Dhaka ১১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
হিলিতে মাদক মামলায় নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ৪০ লাখ টাকার হেরোইনসহ, এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব প্রতিটি জেলা পরিষদের দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন কাউনিয়ায় পাকা সেতু না থাকায় ডিঙি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় কৃষক ছানোয়ার হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার মহড়া অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় পাথরবোঝাই ট্রাকের চাপায় স্কুলশিক্ষক নিহত মিসেস মাম্যাচিংকে গণসংবর্ধনা, বান্দরবানে হাজার হাজার নেতাকর্মীর আনন্দ মিছিল চা বাগান প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাসে চা শ্রমিকদের মজুরি এখনো ২০০ টাকা নির্ধারণ হয় নি। লালপুরে ফুটবল খেলায় অতিথি না করায় ভুয়া ‘১৪৪ ধারা’ জারি, ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, বিপাকে ক্রেতারা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:৫২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৪ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। একই সঙ্গে ডিমের দাম বেড়ে ডজনপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার খরচ বেড়েই চলেছে। হিমশিম খাচ্ছেন সংসার চালাতে গিয়ে। সরেজমিনে দেখা যায় আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে এমন চিত্র। বাজার ও এলাকাভেদে পণ্যের দামে কিছুটা পার্থক্যও দেখা যায়। মাংসের বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দামে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০, ট্যাংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে মিলছে।

আরও পড়ুনঃ  এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি। ইলিশের দামও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকায়। ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ৩ হাজার টাকা। ক্রেতারা বলছেন, ২৫০ টাকার নিচে এখন কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তেলাপিয়াও কেজিপ্রতি আড়াইশ টাকা। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাজার করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। বিক্রেতারা জানান, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমলেও পরদিন আবার দাম বেড়ে যায়। যেদিন যেমন আসে সেদিন তেমন দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছ, মুরগি ও ডিম কিনতেই এখন বড় অঙ্কের টাকা খরচ হচ্ছে। এক পণ্যের দাম কিছুটা কমলেও অন্যটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। অথচ আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন কয়েক দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা।

আরও পড়ুনঃ  তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন

 

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

হিলিতে মাদক মামলায় নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার

নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, বিপাকে ক্রেতারা

আপডেটের সময়: ০৩:৫২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। একই সঙ্গে ডিমের দাম বেড়ে ডজনপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার খরচ বেড়েই চলেছে। হিমশিম খাচ্ছেন সংসার চালাতে গিয়ে। সরেজমিনে দেখা যায় আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে এমন চিত্র। বাজার ও এলাকাভেদে পণ্যের দামে কিছুটা পার্থক্যও দেখা যায়। মাংসের বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দামে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০, ট্যাংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে মিলছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘শক্তিশালী অবস্থানে’ থেকে যুদ্ধ শেষ করতে চান ইরানের প্রেসিডেন্ট

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি। ইলিশের দামও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকায়। ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ৩ হাজার টাকা। ক্রেতারা বলছেন, ২৫০ টাকার নিচে এখন কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তেলাপিয়াও কেজিপ্রতি আড়াইশ টাকা। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাজার করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। বিক্রেতারা জানান, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমলেও পরদিন আবার দাম বেড়ে যায়। যেদিন যেমন আসে সেদিন তেমন দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছ, মুরগি ও ডিম কিনতেই এখন বড় অঙ্কের টাকা খরচ হচ্ছে। এক পণ্যের দাম কিছুটা কমলেও অন্যটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। অথচ আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন কয়েক দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা।

আরও পড়ুনঃ  তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন