Dhaka ০৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভোলার প্রথম সাংবাদিক আবু তাহেরকে সংবর্ধনা দিল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬ চাটমোহর প্রেসক্লাবে দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন – সভাপতি টুকুন, সম্পাদক কিংশুক নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বালুভর্তি ১৪টি ট্রাক আটক বগুড়ার ধুনটে গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩ জন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড গাজীপুরে পুলিশি অভিযানে আসামি ধরতে গিয়ে স্বর্ণ-টাকা উধাও? ‎শিবগঞ্জে পৈতৃক জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকির দাবি কেরানীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নিপুণ রায় চৌধুরী গাইবান্ধায় ৩২৫ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রী গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের মাতামুহুরীতে চাঞ্চল্যকর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ডাকাতির মূলহোতা জিসান গ্রেফতার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৯ সময় দেখুন

মোঃরাসেল বিশেষ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ও মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা ও প্রধান অভিযুক্ত জিসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পুলিশের একটি চৌকস দল দীর্ঘ অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা নজরদারির পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে। পুলিশের তদন্ত দল জানায়, মামলার প্রধান আসামি জিসান গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন তার অবস্থান পরিবর্তন করছিল। গতকাল গোপন সংবাদ আসে যে, জিসান উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। খবর পাওয়া মাত্রই চকরিয়া ও মাতামুহুরী থানা পুলিশের একাধিক টিম সমন্বিতভাবে পুরো এলাকা ঘেরাও করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জিসান পালানোর চেষ্টা করলেও ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে আভিযানিক দল।

আরও পড়ুনঃ  পল্টনে হোটেল সিগালে আশ্রমের উদ্যোগে 'মুক্ত মতবিনিময়' সভা: বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তোলার বড় পরিকল্পনা

 

অভিযান শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) গণমাধ্যমকে জানান, “জিসান এই জঘন্য অপরাধের মূল পরিকল্পনাকারী এবং মাঠ পর্যায়ের মূলহোতা। সে অস্ত্র ও ডাকাতির মামলায় এর আগেও জেল খেটেছে। জামিনে বের হয়েই সে পুনরায় এই দলবদ্ধ অপরাধ সংগঠিত করে। তাকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এই মামলার সমস্ত প্রধান আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হলো। জিসানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। আজ শনিবার তাকে সুনির্দিষ্ট রিমান্ড আবেদনসহ কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। উল্লেখ্য, গত জুন মাসের শুরুর দিকে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনীঘোনা এলাকার একটি প্রবাসী পরিবারে মধ্যরাতে জানালার গ্রিল কেটে একদল সশস্ত্র ডাকাত প্রবেশ করে। ডাকাতদল পরিবারের সবাইকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল লুট করে। লুটপাটের একপর্যায়ে ওই বাড়ির গৃহবধূ ও তার কিশোরী স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নির্মমভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েতসহ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করে আদালতে পাঠায়।

আরও পড়ুনঃ  কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণে রেকর্ড আবেদন

 

এদিকে ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মূলহোতাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। একই সাথে তারা এই অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যেক আসামির সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, “অপরাধীর কোনো দলীয় বা সামাজিক পরিচয় হতে পারে না; অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে একজন সমাজবিরোধী অপরাধী।” এলাকায় স্থায়ী শান্তি, শৃঙ্খলা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এমন আপসহীন ও কঠোর ভূমিকা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  পত্নীতলায় আনসার- ভিডিপি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান,প্রশিক্ষণার্থীদের উচ্ছ্বাস
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভোলার প্রথম সাংবাদিক আবু তাহেরকে সংবর্ধনা দিল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন

কক্সবাজারের মাতামুহুরীতে চাঞ্চল্যকর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ডাকাতির মূলহোতা জিসান গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ০৭:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

মোঃরাসেল বিশেষ প্রতিনিধি: কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ও মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা ও প্রধান অভিযুক্ত জিসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পুলিশের একটি চৌকস দল দীর্ঘ অনুসন্ধান ও গোয়েন্দা নজরদারির পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে। পুলিশের তদন্ত দল জানায়, মামলার প্রধান আসামি জিসান গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন তার অবস্থান পরিবর্তন করছিল। গতকাল গোপন সংবাদ আসে যে, জিসান উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। খবর পাওয়া মাত্রই চকরিয়া ও মাতামুহুরী থানা পুলিশের একাধিক টিম সমন্বিতভাবে পুরো এলাকা ঘেরাও করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জিসান পালানোর চেষ্টা করলেও ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে আভিযানিক দল।

আরও পড়ুনঃ  পল্টনে হোটেল সিগালে আশ্রমের উদ্যোগে 'মুক্ত মতবিনিময়' সভা: বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তোলার বড় পরিকল্পনা

 

অভিযান শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) গণমাধ্যমকে জানান, “জিসান এই জঘন্য অপরাধের মূল পরিকল্পনাকারী এবং মাঠ পর্যায়ের মূলহোতা। সে অস্ত্র ও ডাকাতির মামলায় এর আগেও জেল খেটেছে। জামিনে বের হয়েই সে পুনরায় এই দলবদ্ধ অপরাধ সংগঠিত করে। তাকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এই মামলার সমস্ত প্রধান আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হলো। জিসানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। আজ শনিবার তাকে সুনির্দিষ্ট রিমান্ড আবেদনসহ কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। উল্লেখ্য, গত জুন মাসের শুরুর দিকে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনীঘোনা এলাকার একটি প্রবাসী পরিবারে মধ্যরাতে জানালার গ্রিল কেটে একদল সশস্ত্র ডাকাত প্রবেশ করে। ডাকাতদল পরিবারের সবাইকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল লুট করে। লুটপাটের একপর্যায়ে ওই বাড়ির গৃহবধূ ও তার কিশোরী স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নির্মমভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েতসহ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করে আদালতে পাঠায়।

আরও পড়ুনঃ  নোয়াপাড়ায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে জশনে জুলুশ ও মিলাদ মাহফিল

 

এদিকে ঘটনার পর দ্রুততম সময়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মূলহোতাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। একই সাথে তারা এই অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যেক আসামির সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, “অপরাধীর কোনো দলীয় বা সামাজিক পরিচয় হতে পারে না; অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে একজন সমাজবিরোধী অপরাধী।” এলাকায় স্থায়ী শান্তি, শৃঙ্খলা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এমন আপসহীন ও কঠোর ভূমিকা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৩০ হাজার টাকা