Dhaka ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম সাঘাটায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু, ছয় মাসের শিশুকে নিয়ে দিশেহারা পুত্রবধূ বগুড়া শহর বাইপাস করে নতুন রেলপথের উদ্যোগ কেন্দুয়ায় ৫শ টাকা পাওনার বিরোধে একজনকে কুপিয়ে হত্যা! মা-ছেলে আটক পবায় গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নিজ ঘরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে, ছোট্ট শিশুর মৃত্যু ধমকিয়ে-পিটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না: মির্জা ফখরুল নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ বিদ্যুতের দাম বাড়লো ফ্ল্যাটে মায়ের নিঃসঙ্গ মৃত্যু ছেলে সেই যুগ্মসচিবকে প্রত্যাহার

আমাদের লক্ষ্য গ্রামের মানুষকে স্বাবলম্বী করা: প্রধানমন্ত্রী

রিপন আহমদ সিলেট: সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয় এলাকায় বাসিয়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গ্রামে বাস করেন। গ্রামের মানুষকে স্বাবলম্বী করাই আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য। শনিবার (২ মে) সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয় এলাকায় বাসিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের একমাত্র জবাবদিহিতা দেশের মানুষের কাছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই একের পর এক নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে খননকৃত এই খালটি কালক্রমে বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বছর পর এটি পুনরায় খননের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। মোট ৪০ কিলোমিটার খালের মধ্যে ২৩ কিলোমিটার পুনরুদ্ধার করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প সম্পন্ন হলে প্রায় ৮০ হাজার কৃষক সরাসরি এবং আরো ১৫ লাখ কৃষক পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন। একইসঙ্গে এলাকায় বাড়তি ৭ হাজার মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শেষে আগামী নভেম্বর থেকে পুনরায় খনন কাজ শুরু হবে এবং আগামী বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। খালের দুই পাশে প্রায় ৫ হাজার গাছ রোপণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, শুধু বাসিয়া খাল নয়, সারা বাংলাদেশে এরই মধ্যে প্রায় ৬০টি জেলায় খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাঙ্গাইল থেকে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি কৃষক পরিবার বার্ষিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন, যা দিয়ে তারা সরাসরি বীজ, সার ও কীটনাশক কিনতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের কৃষকদের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ​নয়া পল্টনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

এছাড়া সরকার গঠনের মাত্র ১০ দিনের মধ্যে ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। সরকারের আরেকটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা দেশের নারীদের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম ও অন্যান্য ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানী প্রদানের কাজও শুরু হয়েছে”, যোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  কুলিয়ারচরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী ও একজন সিএনজি চালক নিহত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম

আমাদের লক্ষ্য গ্রামের মানুষকে স্বাবলম্বী করা: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৩:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

রিপন আহমদ সিলেট: সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয় এলাকায় বাসিয়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গ্রামে বাস করেন। গ্রামের মানুষকে স্বাবলম্বী করাই আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য। শনিবার (২ মে) সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয় এলাকায় বাসিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের একমাত্র জবাবদিহিতা দেশের মানুষের কাছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই একের পর এক নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে খননকৃত এই খালটি কালক্রমে বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বছর পর এটি পুনরায় খননের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। মোট ৪০ কিলোমিটার খালের মধ্যে ২৩ কিলোমিটার পুনরুদ্ধার করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ, পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প সম্পন্ন হলে প্রায় ৮০ হাজার কৃষক সরাসরি এবং আরো ১৫ লাখ কৃষক পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন। একইসঙ্গে এলাকায় বাড়তি ৭ হাজার মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শেষে আগামী নভেম্বর থেকে পুনরায় খনন কাজ শুরু হবে এবং আগামী বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। খালের দুই পাশে প্রায় ৫ হাজার গাছ রোপণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, শুধু বাসিয়া খাল নয়, সারা বাংলাদেশে এরই মধ্যে প্রায় ৬০টি জেলায় খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাঙ্গাইল থেকে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি কৃষক পরিবার বার্ষিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন, যা দিয়ে তারা সরাসরি বীজ, সার ও কীটনাশক কিনতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের কৃষকদের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুতের দাম বাড়লো

এছাড়া সরকার গঠনের মাত্র ১০ দিনের মধ্যে ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। সরকারের আরেকটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা দেশের নারীদের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম ও অন্যান্য ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানী প্রদানের কাজও শুরু হয়েছে”, যোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ঈদ-পরবর্তী সময়েও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর বান্দরবান