Dhaka ০৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মানুষ বলছে আর কখনো বিএনপিকে ভোট দেব না: অলি আহমদ পতেঙ্গায় আবুল হোসেন ভুয়া প্রেসক্রিপশন ও ফিটনেস সার্টিফিকেটের রমরমা ব্যবসা কুমিল্লায় মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধসহ নিহত ২ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ বাঁশখালীতে শিক্ষক সংকট প্রকট, প্রাথমিকে শূন্য ১৮৭ পদ ধামইরহাটে কবর খুঁড়ে মুক্তিযোদ্ধার কঙ্কাল চুরি, জড়িত স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী সপ্তম শ্রেণির সেই স্বপ্ন, আজ আল-আজহারের পথে শওকত উৎসবমুখর পরিবেশে ধনবাড়ী উপজেলার ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে বৃদ্ধার মৃত্যু, লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত ফরিদপুরে গ্রেফতার ভাটারা থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাহিন গ্রেপ্তার

পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে ব‍্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের ‘পুশ ইন’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঢাকা সফররত উচ্চপর্যায়ের একটি মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, প্রতিবেশি রাজ্যের ক্ষমতার পালাবদল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলুক, তা সরকার হতে দেবে না এবং সীমান্ত সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত তিস্তা চুক্তির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের আমলে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার ভারত সরকারের। বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে এই চুক্তির অপেক্ষায় থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিল্লির ওপরই নির্ভর করছে। তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে। তিস্তা পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা রয়েছে, তা ভারত সরকার সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুনঃ  সরকারের ছয় মাসের গতিশীল পদক্ষেপে কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে : সেতুমন্ত্রী

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে বলেন, আগামী জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধুপ্রতীম দেশ চীন অথবা ভারত সফরে যেতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সম্ভাব্য সফরগুলো বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে চীন সফরের সময় তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কৃষি ও অর্থনীতি রক্ষায় তিস্তা নদী কেন্দ্রিক যে বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি এই সফরে অগ্রাধিকার পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং মানবাধিকারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অংশীদার হিসেবে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। সরকারের লক্ষ্য হলো সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে বেগবান করা।

আরও পড়ুনঃ  ২০২৫ সালের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মানুষ বলছে আর কখনো বিএনপিকে ভোট দেব না: অলি আহমদ

পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে ব‍্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৬:০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের ‘পুশ ইন’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঢাকা সফররত উচ্চপর্যায়ের একটি মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, প্রতিবেশি রাজ্যের ক্ষমতার পালাবদল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলুক, তা সরকার হতে দেবে না এবং সীমান্ত সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত তিস্তা চুক্তির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের আমলে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার ভারত সরকারের। বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে এই চুক্তির অপেক্ষায় থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিল্লির ওপরই নির্ভর করছে। তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে। তিস্তা পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা রয়েছে, তা ভারত সরকার সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি খাত এখন আর চ্যালেঞ্জ নয় বড় সমস্যা

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে বলেন, আগামী জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধুপ্রতীম দেশ চীন অথবা ভারত সফরে যেতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সম্ভাব্য সফরগুলো বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে চীন সফরের সময় তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কৃষি ও অর্থনীতি রক্ষায় তিস্তা নদী কেন্দ্রিক যে বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি এই সফরে অগ্রাধিকার পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং মানবাধিকারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অংশীদার হিসেবে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। সরকারের লক্ষ্য হলো সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে বেগবান করা।

আরও পড়ুনঃ  এআইয়ের অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী