Dhaka ০৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তথ্য নিতে এসে ওসির ধমক খেলেন সাংবাদিক, মধ্যস্থতাকারীদের দিয়ে ঘটনা ‘দফারফা’র অভিযোগ! নজিপুর পৌরসভা রুকন সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদযাপন স্বর্ণগ্রাম-দাড়িদহে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, সেবা পেলেন সুবিধাবঞ্চিতরা ফ্যাসিস্টদের ফিরিয়ে এনে বিচার চায় জনগণ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উলিপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি সালেহীর মতবিনিময় মিরপুরে ৫ কাঠা জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ, বড় ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন হিলিতে বিভিন্ন মামলায় ৯ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ পবায় সড়কের বেহাল দশা: বায়া-হিমালয় কোল্ড স্টোরেজ রাস্তা এখন এক ‘মরণফাঁদ’ নাটোর লালপুরে পদ্মা নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

তেল সংকটে এলপিজি কনভারশনে ঝুঁকছেন গাড়ির মালিকরা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬৫ সময় দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে চলমান জ্বালানি তেল সংকট সামাল দিতে সিএনজি ও এলপিজি কনভারশনের দিকে ঝুঁকছেন ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরা। আমদানিকৃত অকটেন ও ডিজেলের দামের বিপরীতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে গাড়ির পরিচালন খরচ প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের বিচারে বর্তমানে সিএনজির চেয়ে এলপিজিই (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) গ্রাহকদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এক সময় সিএনজি কনভারশন জনপ্রিয় থাকলেও এখন ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ এলপিজি বেছে নিচ্ছেন। এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইঞ্জিনের সুরক্ষা। সিএনজির তুলনায় এলপিজিতে ইঞ্জিনের ক্ষতি কম হয়, সিলিন্ডারের ওজন হালকা এবং গাড়ি চালানোর অনুভূতি প্রায় অকটেনের মতোই আরামদায়ক। এছাড়া সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের বিড়ম্বনা না থাকা এবং দেশজুড়ে এলপিজি স্টেশনের সহজলভ্যতা এই চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়াচ্ছে

 

 

বর্তমানে ১ লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা হলেও সমপরিমাণ এলপিজি মিলছে মাত্র ৬২ টাকায়। সাউদার্ন অটোমোবাইলসের তথ্যমতে, অকটেনের তুলনায় সিএনজিতে খরচ ৭০ শতাংশ এবং এলপিজিতে প্রায় ৪০ শতাংশ সাশ্রয় হয়। দীর্ঘ মেয়াদে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকলেও যারা দৈনিক ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গাড়ি চালান, তাদের জন্য এই কনভারশন পদ্ধতি অত্যন্ত লাভজনক। রাজধানীর তেজগাঁও ও এর আশপাশের মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ, এইচএনএস অটো সলিউশন এবং সাউদার্ন অটোমোবাইলসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কনভারশন সেবা দিচ্ছে। জানা যায়, এলপিজি কনভারশনে মানভেদে খরচ পড়ছে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অপরদিকে সিএনজি কনভারশনে ধরনভেদে ৭০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল-এর মাধ্যমে ২৯ হাজার থেকে ৬৯ হাজার টাকায় এই সেবা পাওয়া সম্ভব। কনভারশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে মাত্র ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা।

আরও পড়ুনঃ  দেশ কিছুটা স্থিতিশীল তবে শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

 

 

এইচএনএস অটো সলিউশনের অপারেশন ম্যানেজার দীপক কুমার সরকার বলেন, দেশে চলমান গাড়ির প্রায় ৭০ শতাংশই টয়োটা ব্র্যান্ডের, যা এলপিজি ও সিএনজি উভয় মাধ্যমেই সহজে রূপান্তরযোগ্য। বর্তমানে জ্বালানি সাশ্রয়ের এই প্রবণতা পূর্বের তুলনায় ১০-১৫ শতাংশ বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শত শত ছোট-বড় কনভারশন সেন্টার গড়ে উঠলেও নিরাপত্তার স্বার্থে মানহীন সিলিন্ডার এড়িয়ে ব্র্যান্ডের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। দীর্ঘমেয়াদী লাভের আশায় স্বল্পমেয়াদী সাশ্রয় যেন বড় কোনো দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  এআইয়ের অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

তথ্য নিতে এসে ওসির ধমক খেলেন সাংবাদিক, মধ্যস্থতাকারীদের দিয়ে ঘটনা ‘দফারফা’র অভিযোগ!

তেল সংকটে এলপিজি কনভারশনে ঝুঁকছেন গাড়ির মালিকরা

আপডেটের সময়: ০৭:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে চলমান জ্বালানি তেল সংকট সামাল দিতে সিএনজি ও এলপিজি কনভারশনের দিকে ঝুঁকছেন ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরা। আমদানিকৃত অকটেন ও ডিজেলের দামের বিপরীতে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে গাড়ির পরিচালন খরচ প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের বিচারে বর্তমানে সিএনজির চেয়ে এলপিজিই (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) গ্রাহকদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এক সময় সিএনজি কনভারশন জনপ্রিয় থাকলেও এখন ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ এলপিজি বেছে নিচ্ছেন। এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইঞ্জিনের সুরক্ষা। সিএনজির তুলনায় এলপিজিতে ইঞ্জিনের ক্ষতি কম হয়, সিলিন্ডারের ওজন হালকা এবং গাড়ি চালানোর অনুভূতি প্রায় অকটেনের মতোই আরামদায়ক। এছাড়া সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের বিড়ম্বনা না থাকা এবং দেশজুড়ে এলপিজি স্টেশনের সহজলভ্যতা এই চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়াচ্ছে

 

 

বর্তমানে ১ লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা হলেও সমপরিমাণ এলপিজি মিলছে মাত্র ৬২ টাকায়। সাউদার্ন অটোমোবাইলসের তথ্যমতে, অকটেনের তুলনায় সিএনজিতে খরচ ৭০ শতাংশ এবং এলপিজিতে প্রায় ৪০ শতাংশ সাশ্রয় হয়। দীর্ঘ মেয়াদে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকলেও যারা দৈনিক ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গাড়ি চালান, তাদের জন্য এই কনভারশন পদ্ধতি অত্যন্ত লাভজনক। রাজধানীর তেজগাঁও ও এর আশপাশের মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ, এইচএনএস অটো সলিউশন এবং সাউদার্ন অটোমোবাইলসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কনভারশন সেবা দিচ্ছে। জানা যায়, এলপিজি কনভারশনে মানভেদে খরচ পড়ছে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অপরদিকে সিএনজি কনভারশনে ধরনভেদে ৭০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল-এর মাধ্যমে ২৯ হাজার থেকে ৬৯ হাজার টাকায় এই সেবা পাওয়া সম্ভব। কনভারশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে মাত্র ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা।

আরও পড়ুনঃ  বাস্তবের সঙ্গে কাগজে-কলমেও কমছে ইলিশ

 

 

এইচএনএস অটো সলিউশনের অপারেশন ম্যানেজার দীপক কুমার সরকার বলেন, দেশে চলমান গাড়ির প্রায় ৭০ শতাংশই টয়োটা ব্র্যান্ডের, যা এলপিজি ও সিএনজি উভয় মাধ্যমেই সহজে রূপান্তরযোগ্য। বর্তমানে জ্বালানি সাশ্রয়ের এই প্রবণতা পূর্বের তুলনায় ১০-১৫ শতাংশ বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শত শত ছোট-বড় কনভারশন সেন্টার গড়ে উঠলেও নিরাপত্তার স্বার্থে মানহীন সিলিন্ডার এড়িয়ে ব্র্যান্ডের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। দীর্ঘমেয়াদী লাভের আশায় স্বল্পমেয়াদী সাশ্রয় যেন বড় কোনো দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জের ‘ফ্যামিলি ব্যবসা এখন বগুড়ায়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী