
মোঃ সাকিবুল ইসলাম বরিশাল: পরিবার-পরিজনের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তাই আজ সোমবার সকাল থেকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে বেড়েছে যাত্রীবাহী পরিবহনের চাপ। বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ থেকে যথাসময়ে বিভিন্ন পরিবহনের বাসগুলো যাত্রীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকরা। অন্তর নামে এক কাউন্টার ম্যানেজার জানিয়েছেন, ঈদের ছুটি শেষ হলেও মানুষের চাপ সেইভাবে পরিবহনগুলোতে লক্ষ্য করা যায়নি।
তবে আগামী শুক্র ও শনিবার অর্থাৎ ২৭ ও ২৮ মার্চ ঢাকামুখী মানুষের চাপ থাকবে, এটা বোঝা যাচ্ছে। কারণ দুই দিন পরে ২৬ মার্চের ছুটি, আর এর পরেই শুক্র ও শনিবারের ছুটি। যারা এবার ঈদ করতে বাড়িতে এসেছেন, তারা সেই ছুটির হিসাব কষেই এসেছেন। আর এখন যারা ফিরে যাচ্ছেন, তারা অনেকটা স্বস্তিতে যেমন যাচ্ছেন, তেমনি তাদের ঢাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য রয়েছে। অর্থাৎ এখন যারা ঢাকায় ফিরছেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ব্যবসায়ী ও প্রাইভেট সেক্টরের চাকরিজীবী। তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ের ভাড়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক নজরদারি থাকায় বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। একই কথা জানিয়েছেন যাত্রীরা।
মহসিন নামে এক যাত্রী বলেন, বড় কোম্পানির পরিবহনগুলোতে আগামী শনিবার পর্যন্ত কোনো টিকিট মিলছে না, সব টিকিট আগে থেকে বুকিং হয়ে গেছে, তাই আজ আগেভাগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। তেমন একটা চাপ না থাকায় কিছুটা স্বস্তিতেই হবে এ যাত্রা। এদিকে পরিবহন চালকরা বলছেন, মহাসড়কে ঈদের পরের দিনের থেকে আজ যানবাহনের চাপ অনেকটা বেশি, তবে মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়ানো অবৈধ থ্রি-হুইলারসহ বিভিন্ন যানবাহনের কারণে যাত্রীদের নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকটাই বেগ পোহাতে হয়। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কামনা করেছেন তারা।
এদিকে বরিশালের জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন জানিয়েছেন, রাজধানীমুখী মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে এবং যাত্রী হয়রানি ও ভাড়ার নৈরাজ্য ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে, মাঠ পর্যায়ে তদারকি চলছে।
আশা করি যাত্রীরা নিরাপদেই কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন।
প্রতিবেদকের নাম 


















