Dhaka ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বান্দরবানে উন্নয়ন ও সমন্বয় জোরদারে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দ্রুতই প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী মার্কিন নৌ-অবরোধ না তুললে লোহিত সাগরের বাণিজ্য পথ বন্ধের হুমকি ইরানের উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে হোসেনপুরে মতবিনিময় সভা ডলুপাড়ায় সাংগ্রাইয়ের জলকেলি: মন্ত্রী-এমপির উপস্থিতিতে সম্প্রীতির মহোৎসব লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ ধামইরহাটে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এলজিইডি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: নীরব দপ্তর, ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫

চৈত্রের বিদায়, বৈশাখের আহ্বান: পার্বত্য অঞ্চলে নজিরবিহীন উৎসবের প্রস্তুতি

মাসুদ রানা মাসুম, নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ চৈত্রের শেষ দিন। বছরের শেষ বিকেলটায় পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়-নদী-ঝিরিগুলো যেন এক অদ্ভুত নীরব সৌন্দর্যে বিদায় জানাচ্ছে পুরনো সময়কে। আর সেই নীরবতার ভেতরেই ধীরে ধীরে জমে উঠছে নতুন বছরের উচ্ছ্বাস—আগামীকাল পহেলা বৈশাখ।

তবে এবার উৎসবটি অন্যবারের মতো নয়—বরং নজিরবিহীন আয়োজনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে পুরো পার্বত্য জনপদ। মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা সহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই, বৈসু ও বিজু উৎসবের সঙ্গে বাঙালির পহেলা বৈশাখ একসাথে মিলেমিশে তৈরি করেছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক বন্ধন।

আরও পড়ুনঃ  অজ্ঞাত মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে সহায়তা চায় সিআইডি

জেলা সদরের রাজার মাঠ থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত পাহাড়ি পাড়াগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রঙিন পোশাক, পানির খেলা, ঐতিহ্যবাহী খাবার আর নৃত্যগীত—সব মিলিয়ে পুরো অঞ্চল যেন উৎসবের এক জীবন্ত ক্যানভাসে রূপ নিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বর্ণাঢ্য আয়োজনে ধামইরহাটে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ

স্থানীয়দের ভাষায়, “এবারের আয়োজন শুধু উৎসব নয়, এটি একতার প্রতীক।” দীর্ঘদিনের বিভাজন ভুলে একসাথে উদযাপনের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা।

প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। ফলে উৎসব ঘিরে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সবাই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রুমায় বম জনগোষ্ঠীর পাশে সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ

পুরনো বছরের ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বৈশাখকে বরণ করতে প্রস্তুত পার্বত্য অঞ্চল। চৈত্রের শেষ সূর্যাস্ত যেন এক নতুন সূর্যের প্রতিশ্রুতি—যেখানে মিলবে সংস্কৃতি, সম্প্রীতি আর নতুন সম্ভাবনার আলো।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বান্দরবানে উন্নয়ন ও সমন্বয় জোরদারে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চৈত্রের বিদায়, বৈশাখের আহ্বান: পার্বত্য অঞ্চলে নজিরবিহীন উৎসবের প্রস্তুতি

আপডেটের সময়: ০২:৪৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মাসুদ রানা মাসুম, নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ চৈত্রের শেষ দিন। বছরের শেষ বিকেলটায় পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়-নদী-ঝিরিগুলো যেন এক অদ্ভুত নীরব সৌন্দর্যে বিদায় জানাচ্ছে পুরনো সময়কে। আর সেই নীরবতার ভেতরেই ধীরে ধীরে জমে উঠছে নতুন বছরের উচ্ছ্বাস—আগামীকাল পহেলা বৈশাখ।

তবে এবার উৎসবটি অন্যবারের মতো নয়—বরং নজিরবিহীন আয়োজনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে পুরো পার্বত্য জনপদ। মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা সহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই, বৈসু ও বিজু উৎসবের সঙ্গে বাঙালির পহেলা বৈশাখ একসাথে মিলেমিশে তৈরি করেছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক বন্ধন।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধায় সেচ পাম্প চালু করতে গিয়ে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক জনের মৃত্যু

জেলা সদরের রাজার মাঠ থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত পাহাড়ি পাড়াগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রঙিন পোশাক, পানির খেলা, ঐতিহ্যবাহী খাবার আর নৃত্যগীত—সব মিলিয়ে পুরো অঞ্চল যেন উৎসবের এক জীবন্ত ক্যানভাসে রূপ নিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বরিশালের হিজলায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ। 

স্থানীয়দের ভাষায়, “এবারের আয়োজন শুধু উৎসব নয়, এটি একতার প্রতীক।” দীর্ঘদিনের বিভাজন ভুলে একসাথে উদযাপনের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা।

প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। ফলে উৎসব ঘিরে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সবাই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বর্ণাঢ্য আয়োজনে ধামইরহাটে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ

পুরনো বছরের ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বৈশাখকে বরণ করতে প্রস্তুত পার্বত্য অঞ্চল। চৈত্রের শেষ সূর্যাস্ত যেন এক নতুন সূর্যের প্রতিশ্রুতি—যেখানে মিলবে সংস্কৃতি, সম্প্রীতি আর নতুন সম্ভাবনার আলো।