Dhaka ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাজশাহীর বাঘায় ১২৫ বোতল ফেয়ারডিলসহ তিনজন গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জ তেঘরিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত: তৃণমূলকে শক্তিশালী করার আহ্বান সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রংপুরে আসছে পুলিশের বিশেষ কিউআরটি টিম কোনাবাড়ীতে নাসির পালোয়ান হত্যা মামলার আসামি  গ্রেফতার রাস্তার পাশের ডোবাই অজ্ঞাত ব্যক্তি পঁচা গলা লাশ উদ্ধার চাঞ্চল্য পত্নীতলায় মাদারগঞ্জে নিজ ঘরে ফল ব্যবসায়ীর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার একক লড়াই স্থানীয় নির্বাচনে কতটা প্রস্তুত এনসিপি স্বৈরাচার হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো ইচ্ছা নেই: তথ্যমন্ত্রী

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৩ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পুলিশ বাহিনীতে থাকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের দক্ষ সদস্যদের কাজে লাগিয়ে এই ইউনিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ইউনিট ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে অ্যাডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হলেও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই : এলজিআরডি মন্ত্রী

 

তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, আইটি ও কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে। পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে। মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কার্যকরভাবে দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে সাইবার স্পেসসহ যেকোনো অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  প্রতিশোধপরায়ণ হইনি, হতে চাই না : আইনমন্ত্রী

 

সভায় পুলিশ স্টাফ কলেজের ভূমি ব্যবহারে এমআরটির প্রস্তাব, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কোর্সের বৈদেশিক অংশের জন্য অর্থ বরাদ্দ, কলেজের অধীনে পূর্ণাঙ্গ ও স্বতন্ত্র গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং কলেজের বিধিসমূহের সরকারি অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণকে পদোন্নতি ও পদায়নের অগ্রাধিকার শর্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, আন্তর্জাতিক পুলিশ একাডেমিগুলোর সংগঠন INTERPA-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে প্রশিক্ষণ আয়োজন ও বিদেশে প্রশিক্ষণার্থী পাঠানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স ও মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিচালনা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএটিসির রেক্টর সাঈদ মাহবুব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে : আইনমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাজশাহীর বাঘায় ১২৫ বোতল ফেয়ারডিলসহ তিনজন গ্রেপ্তার

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৩:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পুলিশ বাহিনীতে থাকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের দক্ষ সদস্যদের কাজে লাগিয়ে এই ইউনিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ইউনিট ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে অ্যাডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হলেও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নিরাপদ খাদ্য গড়ে তুলতে পারে সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম: খাদ্যমন্ত্রী

 

তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, আইটি ও কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে। পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে। মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কার্যকরভাবে দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে সাইবার স্পেসসহ যেকোনো অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো ইচ্ছা নেই: তথ্যমন্ত্রী

 

সভায় পুলিশ স্টাফ কলেজের ভূমি ব্যবহারে এমআরটির প্রস্তাব, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কোর্সের বৈদেশিক অংশের জন্য অর্থ বরাদ্দ, কলেজের অধীনে পূর্ণাঙ্গ ও স্বতন্ত্র গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং কলেজের বিধিসমূহের সরকারি অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণকে পদোন্নতি ও পদায়নের অগ্রাধিকার শর্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, আন্তর্জাতিক পুলিশ একাডেমিগুলোর সংগঠন INTERPA-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে প্রশিক্ষণ আয়োজন ও বিদেশে প্রশিক্ষণার্থী পাঠানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স ও মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিচালনা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএটিসির রেক্টর সাঈদ মাহবুব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে : আইনমন্ত্রী