যে, এটি গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের যে কর্মকাণ্ড সেটাকে বৈধতা দেয় না। এ ছাড়া ব্রাজিল, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নেতারাও কড়া ভাষায় ইসরাইলি সরকারের সমালোচনা করেন। বক্তৃতার মঞ্চের বাইরেও এই ক্ষোভ এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। কাতার, মিশর, জর্ডানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার মানবিক সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন। পাশাপাশি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ১২টি পশ্চিমা দেশ ইসরাইলি বসতি অঞ্চল থেকে আসা পণ্যের বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে র‌্যালি ও মানববন্ধন
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চার দিন দেশের আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, হতে পারে ভারি বর্ষণ

গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে তীব্র চাপের মুখে ইসরাইল

আপডেটের সময়: ০৩:২২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে গাজা যুদ্ধ নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শীর্ষ নেতারা এই বৈশ্বিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। প্রায় তিন বছর পূর্ণ করতে যাওয়া এই সংঘাতটির কারণে ইসরাইল বর্তমানে মারাত্মক কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে। সম্মেলনে বিশ্বনেতারা গাজার পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’, ‘গণহত্যা’ এবং ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ধ্বংসযজ্ঞের সমালোচনা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতা জাতিগত নির্মূলের ঝুঁকি তৈরি করছে।

আরও পড়ুনঃ  ইরান, গাজা, ইউক্রেন ঘিরে উত্তপ্ত থাকবে জাতিসংঘ অধিবেশন

 

 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গাজাকে ‘শিশুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান’ ও ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ বলে অভিহিত করেন। কাতার এবং জর্ডানের শীর্ষ নেতারাও গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা ও ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। কাতারের আমীর অবিলম্বে ইসরাইলকে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানান। শুধু আরব বা মুসলিম দেশগুলোই নয়, পশ্চিমা মিত্ররাও ইসরাইলের নীতির খোলামেলা সমালোচনা করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক করিডোর না খোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি নীতি নিরাপত্তার বদলে উলটো হুমকি বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত ইরানের না মানলে চূড়ান্ত যুদ্ধের হুমকি

 

 

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ০৭ অক্টোবর হামাসের হামলার নিন্দা জানালেও বলেন যে, এটি গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের যে কর্মকাণ্ড সেটাকে বৈধতা দেয় না। এ ছাড়া ব্রাজিল, সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নেতারাও কড়া ভাষায় ইসরাইলি সরকারের সমালোচনা করেন। বক্তৃতার মঞ্চের বাইরেও এই ক্ষোভ এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। কাতার, মিশর, জর্ডানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার মানবিক সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন। পাশাপাশি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ১২টি পশ্চিমা দেশ ইসরাইলি বসতি অঞ্চল থেকে আসা পণ্যের বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কাউনিয়ায় আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে র‌্যালি ও মানববন্ধন