Dhaka ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল কাজীর দেউড়ির ১৫৫ কেজি ওজনের কোরাল মাছ যেভাবে বিক্রি মাদক ছেড়ে তরুণদের খেলার মাঠে আসার আহ্বান জানালেন মো: পিন্টু রহমান যাদুকাটা নদীতে খেয়া পারাপার বন্ধ ইজারাদারদের দ্বন্দ্বে চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ ও পর্যটক চবি জামাল নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের এনেক্স ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন গাবতলীতে তকির বকুল তলা সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মোকামতলায় চুরির প্রস্তুতিকালে চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার পবায় দ্বীনি শিক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ‘মথুরা মারকাযুল হুদা মাদ্রাসা ইলিশা-দক্ষিণ আইচা রুটে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ভোলায় বাস মালিকদের সংবাদ সম্মেলন

শেরপুরে খাল পুনঃখননের সুফল: জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তিতে কৃষক, দ্রুত এগোচ্ছে প্রকল্পের কাজ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১২:৪২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৩৬ সময় দেখুন

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া:

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় খাল পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষি খাতে। কৃষকদের সুবিধা এবং সেচ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমেছে। আগে যেখানে হাজার হাজার একর কৃষিজমি দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকত, সেখানে এখন দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় ফসলের ক্ষতি কমছে এবং পরিত্যক্ত জমিও আবার চাষের উপযোগী হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভদ্রাবতী, চকরামপুর ও একদুলতলা খাল নিয়ে গঠিত প্রকল্পে মোট ৯.০৩ কিলোমিটার খালের মধ্যে ৪.৩৩ কিলোমিটার পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্পটির অগ্রগতি প্রায় ৫০ শতাংশ। তবে কাজের মান যাচাই ও তদারকির ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ঠিকাদারকে প্রায় ২৮ শতাংশ বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইপিজেডের নিউ মুরিং মীরা পাড়ায় জুয়ার আসর থেকে ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ

অন্যদিকে ঝাঁজর, পারভবানীপুর, মেই খাল, কৈগাড়ী ও দুধকমাড় খাল নিয়ে বাস্তবায়িত প্রকল্পে মোট ৯.০৯ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৮.৭১৫ কিলোমিটার খনন শেষ হয়েছে। বিশেষ করে ঝাঁজর এলাকার খালের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রকল্পে অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে ঠিকাদারকে ৫০ শতাংশ বিল প্রদান করা হয়েছে।

শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, খাল পুনঃখননের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। প্রকল্পের প্রতিটি অংশ নির্ধারিত নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত হওয়ার পরই পর্যায়ক্রমে বিল পরিশোধ করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানির কারণে খননকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। পানি কমে গেলে অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুরে ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের ও পুলিশ সুপারের নিকট স্মারকলিপি
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

শেরপুরে খাল পুনঃখননের সুফল: জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তিতে কৃষক, দ্রুত এগোচ্ছে প্রকল্পের কাজ

আপডেটের সময়: ১২:৪২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

এস কে সাগর মির্জা, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া:

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় খাল পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষি খাতে। কৃষকদের সুবিধা এবং সেচ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমেছে। আগে যেখানে হাজার হাজার একর কৃষিজমি দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকত, সেখানে এখন দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় ফসলের ক্ষতি কমছে এবং পরিত্যক্ত জমিও আবার চাষের উপযোগী হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুনঃ  চন্দ্রগঞ্জের হাজিরপাড়ায় পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু

উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভদ্রাবতী, চকরামপুর ও একদুলতলা খাল নিয়ে গঠিত প্রকল্পে মোট ৯.০৩ কিলোমিটার খালের মধ্যে ৪.৩৩ কিলোমিটার পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্পটির অগ্রগতি প্রায় ৫০ শতাংশ। তবে কাজের মান যাচাই ও তদারকির ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ঠিকাদারকে প্রায় ২৮ শতাংশ বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হালদা নদীতে মানুষের হাত উদ্ধার, মাথা ও শরীরের অন্যান্য অংশের সন্ধান মেলেনি

অন্যদিকে ঝাঁজর, পারভবানীপুর, মেই খাল, কৈগাড়ী ও দুধকমাড় খাল নিয়ে বাস্তবায়িত প্রকল্পে মোট ৯.০৯ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৮.৭১৫ কিলোমিটার খনন শেষ হয়েছে। বিশেষ করে ঝাঁজর এলাকার খালের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রকল্পে অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে ঠিকাদারকে ৫০ শতাংশ বিল প্রদান করা হয়েছে।

শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, খাল পুনঃখননের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। প্রকল্পের প্রতিটি অংশ নির্ধারিত নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত হওয়ার পরই পর্যায়ক্রমে বিল পরিশোধ করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানির কারণে খননকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। পানি কমে গেলে অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ডিমলায় অস্তিত্ব সংকটে চার শাখা নদী: পুনঃখনন ও অবৈধ দখল উচ্ছেদের আকুল দাবি