Dhaka ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
স্বর্ণবার বেনাপোল দিয়ে ভারতে পাচারের সময় কাস্টম থেকে আটক ১ পাসপোর্টধারী জুলাই থেকে গণঅভ্যুত্থান বদলে যাওয়া বাংলাদেশের ইতিহাসের মোড় মান্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা চিলমারীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত মান্দায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন আটোয়ারীতে সন্ধ্যা নামলেও নামেনি জাতীয় পতাকা, ২৬ নং গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবহেলা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শাজাহানপুরে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য: প্রধানমন্ত্রী ইতিহাসের মোড় ঘোরানো অভ্যুত্থান

জুলাই আন্দোলনে কোনো একক ‘মাস্টারমাইন্ড’ নেই: ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের কোনো একক মাস্টারমাইন্ড নেই। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হাজার হাজার নির্যাতিত মানুষ। আন্দোলনের কৃতিত্ব পুরো জাতির, আর নেতৃত্বের কৃতিত্ব ছাত্র-তরুণ সমাজের। এই কৃতিত্ব নিয়ে টানাটানি করা উচিত নয়। আজ বুধবার (৫আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ১১ দল আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত যারা জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, গুম, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, শহিদরা কোনো দলের সম্পদ নন, তারা জাতির সম্পদ। তাদের নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না। এ সময় জুলাই আন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন, শহিদ পরিবারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান জামায়াতের আমির। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষমতায় এসে তার অনেকগুলোই বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আগে ইচ্ছাকৃতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তার মতে, যাতে মূল্যবৃদ্ধিকে যৌক্তিক হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। যদি দাম বাড়ানোর পর সংকট দূর করা সম্ভব হয়, তাহলে দাম না বাড়িয়েই কেন সেই সংকটের সমাধান করা হয় না? এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বদলে তাদের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আন্দোলনের ঘোষণা জামায়াতের আমির বলেন, যেখানেই জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন হবে, অন্যায়-অবিচার ও দমন-পীড়ন হবে, সেখানেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বাংলার মাটিতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। জনগণের মতামত উপেক্ষা করলে অতীতের মতোই তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও শক্তিশালী হবে: নাহিদ ইসলাম

 

তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও জনগণের অধিকারভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমরা বলতে চাই, বিভেদ সৃষ্টি করবেন না। আপনার চারপাশের লোকজন থেকেই আপনার বিপদ, আমাদের কাছ থেকে কোনো বিপদ নেই। আমরা বিদেশি প্রভাবমুক্ত একটি বাংলাদেশ চাই বলেই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। নিরাপদ দেশ গড়তে প্রয়োজন হলে আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আজ মানুষের একটাই দাবি- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় পাঁচ বছর নয়, পাঁচ মাসের মধ্যেই সরকারের পতন ঘটানো হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। বাংলাদেশের মালিকানা কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এ দেশের জনগণের। এখন লড়াই শহীদদের বিচার, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। জনগণকে গ্যাস-বিদ্যুৎসহ মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে, টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ করতে হবে। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ৫ আগস্ট মানেই মুক্তি ও গণশক্তির উত্থান। জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে আলাদা করার চেষ্টা করা হয়েছে। জুলাই ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও পথ দেখাবে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, শেখ হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে ভারতীয় আধিপত্যেরও অবসান হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে আবারও সেই প্রভাবের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। গুমের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সেই পুলিশ বাহিনীকেই তদন্তের দায়িত্ব দিলে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে না। জুলাই আন্দোলন শেষ হয়নি, প্রয়োজনে নতুন করে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসাইন, ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত উল্লাহ টুটুল, জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ  চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্বর্ণবার বেনাপোল দিয়ে ভারতে পাচারের সময় কাস্টম থেকে আটক ১ পাসপোর্টধারী

জুলাই আন্দোলনে কোনো একক ‘মাস্টারমাইন্ড’ নেই: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেটের সময়: ০৫:১২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের কোনো একক মাস্টারমাইন্ড নেই। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হাজার হাজার নির্যাতিত মানুষ। আন্দোলনের কৃতিত্ব পুরো জাতির, আর নেতৃত্বের কৃতিত্ব ছাত্র-তরুণ সমাজের। এই কৃতিত্ব নিয়ে টানাটানি করা উচিত নয়। আজ বুধবার (৫আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ১১ দল আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত যারা জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, গুম, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, শহিদরা কোনো দলের সম্পদ নন, তারা জাতির সম্পদ। তাদের নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না। এ সময় জুলাই আন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন, শহিদ পরিবারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান জামায়াতের আমির। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষমতায় এসে তার অনেকগুলোই বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আগে ইচ্ছাকৃতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তার মতে, যাতে মূল্যবৃদ্ধিকে যৌক্তিক হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। যদি দাম বাড়ানোর পর সংকট দূর করা সম্ভব হয়, তাহলে দাম না বাড়িয়েই কেন সেই সংকটের সমাধান করা হয় না? এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বদলে তাদের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আন্দোলনের ঘোষণা জামায়াতের আমির বলেন, যেখানেই জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন হবে, অন্যায়-অবিচার ও দমন-পীড়ন হবে, সেখানেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বাংলার মাটিতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। জনগণের মতামত উপেক্ষা করলে অতীতের মতোই তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায় না: কর্নেল অলি

 

তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও জনগণের অধিকারভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমরা বলতে চাই, বিভেদ সৃষ্টি করবেন না। আপনার চারপাশের লোকজন থেকেই আপনার বিপদ, আমাদের কাছ থেকে কোনো বিপদ নেই। আমরা বিদেশি প্রভাবমুক্ত একটি বাংলাদেশ চাই বলেই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। নিরাপদ দেশ গড়তে প্রয়োজন হলে আমরা সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আজ মানুষের একটাই দাবি- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় পাঁচ বছর নয়, পাঁচ মাসের মধ্যেই সরকারের পতন ঘটানো হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। বাংলাদেশের মালিকানা কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এ দেশের জনগণের। এখন লড়াই শহীদদের বিচার, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। জনগণকে গ্যাস-বিদ্যুৎসহ মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে, টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ করতে হবে। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ৫ আগস্ট মানেই মুক্তি ও গণশক্তির উত্থান। জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে আলাদা করার চেষ্টা করা হয়েছে। জুলাই ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও পথ দেখাবে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, শেখ হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে ভারতীয় আধিপত্যেরও অবসান হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে আবারও সেই প্রভাবের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। গুমের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সেই পুলিশ বাহিনীকেই তদন্তের দায়িত্ব দিলে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে না। জুলাই আন্দোলন শেষ হয়নি, প্রয়োজনে নতুন করে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসাইন, ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত উল্লাহ টুটুল, জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ  সারাদেশে যাচ্ছে চন্দনাইশের বিখ্যাত কাঞ্চন পেয়ারা